নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: সল্টলেক সেক্টর ফাইভের মোল্লার ভেড়ি ছিল বিধাননগর পুরসভার ডাম্পিং গ্রাউন্ড। পরিবেশ আদালতের নির্দেশে সেখানে আবর্জনা ফেলা বন্ধ। তাই পুরসভার ৪১টি ওয়ার্ডের যাবতীয় জঞ্জাল এখন ইএম বাইপাস সংলগ্ন ধাপায় ফেলা হয়। কিন্তু সল্টলেক থেকে কলকাতা পর্যন্ত তা নিয়ে যেতে দীর্ঘ সময় লাগছে। তাছাড়া ধাপার উপরও পড়ছে চাপ। এ সমস্যা কাটাতে নিউটাউনের পাথরঘাটা এলাকায় একটি সলিড ওয়েস্ট প্রসেসিং প্ল্যান্ট বা কঠিন বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র তৈরি করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তর। ইতিমধ্যেই প্রকল্পের আবেদন জমা পড়েছে। দ্রুত তৈরির প্রস্তুতিও চলছে। দপ্তরের দাবি, এই প্ল্যান্ট তৈরি হয়ে গেলে বিধাননগর পুরসভা এবং এনকেডিএ’র সমস্ত জঞ্জাল এখানে পুনর্ব্যবহারযোগ্য করার কাজ হবে।
Advertisement
অভিজাত শহর সল্টলেক। কিন্তু এই শহরের বিভিন্ন জায়গায় জঞ্জাল সাফাই নিয়ে অভিযোগ রয়েছে। রাস্তার ধারে বিভিন্ন এলাকায় দিনভর আবর্জনা পড়ে থাকতে দেখা যায়। সল্টলেক
ছাড়াও বিধাননগর পুরসভার একাধিক জায়গায় এই দৃশ্য রোজকার দৃশ্য। মোল্লার ভেড়ি বন্ধ হয়ে
যাওয়ার পর এই সমস্যা বেড়েছে বলে দাবি পুরসভার। কেন? কারণ, পুরসভার পুরনো ডাম্পার দিয়ে ধাপায় জঞ্জাল ফেলতে হচ্ছে। তা পাঠাতে
দীর্ঘ সময় লাগছে। তাছাড়া যেগুলি বহু পুরনো ডাম্পার সেগুলি ধাপার ‘পাহাড়ি পথে’র উঁচু জায়গায় উঠতে পারছে না। তাই গাড়িগুলি যত পরিমাণ মাল বহন করতে পারে, তার চেয়ে কম বোঝাই করে সেখানে উঠছে। ফলে অনেকবার যাতায়াত করতে হচ্ছে। এমনিতেই দূরে ডাম্পিং গ্রাউন্ড হওয়ায় যাতায়াতে আগের থেকে
সময় লাগছে বেশি। তাই নতুন ডাম্পার কেনা হয়েছে। কিন্তু তাও পর্যাপ্ত নয়। কিছু ডাম্পার ভাড়াও নেওয়া হচ্ছে। পাথরঘাটার প্ল্যান্ট হয়ে গেলে সমস্যার সমাধান হবে।
১২ ডিসেম্বর বিধাননগর পুরসভার জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। সেখানে এই বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। মন্ত্রী জানান, ‘মোল্লার ভেড়ি বন্ধ হয়ে যাওয়ার জন্যই সল্টলেকের রাস্তায় নোংরা জমে থাকছে। ছ’মাসের মধ্যে পাথরঘাটায় একটি প্রসেসিং প্ল্যান্ট তৈরি হবে। সুডার কাছে আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। এখানে বিধাননগর এবং এনকেডিএ’র জঞ্জাল প্রক্রিয়াকরণ হবে।’
ছাড়াও বিধাননগর পুরসভার একাধিক জায়গায় এই দৃশ্য রোজকার দৃশ্য। মোল্লার ভেড়ি বন্ধ হয়ে
যাওয়ার পর এই সমস্যা বেড়েছে বলে দাবি পুরসভার। কেন? কারণ, পুরসভার পুরনো ডাম্পার দিয়ে ধাপায় জঞ্জাল ফেলতে হচ্ছে। তা পাঠাতে
দীর্ঘ সময় লাগছে। তাছাড়া যেগুলি বহু পুরনো ডাম্পার সেগুলি ধাপার ‘পাহাড়ি পথে’র উঁচু জায়গায় উঠতে পারছে না। তাই গাড়িগুলি যত পরিমাণ মাল বহন করতে পারে, তার চেয়ে কম বোঝাই করে সেখানে উঠছে। ফলে অনেকবার যাতায়াত করতে হচ্ছে। এমনিতেই দূরে ডাম্পিং গ্রাউন্ড হওয়ায় যাতায়াতে আগের থেকে
সময় লাগছে বেশি। তাই নতুন ডাম্পার কেনা হয়েছে। কিন্তু তাও পর্যাপ্ত নয়। কিছু ডাম্পার ভাড়াও নেওয়া হচ্ছে। পাথরঘাটার প্ল্যান্ট হয়ে গেলে সমস্যার সমাধান হবে।
১২ ডিসেম্বর বিধাননগর পুরসভার জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। সেখানে এই বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। মন্ত্রী জানান, ‘মোল্লার ভেড়ি বন্ধ হয়ে যাওয়ার জন্যই সল্টলেকের রাস্তায় নোংরা জমে থাকছে। ছ’মাসের মধ্যে পাথরঘাটায় একটি প্রসেসিং প্ল্যান্ট তৈরি হবে। সুডার কাছে আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। এখানে বিধাননগর এবং এনকেডিএ’র জঞ্জাল প্রক্রিয়াকরণ হবে।’



