সংবাদদাতা, বারুইপুর: দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে জল জমার যন্ত্রণায় জর্জরিত বারুইপুর পুরসভার বিরাট এলাকা। এই জল বেরনোর পথ আদি গঙ্গা। কিন্তু রেলের ডায়মন্ডহারবার শাখার দু’টি জায়গায় ও লক্ষ্মীকান্তপুর শাখার একটি জায়গায় আদি গঙ্গার উপর কালভার্টের মুখ খুব ছোট। ফলে সেখানে জল প্রবাহ বাধা পাচ্ছে। এই আদি গঙ্গাতেই পুর এলাকার জমা জল পাম্প করে ফেলা হয়। এই সমস্যার জন্য কালভার্টের মুখ আরও চওড়া করার চিন্তাভাবনা করেছিল সেচদপ্তরের মগরাহাট ড্রেনেজ ডিভিশন। কিন্তু আর্থিক জটিলতার জেরে এই কাজ পিছিয়ে যায়।
Advertisement
সেচদপ্তর সূত্রে খবর, পরে সেই জটিলতা কাটিয়ে ১০ কোটি ১৪ লক্ষ টাকা ধার্য করা হয়েছিল কাজের জন্য। কিন্তু রেল কাজের চুক্তিপত্রে সই করতে ঢিলেমি করে বলে অভিযোগ ওঠে। মগরাহাট ড্রেনেজ ডিভিশনের এক বাস্তুকার বলেন, সব সমস্যা মিটে গিয়েছে। রেল থেকে চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছে, ওই টাকায় কাজ শুরু হবে জানুয়ারিতে। জুন মাসের মধ্যে কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে। এর ফলে বারুইপুর পুরসভা এলাকায় জল জমার সমস্যা অনেকটাই মিটবে। এই প্রসঙ্গে পূর্ব রেলের শিয়ালদহের ডিভিশন ইঞ্জিনিয়ার মিস্টার রঞ্জন বলেন, চলতি মাসেই টেন্ডার প্রক্রিয়া হবে। জানুয়ারি মাসে কাজ শুরু করবে রেল। বারুইপুর পুরসভার ১৭টি ওয়ার্ড। ফি বছর জল জমার সমস্যায় ভুগতে হয় পুর এলাকার বাসিন্দাদের। এই কালভার্টগুলি সংস্কার হলে পুরসভার ১০, ১১, ২, ১৫, ৩, ৪, ১৩, ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে জল জমার সমস্যা থাকবে না বলেই মনে করেন কাউন্সিলাররা। সেচদপ্তরের এক আধিকারিক বলেন, এর সঙ্গে পুরসভা যদি প্রতি ওয়ার্ডে নিয়মিত নর্দমা পরিষ্কার রাখে, নর্দমার মুখ আটকে থাকা জিনিস সরিয়ে দেয়, তাহলে জল জমার সমস্যা আর থাকবে না। তবে পুরসভার এক কাউন্সিলার বলেন, এর সঙ্গেই মদারাটের নায়েবের মোড়ে ফর্দির পোল খালের সংস্কার দরকার।



