রাঁচি: ভোটে ফায়দা তুলতে কংগ্রেস ও তার সহযোগী দলগুলি ওবিসিদের মধ্যে বিভাজন ঘটাতে চাইছে। রবিবার ঝাড়খণ্ডে ভোট প্রচারে এসে এমনই দাবি করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বোকারোর জনসভায় ওবিসিদের জন্য ‘এক রহেঙ্গে তো সেফ রহেঙ্গে’ স্লোগানও তোলেন তিনি। মোদি বলেন, নব্বইয়ের দশকে ওবিসিদের জন্য সংরক্ষণ ব্যবস্থা চালুর পর কংগ্রেস কখনও লোকসভা নির্বাচনে আড়াইশোর বেশি আসন পায়নি। তাই কংগ্রেস এখন ওবিসিদের মধ্যে ফাটল ধরাতে বিভিন্ন জাতের কথা বলছে। প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত জনতার উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা কি ওবিসিদের মধ্যে বিভাজন চান? ভাঙন ধরলে কী আপনাদের কণ্ঠ দুর্বল হয়ে পড়বে না? মনে রাখতে হবে- এক রহেঙ্গে তো সেফ রহেঙ্গে।’
Advertisement
এদিন চড়াসুরে কংগ্রেস এবং তাদের শরিক হেমন্ত সোরেনের ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চাকে নিশানা করেছেন মোদি। তাঁর কথায়, জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ ক্ষমতার প্রতীক ৩৭০ অনুচ্ছেদ বিলুপ্ত করেছে বিজেপি সরকার। তার জেরেই সেখানকার মুখ্যমন্ত্রীকে এখন সংবিধানে হাত রেখে শপথ নিতে হচ্ছে। গত সাত দশকেরও বেশি সময় ধরে জম্মু ও কাশ্মীরে দেশের সংবিধান কার্যকর হতো না। তাঁর কথায়, ‘এটাই বাবাসাহেব আম্বেদকরের প্রতি আমার শ্রদ্ধা।’ প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, ৩৭০ অনুচ্ছেদ বিলোপের পর জম্মু ও কাশ্মীরে জঙ্গি হামলার প্রকোপ কমেছে। এতে উপকৃত হয়েছেন ঝাড়খণ্ডের মানুষ। কারণ আগে সেনাবাহিনীতে কাজ করতে গিয়ে রাজ্যের বহু যুবকের জঙ্গিদের হাতে প্রাণ গিয়েছে।
মোদি আরও দাবি করেছেন, ঝাড়খণ্ডে বিজেপি সরকার এলে শান্তি ফিরবে। মহিলারা সুরক্ষিত হবেন। সর্বোপরি রাজ্যের মানুষের হাতেই থাকবে রাজ্যের জমি। ঝাড়খণ্ডের প্রতি মোদি সরকারের বঞ্চনার অভিযোগ করেছেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন ও কংগ্রেস। সেই অভিযোগ খণ্ডন করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মনমোহন সিংকে প্রধানমন্ত্রী করে সরকার চালাতেন ম্যাডাম সোনিয়াজি। ২০০৪ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত কংগ্রেস আমলে ঝাড়খণ্ডে কেন্দ্রীয় বরাদ্দের পরিমাণ ছিল ছিল ৮০ হাজার কোটি টাকা। গত দশ বছরে এই পরিমাণ চার গুণ বেড়ে হয়েছে ৩ লক্ষ কোটি টাকা।’
মোদি আরও দাবি করেছেন, ঝাড়খণ্ডে বিজেপি সরকার এলে শান্তি ফিরবে। মহিলারা সুরক্ষিত হবেন। সর্বোপরি রাজ্যের মানুষের হাতেই থাকবে রাজ্যের জমি। ঝাড়খণ্ডের প্রতি মোদি সরকারের বঞ্চনার অভিযোগ করেছেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন ও কংগ্রেস। সেই অভিযোগ খণ্ডন করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মনমোহন সিংকে প্রধানমন্ত্রী করে সরকার চালাতেন ম্যাডাম সোনিয়াজি। ২০০৪ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত কংগ্রেস আমলে ঝাড়খণ্ডে কেন্দ্রীয় বরাদ্দের পরিমাণ ছিল ছিল ৮০ হাজার কোটি টাকা। গত দশ বছরে এই পরিমাণ চার গুণ বেড়ে হয়েছে ৩ লক্ষ কোটি টাকা।’



