নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: চুক্তি মতো বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে অগ্রিম নিয়েছিলেন বাড়ি ভাড়া দেবেন বলে। কিন্তু কাউকেই তিনি ভাড়া দেননি। উল্টে অগ্রিম টাকাও ফেরত দেননি বলে অভিযোগ। এভাবেই তাঁদের সঙ্গে প্রতারণা করেছিলেন বাড়ির মালকিন। কেউ টাকা ফেরত চাইতে এলে তাঁকে হয়রানি করা হতো বলেও অভিযোগ। ২০১২ সালে এমনই এক ব্যক্তির কাছ থেকে ওই মহিলা অগ্রিম বাবদ ১ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা নিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁকে একাধিকবার ঘুরিয়েও ঘর ভাড়া দেননি। শেষ পর্যন্ত ওই ব্যক্তি ওই বছরের ডিসেম্বর মাসে মুচিপাড়া থানায় প্রতারণার মামলা দায়ের করেন। সম্প্রতি মুচিপাড়া এলাকার বাসিন্দা ওই মহিলাকে ব্যাঙ্কশাল আদালত দোষী সাব্যস্ত করেছে। বিচারক তাঁকে তিন বছর কারাদণ্ডের আদেশ দেন। একইসঙ্গে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ছ’মাস অতিরিক্ত হাজতবাসের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।
Advertisement
সরকারি কৌঁসুলি অরূপ চক্রবর্তী বৃহস্পতিবার বলেন, ‘এর আগে একই ধরনের দু’টি ঘটনায় সাজা পেয়েছিলেন ওই মহিলা। কিন্তু তারপরও তিনি শুধরে যাননি। এবারও এই মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাঁর কারাদণ্ডের আদেশ হয়েছে।’ যদিও এই মামলার সওয়ালে মহিলার কৌঁসুলি আদালতে দাবি করেন, তাঁর মক্কেলকে হয়রানির জন্যই এই মামলায় জড়ানো হয়েছে। সব অভিযোগই মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
সরকারি আইনজীবী বলেন, ওই মহিলার বিরুদ্ধে প্রতারণার যথেষ্ট তথ্যপ্রমাণ রয়েছে। অভিযোগকারীর কাছ থেকে যে টাকা নেওয়া হয়েছিল, সেই তথ্য কোর্টের কাছে পেশ করা হয়েছিল। এমনকী, তিনি যে অগ্রিম টাকা নিয়েছিলেন, সেই নথিতেও তাঁর সইসাবুদ ছিল। বিচারক সমস্ত সাক্ষ্য‑প্রমাণের ভিত্তিতে জামিনে থাকা ওই মহিলাকে দোষী সাব্যস্ত করেন। জামিনে থাকাকালীন ওই মহিলা এই ধরনের অপরাধ করেছেন কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিস।
সরকারি আইনজীবী বলেন, ওই মহিলার বিরুদ্ধে প্রতারণার যথেষ্ট তথ্যপ্রমাণ রয়েছে। অভিযোগকারীর কাছ থেকে যে টাকা নেওয়া হয়েছিল, সেই তথ্য কোর্টের কাছে পেশ করা হয়েছিল। এমনকী, তিনি যে অগ্রিম টাকা নিয়েছিলেন, সেই নথিতেও তাঁর সইসাবুদ ছিল। বিচারক সমস্ত সাক্ষ্য‑প্রমাণের ভিত্তিতে জামিনে থাকা ওই মহিলাকে দোষী সাব্যস্ত করেন। জামিনে থাকাকালীন ওই মহিলা এই ধরনের অপরাধ করেছেন কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিস।



