Bartaman Logo
১ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

রাত জেগে বিশ্বকাপ ফুটবল দেখার পর সকালে অফিস! চিন্তায় চাকরিজীবীরা

ভারত বিশ্বকাপ ফুটবলের মূলপর্বে কখনও অংশ নেয়নি। কিন্তু তাতে কী যায় আসে!

রাত জেগে বিশ্বকাপ ফুটবল দেখার পর সকালে অফিস! চিন্তায় চাকরিজীবীরা
  • ১২ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সঞ্জিত সেনগুপ্ত, শিলিগুড়ি: ভারত বিশ্বকাপ ফুটবলের মূলপর্বে কখনও অংশ নেয়নি। কিন্তু তাতে কী যায় আসে! দেশের ফুটবল অনুরাগীদের কিন্তু বিশ্বকাপ ঘিরে ব্যাপক উন্মাদনা। বিশ্বকাপ শুরু হতেই শিলিগুড়ির অলিগলি থেকে চায়ের দোকান, সর্বত্রই চলছে ফুটবল নিয়ে আলোচনা। মেসি, নেইমার, রোনাল্ডো থেকে শুরু করে ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা কিংবা পর্তুগাল, জার্মানির সম্ভাবনা নিয়ে তর্ক-বিতর্কে সরগরম শহর। 

Advertisement

চায়ের টেবিলে সম্ভাব্য চ্যাম্পিয়ন নিয়ে চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ। তবে ফুটবলপ্রেমী অফিস কর্মীদের মধ্যে এবার দেখা দিয়েছে অন্য এক চিন্তা। বিশ্বকাপের অধিকাংশ গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ ভারতীয় সময়ে গভীর রাতে হবে। তাতে রাত জেগে খেলা দেখার পর পরেরদিন নির্দিষ্ট সময়ে অফিসে পৌঁছনো নিয়ে চিন্তায় পড়ে গিয়েছেন অনেকে।
শিলিগুড়ির বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি অফিসে এখন এই বিষয়টিই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। অনেকের মতে, সময়মত হাজিরা নিশ্চিত করতে বর্তমানে সরকারি দপ্তরগুলিতে কড়াকড়ি বেড়েছে। ফলে রাত জেগে খেলা দেখে পরদিন দেরি করে অফিসে আসার সুযোগ আগের মত নেই। পূর্তদপ্তরের এক কর্মী বলেন, আগে কখনও কখনও একটু দেরি হলেও সমস্যা হত না। কিন্তু এখন হাজিরা নিয়ে কড়াকড়ি বাড়ায় রাত জেগে ম্যাচ দেখে সময়মত অফিসে পৌঁছনো কঠিন হয়ে পড়বে।
বিশ্বকাপের সূচী অনুযায়ী বেশির ভাগ ম্যাচ ভারতীয় সময় রাত সাড়ে ১২টা, দেড়টা, আড়াইটে, সাড়ে ৩টেয় শুরু। সকালেও কিছু ম্যাচ পড়েছে। কোয়ার্টার ফাইনাল, সেমিফাইনাল ও ফাইনালও গভীর রাতেই। ফলে গ্রুপ পর্বের ম্যাচ বেছে দেখার সুযোগ থাকলেও নক-আউট পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচগুলি কীভাবে দেখা যাবে, তা নিয়ে এখন চিন্তায় ফুটবলপ্রেমীরা। কেউ বলছেন, অর্ধেক খেলা দেখে ঘুমিয়ে পড়বেন। কেউ আবার পরিকল্পনা করছেন শুধুমাত্র প্রিয় দলগুলির ম্যাচ দেখার। তবে আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, ফ্রান্স কিংবা পর্তুগালের মতো জনপ্রিয় দলের ম্যাচ এড়িয়ে যাওয়া যে কঠিন, তা স্বীকার করছেন সকলেই। 
উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজের কর্মী অ্যান্টোনিও ডি রোজারিও বলেন, ম্যাচ বেছে বেছে দেখতে হবে। কিছু খেলা আবার শনি ও রবিবার পড়ছে, সেগুলি দেখার পরিকল্পনা করছি। তবে সেমিফাইনাল ও ফাইনাল দেখার জন্য প্রয়োজন হলে অফিসে ছুটিও নেব। বিশ্বকাপ তো চার বছর পর পর আসে, এই উন্মাদনা থেকে দূরে থাকা সত্যিই অসম্ভব। • নিজস্ব চিত্র।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ