নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: চলতি অর্থবর্ষ, অর্থাৎ ২০২৪-২৫ সালের বাজেট পেশ করতে গিয়ে ‘বিবাদ সে বিশ্বাস’ প্রকল্প ঘোষণা করেছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। এর আগে একই প্রকল্প চালু হয়েছিল চারবছর আগে। আয়কর দপ্তরের আওতায় থাকা এই স্কিমটির এবার দ্বিতীয় পর্যায়। এই স্কিমে যাঁরা চলতি মাসের মধ্যে সাড়া দেবেন না, সেইসব করদাতাকে বাড়তি কর মেটাতে হবে ১ জানুয়ারি থেকে। ব্যবসায়ীদের সংগঠন কনফেডারেশন অব ওয়েস্ট বেঙ্গল ট্রেড অ্যাসোসিয়েশনস আয়োজিত এক আলোচনাসভায় এমনই জানালেন আয়কর দপ্তরের কর্তারা। তাঁদের কথায়, এই স্কিমে যাঁরা আগামী মাসে সাড়া দেবেন, তাঁদের বাড়তি ১০ শতাংশ কর জমা করতে হবে।
Advertisement
প্রসঙ্গত, ট্রাইবুনাল থেকে শুরু করে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত দেশজুড়ে বহু মামলা ঝুলে রয়েছে, যেগুলির সঙ্গে বকেয়া আয়কর জড়িত। বেসরকারি সূত্রের খবর, প্রায় ২.৭ লক্ষ মামলা রয়েছে, যেখানে প্রায় ৩৫ লক্ষ কোটি টাকার আয়কর বকেয়া রয়েছে ইনকাম ট্যাক্স দপ্তরের তরফে। মামলা-মকদ্দমার বাইরে গিয়ে সেইসব কেস মিটিয়ে নেওয়ার যে স্কিম কেন্দ্রীয় সরকার চালু করে, তারই নাম বিবাদ সে বিশ্বাস স্কিম। ২০২০ সালে ঘোষিত স্কিম থেকে সরকারের রাজস্ব আদায় হয়েছিল প্রায় ১ লক্ষ কোটি টাকা। স্কিমটি বাজেটে ঘোষণা করা হলেও, অক্টোবর মাস থেকে তা চালু হয়। এদিন আয়কর কর্তারা বলেন, প্রকল্পটির সুবিধা নেওয়ার কোনও সময়সীমা নেই। কিন্তু সরকার চায়, দ্রুত করদাতারা এর সুযোগ নিন। সেই কারণেই ৩১ ডিসেম্বর পেরলে, বাড়তি কর চাপানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এদিন আয়কর দপ্তরের কর্তারা জানান, যেসব পড়ুয়ারা ভারতের নাগরিক এবং বিদেশে পড়তে যাচ্ছেন, তাঁরা যদি সেখানে কোনও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলেন এবং সেই অ্যাকাউন্টে এদেশ থেকে টাকা পাঠানো হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট পড়ুয়াকে আয়কর দপ্তরের কাছে সেই তথ্য জানাতে হবে বা ডিক্লারেশন দিতে হবে। সেই পড়ুয়া কোনও উপার্জন না করলেও, তা জানাতে হবে। তাঁর বাবা, মা বা আত্মীয়, যাঁর থেকেই সেই টাকা পান না কেন, তা জানাতে হবে। তা না-হলে বছরে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা দিতে হতে পারে তাঁকে। আয়কর কর্তাদের বক্তব্য, অনেকেই কষ্ট করে বিদেশে পড়াশুনোর খরচ জোগাড় করেন। তাঁরা যদি
আয়কর সংক্রান্ত বিষয়েটিতে অবগত না-হন, তাহলে বিপদ বাড়তে পারেন। কেন্দ্রীয় সরকার কালো টাকা রোধে
যে আইন এনেছে, এটি তার আওতায় পড়ে। বিদেশে সম্পত্তি সরানো
সংক্রান্ত আইনে সমস্যা হতে পারে সংশ্লিষ্ট পড়ুয়ার।
এদিন আয়কর দপ্তরের কর্তারা জানান, যেসব পড়ুয়ারা ভারতের নাগরিক এবং বিদেশে পড়তে যাচ্ছেন, তাঁরা যদি সেখানে কোনও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলেন এবং সেই অ্যাকাউন্টে এদেশ থেকে টাকা পাঠানো হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট পড়ুয়াকে আয়কর দপ্তরের কাছে সেই তথ্য জানাতে হবে বা ডিক্লারেশন দিতে হবে। সেই পড়ুয়া কোনও উপার্জন না করলেও, তা জানাতে হবে। তাঁর বাবা, মা বা আত্মীয়, যাঁর থেকেই সেই টাকা পান না কেন, তা জানাতে হবে। তা না-হলে বছরে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা দিতে হতে পারে তাঁকে। আয়কর কর্তাদের বক্তব্য, অনেকেই কষ্ট করে বিদেশে পড়াশুনোর খরচ জোগাড় করেন। তাঁরা যদি
আয়কর সংক্রান্ত বিষয়েটিতে অবগত না-হন, তাহলে বিপদ বাড়তে পারেন। কেন্দ্রীয় সরকার কালো টাকা রোধে
যে আইন এনেছে, এটি তার আওতায় পড়ে। বিদেশে সম্পত্তি সরানো
সংক্রান্ত আইনে সমস্যা হতে পারে সংশ্লিষ্ট পড়ুয়ার।



