নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: চিকিৎসকের রেজিস্ট্রেশন জাল করে মধ্যমগ্রাম মিউনিসিপ্যালিটিতে হেলথ অফিসারের চাকরি নিয়ে গ্রেপ্তার এক ভুয়ো ডাক্তার। সুনীল সাউ নামে অভিযুক্তকে বুধবার রাতে উত্তর ২৪ পরগনার হালিশহর থেকে গ্রেপ্তার করেছে কাশীপুর থানা। তার কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে এমবিবিএসের নকল মার্কশিট, ভুয়ো রেজিস্ট্রেশন সহ বিভিন্ন নথি।
Advertisement
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, কিছুদিন আগে মধ্যমগ্রাম মিউনিসিপ্যালিটিতে হেলথ অফিসার পদে লোক নেওয়া হয়। অভিযুক্ত সুনীল সাউ ডিপ্লোমা ইন চাইল্ড মেডিসিন সার্টিফিকেট জমা দিয়ে চাকরি পায়। তার সঙ্গে দেওয়া হয়েছিল এমবিবিএসের মার্কশিট। সেখানে সে নিজেকে এনআরএস মেডিক্যাল কলেজের ছাত্র হিসেবে জানিয়েছিল। তার কাজকর্মে সন্দেহ হওয়ায় মিউনিসিপ্যালিটির এক চিকিৎসক সুনীলের জমা দেওয়া নথি পরীক্ষা করতে গিয়ে দেখেন রেজিস্ট্রেশন রয়েছে চিকিৎসক সুনীল সাউয়ের নামে। তাঁর রেজিস্ট্রেশন ব্যবহার করে ভুয়ো চিকিৎসক চাকরি করছে। বিষয়টি নিয়ে তিনি সিএমওএইচের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। তারপর শোকজ করা হয় ওই ভুয়ো চিকিৎসককে। সঙ্গে সঙ্গে অভিযুক্ত অনলাইনে পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দেয়।
চিকিৎসক সুনীল সাউ কাশীপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করলে পুলিস প্রতারণা, জালিয়াতির কেস রুজু করে। তার ভিত্তিতে পুলিস অভিযুক্তকে ডেকে পাঠিয়ে সমস্ত নথি জমা দিতে বলে। সেগুলি জমা পড়ার পর তদন্তকারী অফিসার যাচাই করতে এগুলি পাঠান স্বাস্থ্যদপ্তর ও স্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয়ে। তারা জানিয়ে দেয়, রেজিস্ট্রেশন নম্বরটি ডাক্তার সুনীল সাউয়ের। পুলিসের পাঠানো নথিতে যে ছবি রয়েছে, সেটি প্রকৃত চিকিৎসকের নয়। জাল নথির বিষয়টি স্পষ্ট হওয়ার পরই পুলিস সুনীল সাউকে গ্রেপ্তার করে। ধৃত জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে, সে কলকাতা ও হাওড়ার বিভিন্ন নার্সিংহোম ও ডাক্তারখানা মিলিয়ে পাঁচটি জায়গায় চেম্বার করত। বিভিন্ন সাইট ঘেঁটে সে খুঁজছিল তার নামের সঙ্গে মিল রয়েছে এমন কোন চিকিৎসককে। চিকিৎসক সুনীল সাউয়ের সঙ্গে নামের মিল থাকায় তাঁর রেজিস্ট্রেশন নম্বর সে ব্যবহার করত। এরপর সে সার্টিফিকেট কিনেছিল জাল মার্কশিট তৈরিতে যুক্ত এক ব্যক্তির কাছে।
চিকিৎসক সুনীল সাউ কাশীপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করলে পুলিস প্রতারণা, জালিয়াতির কেস রুজু করে। তার ভিত্তিতে পুলিস অভিযুক্তকে ডেকে পাঠিয়ে সমস্ত নথি জমা দিতে বলে। সেগুলি জমা পড়ার পর তদন্তকারী অফিসার যাচাই করতে এগুলি পাঠান স্বাস্থ্যদপ্তর ও স্বাস্থ্য বিশ্ববিদ্যালয়ে। তারা জানিয়ে দেয়, রেজিস্ট্রেশন নম্বরটি ডাক্তার সুনীল সাউয়ের। পুলিসের পাঠানো নথিতে যে ছবি রয়েছে, সেটি প্রকৃত চিকিৎসকের নয়। জাল নথির বিষয়টি স্পষ্ট হওয়ার পরই পুলিস সুনীল সাউকে গ্রেপ্তার করে। ধৃত জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে, সে কলকাতা ও হাওড়ার বিভিন্ন নার্সিংহোম ও ডাক্তারখানা মিলিয়ে পাঁচটি জায়গায় চেম্বার করত। বিভিন্ন সাইট ঘেঁটে সে খুঁজছিল তার নামের সঙ্গে মিল রয়েছে এমন কোন চিকিৎসককে। চিকিৎসক সুনীল সাউয়ের সঙ্গে নামের মিল থাকায় তাঁর রেজিস্ট্রেশন নম্বর সে ব্যবহার করত। এরপর সে সার্টিফিকেট কিনেছিল জাল মার্কশিট তৈরিতে যুক্ত এক ব্যক্তির কাছে।



