নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: কোনও ছাত্র সংসদ নির্বাচন হয়নি। অথচ অভিযোগ, সোমবার হুগলির কোন্নগরের হীরালাল পাল কলেজ কর্তৃপক্ষ নোটিস দিয়ে একজন ছাত্রকে সংসদের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) ঘোষণা করেছেন। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। এনিয়ে শাসকদলের ছাত্র সংগঠনের অন্দরেও শুরু হয়েছে ডামাডোল। ছাত্র সংসদ নিয়ে ওয়াকিবহাল মহলও ওই নোটিসের আইনি বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। যদিও কলেজের অধ্যক্ষ শ্রীকান্ত সামন্ত বলেন, ছাত্র সংসদের নানা প্রয়োজনের জন্য সাধারণ সম্পাদকের প্রয়োজন হয়। সব মহলের সঙ্গে প্রয়োজনীয় আলোচনা করে যাবতীয় পদক্ষেপ করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের তরফ থেকে অবশ্য এবিষয়ে কোনওরকম আপত্তি করা হয়নি।
কলেজ সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে ছাত্র সংসদ নির্বাচন হয়নি। তারপরেও একজন ছাত্রকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত করে কাজ চালানো হচ্ছিল। সম্প্রতি সেই পদাধিকারীকে নিয়ে ছাত্র সংসদ, তৃণমূল ছাত্র পরিষদের অন্দরে এবং কলেজে কিছু জটিলতা তৈরি হয়। তারপরেই এদিন নতুন একজনকে সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করে কলেজ কর্তৃপক্ষ নোটিস জারি করে। তারপরেই তুমুল বিতর্ক শুরু হয়েছে।
ওই ঘটনার পিছনে শাসক দলের ছাত্র সংগঠনের অন্দরের দ্বন্দ্বের ভূমিকা আছে বলে, তৃণমূল কংগ্রেসের একাংশ দাবি করেছে। বিশেষ করে কলেজের কিছু সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আসন্ন। তার প্রাক্কালে ওই রদবদলে নানা গুঞ্জন ছড়াতে শুরু করেছে।
তৃণমূল কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা তথা কোন্নগর পুরসভার চেয়ারম্যান স্বপন দাস বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দেখব।