সংবাদদাতা, দিনহাটা: ছ’বছর আগে সরকারি অনুমোদন মিললেও দিনহাটায় আজও চালু হল না নার্সিং ট্রেনিং সেন্টার। তবে রাজ্যে পালাবদল হতেই নার্সিং ট্রেনিং সেন্টার পাকাপাকিভাবে গড়ে পঠনপাঠন চালুর ব্যাপারে আশাবাদী মহকুমার মানুষ।
সংবাদদাতা, দিনহাটা: ছ’বছর আগে সরকারি অনুমোদন মিললেও দিনহাটায় আজও চালু হল না নার্সিং ট্রেনিং সেন্টার। তবে রাজ্যে পালাবদল হতেই নার্সিং ট্রেনিং সেন্টার পাকাপাকিভাবে গড়ে পঠনপাঠন চালুর ব্যাপারে আশাবাদী মহকুমার মানুষ।
২০১৯ সালে দিনহাটা মহকুমা হাসপাতালেই ৫০ আসনের একটি নার্সিং ট্রেনিং সেন্টারের অনুমোদন মেলে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নার্সিং ট্রেনিং সেন্টার গড়ার বিষয়ে পদক্ষেপও গ্রহণ করে। কিন্তু করোনার কারণে থমকে যায় ওই কাজ। তবে কবে চালু হবে নার্সিং ট্রেনিং সেন্টার সেই বিষয়ে কেউ নির্দিষ্ট করে কিছু বলতে পারছেন না। যা নিয়ে প্রশাসনের উদাসীনতার অভিযোগ উঠছে।
কোচবিহার জেলার গুরুত্বপূর্ণ একটি মহকুমা দিনহাটা। প্রান্তিক এই মহকুমার অন্যতম স্বাস্থ্যকেন্দ্র দিনহাটা মহকুমা হাসপাতাল। এই হাসপাতালের ওপর স্বাভাবিকভাবেই রোগীর চাপ সারা বছরই বেশি থাকে। হাসপাতালের গুরুত্ব বিচার করে বিগত কয়েক বছরে পরিকাঠামোগত আমূল পরিবর্তন ঘটানো হয়েছে। হাসপাতালে বেডের সংখ্যা বেড়ে এখন ৩২৮টি।
দিনহাটা হাসপাতালে নার্সিং ট্রেনিং সেন্টার গড়ার বিষয়ে উদ্যোগী হয়েছিল তৎকালীন রাজ্য সরকার। অনুমোদন মেলার খবরে মহকুমার দুঃস্থ মেধাবী ছাত্রীরা বাড়ির কাছেই নার্সিং ট্রেনিং করার স্বপ্ন দেখতে শুরু করছিলেন। কিন্তু গত প্রায় ছ’বছর ধরে প্রকল্পের কোনোরকম অগ্রগতি না হওয়ায় তাঁরা কার্যত হতাশ হয়ে পড়েছেন। অনেকেই বাইরের রাজ্যে গিয়ে মোটা টাকা খরচ করে বেসরকারি ট্রেনিং সেন্টারে গিয়ে কোর্স করছেন।
হাসপাতাল সুপার ডাঃ রণজিৎ মণ্ডল বলেন, নার্সিং ট্রেনিং সেন্টার গড়তে আমাদের কাছে ২০১৯ সালে অনুমোদন এসেছে। অনুমোদন আসার পর যে সমস্ত তথ্য ও কাগজ চাওয়া হয়েছিল সবটাই আমরা স্বাস্থ্যদপ্তরে পাঠিয়েছি। কিন্তু মাঝে কোভিড চলে আসায় সবকিছু থমকে যায়। তারপর ওই বিষয়ে এখনও কোনো নির্দেশ আসেনি। উপর মহলে আমরা যোগাযোগ করব।
যদিও বিধায়ক হওয়ার পর মহকুমা হাসপাতালের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে উদ্যোগী হয়েছেন দিনহাটার বিজেপি এমএলএ অজয় রায়। তিনি ইতিমধ্যেই রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডাঃ শারদ্বত মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করে হাসপাতালের উন্নয়নে বিভিন্ন দাবিও জানিয়েছেন।