নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শেষ পর্যন্ত নিউটাউন থানার আইসিকে ক্লোজ করল রাজ্য সরকার। পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত তাঁকে বিধাননগর পুলিস হেডকোয়ার্টারে পোস্টিং করা হয়েছে। মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টে রিপোর্ট দিয়ে একথা জানিয়েছে রাজ্য।
Advertisement
এর আগে জমি মামলায় হাইকোর্টের নির্দেশ অগ্রাহ্য করায় নিউটাউন থানার আইসি’র ভূমিকায় চরম বিরক্তি প্রকাশ করে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ। কারণ নিউটাউন থানার কৃষ্ণপুর এলাকার বাসিন্দা রত্নদীপ মহাপাত্রের অভিযোগ ছিল, মায়ের জমি প্রোমোটার কার্তিক প্রামাণিককে বিক্রি করতে রাজি না হওয়ায় ৩১ আগস্ট তাঁর উপর চড়াও হয় কার্তিক সহ দলবল। তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হয়। পরিবারের সদস্যরা বাঁচাতে এলে তাঁদেরও ব্যাপক মারধর করা হয়। রত্নদীপের আইনজীবী সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, নিউটাউন থানায় অভিযোগ জানানো হলেও পদক্ষেপ করেনি পুলিস। স্থানীয় কাউন্সিলার ঘনিষ্ঠ প্রোমোটারকে বাঁচাতে উঠে পড়ে লেগেছে খোদ নিউটাউন থানার আইসি। একটি লঘু ধারা দিয়ে প্রোমোটারকে আত্মসমর্পণ করায় ও পরে ছেড়ে দেয়।
বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে মামলাটি উঠলে পুলিসের কাছে তদন্তের অগ্রগতি সংক্রান্ত রিপোর্ট তলব করেন বিচারপতি ঘোষ। সেই মতো পুলিসি রিপোর্ট জমা পড়ে। দেখা যায়, অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিস কার্যত কোনও পদক্ষেপই করেনি। এরপরও নিউটাউন থানার আইসিকে ফের রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিলে একই রিপোর্ট জমা দেন আইসি। তখনই আইসির ভূমিকায় বিরক্তি প্রকাশ করে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিয়ে ওই থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত ডেপুটি কমিশনারকে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।
সেই অনুযায়ী, এদিন ডেপুটি কমিশনারের তরফে রিপোর্ট দিয়ে জানানো হয়, ওই অফিসারকে ক্লোজ করা হয়েছে। রাজ্যের রিপোর্ট দেখে সন্তোষ প্রকাশ করলেও আদালতের পর্যবেক্ষণ, নির্দিষ্ট চিন্তা ভাবনা থাকার কারণেই বিধাননগরকে কমিশনারেট করা হয়েছে। বাসিন্দাদের জীবনযাত্রা সম্পর্কে পুলিস সুশিক্ষিত না হলে কমিশনারেট করার উদ্দেশ্যই ব্যর্থ হবে। বিচারপতি আরও বলেন, ওই এলাকা বিনিয়োগের জায়গা, সেখানে যদি পুলিস প্রশিক্ষিত না হয় তাহলে সমাজের জন্যই খারাপ বার্তা যাবে।
বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে মামলাটি উঠলে পুলিসের কাছে তদন্তের অগ্রগতি সংক্রান্ত রিপোর্ট তলব করেন বিচারপতি ঘোষ। সেই মতো পুলিসি রিপোর্ট জমা পড়ে। দেখা যায়, অভিযোগের প্রেক্ষিতে পুলিস কার্যত কোনও পদক্ষেপই করেনি। এরপরও নিউটাউন থানার আইসিকে ফের রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিলে একই রিপোর্ট জমা দেন আইসি। তখনই আইসির ভূমিকায় বিরক্তি প্রকাশ করে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিয়ে ওই থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত ডেপুটি কমিশনারকে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।
সেই অনুযায়ী, এদিন ডেপুটি কমিশনারের তরফে রিপোর্ট দিয়ে জানানো হয়, ওই অফিসারকে ক্লোজ করা হয়েছে। রাজ্যের রিপোর্ট দেখে সন্তোষ প্রকাশ করলেও আদালতের পর্যবেক্ষণ, নির্দিষ্ট চিন্তা ভাবনা থাকার কারণেই বিধাননগরকে কমিশনারেট করা হয়েছে। বাসিন্দাদের জীবনযাত্রা সম্পর্কে পুলিস সুশিক্ষিত না হলে কমিশনারেট করার উদ্দেশ্যই ব্যর্থ হবে। বিচারপতি আরও বলেন, ওই এলাকা বিনিয়োগের জায়গা, সেখানে যদি পুলিস প্রশিক্ষিত না হয় তাহলে সমাজের জন্যই খারাপ বার্তা যাবে।



