নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: আর্থিক তছরুপ এবং মানব পাচারের অভিযোগ। তা নিয়ে এফআইআর দায়ের হয়েছে খোদ ‘দিল্লির সাইবার ক্রাইম থানায়।’ এক সাইবার ক্রাইম অফিসার ফোন করে জানিয়েছিল, শীঘ্রই গ্রেপ্তার করা হবে। অবসরপ্রাপ্ত সরকারি অফিসার তা শুনে আকাশ থেকে পড়েন। কী করবেন? কেস মেটানোর জন্য দিতে হবে টাকা! কত? ৩২ লক্ষ ৮২ হাজার টাকা! জিপিএফের সঞ্চিত অর্থ থেকে তিনি দিয়েও দেন সেই টাকা। কিন্তু, সেই টাকা দেওয়ার পর বুঝতে পারেন, তিনি ডিজিটাল অ্যারেস্ট নামক নয়া প্রতারণার শিকার। মাত্র দু’সপ্তাহে এই ঘটনার কিনারা করল বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানার পুলিস। সম্পূর্ণ টাকা উদ্ধার হয়েছে। তারপর ফেরানো হয়েছে অবসরপ্রাপ্ত ওই অফিসারকে। খোয়ানো টাকা ফিরে পেয়ে উচ্ছ্বসিত তিনি ধন্যবাদ জানিয়েছেন সাইবার ক্রাইম থানার পুরো টিমকে।
Advertisement
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ডিজিটাল অ্যারেস্টের নামে সাইবার প্রতারণা এখন গোটা দেশেই হচ্ছে। যে কোনও মানুষকে ফোন করে প্রতারকরা বলছে, আপনার নামে এফআইআর হয়েছে। তারপর নানা অছিলায় টাকা আদায় করছে তারা। কখনও সাইবার ক্রাইম, কখনও কাস্টমস, কখনও ক্রাইম ব্রাঞ্চের নাম বলছে প্রতারকরা। বিধাননগরের কেসটিতে প্রতারকরা নিজেদের দিল্লি সাইবার ক্রাইম থানার অফিসার বলে পরিচয় দিয়েছিল। প্রতারিত ব্যক্তি সল্টলেক বিকাশ ভবনে সরকারি অ্যাডমিনিস্ট্রেটর অফিসার পদে ছিলেন।
প্রতারকরা তাঁকে ফোন করে বলেছিল, তাঁর বিরুদ্ধে দু’টি এফআইআর রয়েছে। দু’দিনের মধ্যেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হবে। প্রতারকদের কথা বিশ্বাস করে ফেলেছিলেন ওই অবসরপ্রাপ্ত অফিসার। লোকলজ্জার ভয়ে তিনি প্রতারকদের কথা মতো ৩২ লক্ষ ৮২ হাজার টাকা দিয়ে ফেলেন। গত ৩১ ডিসেম্বর তাঁর সঙ্গে এই ঘটনা ঘটার পর তিনি টের পান, প্রতারিত হয়েছেন। দেরি না করে তিনি ১ জানুয়ারি বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। তদন্ত শুরু করে পুলিস। নতুন বছরের প্রথম কেস। তাই তাকে কিনারা করার জন্য বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। অবশেষে তার সমাধান হল মাত্র ১৪ দিনেই।
প্রতারকরা তাঁকে ফোন করে বলেছিল, তাঁর বিরুদ্ধে দু’টি এফআইআর রয়েছে। দু’দিনের মধ্যেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হবে। প্রতারকদের কথা বিশ্বাস করে ফেলেছিলেন ওই অবসরপ্রাপ্ত অফিসার। লোকলজ্জার ভয়ে তিনি প্রতারকদের কথা মতো ৩২ লক্ষ ৮২ হাজার টাকা দিয়ে ফেলেন। গত ৩১ ডিসেম্বর তাঁর সঙ্গে এই ঘটনা ঘটার পর তিনি টের পান, প্রতারিত হয়েছেন। দেরি না করে তিনি ১ জানুয়ারি বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। তদন্ত শুরু করে পুলিস। নতুন বছরের প্রথম কেস। তাই তাকে কিনারা করার জন্য বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। অবশেষে তার সমাধান হল মাত্র ১৪ দিনেই।



