সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: ইন্ডিয়ান টি বোর্ডের নির্দেশিকা মেনে অবশেষে সোমবার থেকে চা পাতা তোলার নতুন মরশুম শুরু হল। গত বছর ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত পাতা তোলা যাবে বলে ফরমান জারি করেছিল কেন্দ্র সরকার। ফলে ডিসেম্বর মাসে পাতা তোলা যায়নি। গাছে ফার্স্ট ফ্ল্যাশের পাতা আসতে শুরু করলেও, সরকারি নির্দেশিকার কারণে প্রচুর পাতা তুলে তা নষ্ট করে দিতে হয়েছিল। যার জেরে কেন্দ্রীয় ফরমানের বিরুদ্ধে ক্ষোভ ছড়ায় চা শিল্প মহল। এই ক্ষোভের আঁচ পেয়ে ইন্ডিয়ান টি বোর্ড বাধ্য হয়ে ১৭ ফেব্রুয়ারির বদলে চা পাতার তোলার সময় এক সপ্তাহ এগিয়ে এনে ১০ ফেব্রুয়ারি করতে বাধ্য হয়।
Advertisement
টি অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্ডিয়ার (টাই) উত্তরবঙ্গের চেয়ারম্যান চিন্ময় ধর বলেন, এদিন থেকে পাতা তোলা শুরু হলেও নতুন মরশুম কেমন যাবে তা নিয়ে দোলাচলে আছি। কেন্দ্রের কাছে আমাদের দাবি, বিদেশ থেকে আসা চায়ের উপর শুল্ক আরোপ হোক। না হলে দেশের চা শিল্পের এই বেহাল দশা কাটবে না।
এদিকে, গত অক্টোবর মাস থেকে বৃষ্টি নেই। সেন্ট্রাল ডুয়ার্স চা বাগানের মালিক শান্তনু বসু বলেন, আবহাওয়ার এই খামখেয়ালিপনার জন্য ইতিমধ্যেই চা গাছে ক্ষতিকারক লুপার ও হেলোপেলটিস পোকার হানাদারি শুরু হয়েছে। জানি না এবার মরশুমের শেষে গিয়ে কীরকম আয় হবে।
চা মালিকদের অভিযোগ, নেপাল বা কেনিয়ার মতো দেশে ভারতীয় চা পাঠানোর সময় ৪০ শতাংশ শুল্ক দিতে হচ্ছে। উল্টোদিকে কেনিয়া, ভিয়েতনাম, নেপাল বা শ্রীলঙ্কার চা পাতা ভারতে আসছে বিনা শুল্কে।
এদিকে, গত অক্টোবর মাস থেকে বৃষ্টি নেই। সেন্ট্রাল ডুয়ার্স চা বাগানের মালিক শান্তনু বসু বলেন, আবহাওয়ার এই খামখেয়ালিপনার জন্য ইতিমধ্যেই চা গাছে ক্ষতিকারক লুপার ও হেলোপেলটিস পোকার হানাদারি শুরু হয়েছে। জানি না এবার মরশুমের শেষে গিয়ে কীরকম আয় হবে।
চা মালিকদের অভিযোগ, নেপাল বা কেনিয়ার মতো দেশে ভারতীয় চা পাঠানোর সময় ৪০ শতাংশ শুল্ক দিতে হচ্ছে। উল্টোদিকে কেনিয়া, ভিয়েতনাম, নেপাল বা শ্রীলঙ্কার চা পাতা ভারতে আসছে বিনা শুল্কে।



