নিজস্ব প্রতিনিধি পুরুলিয়া ও সংবাদদাতা, রঘুনাথপুর: নিতুড়িয়ার সরবড়ি এলাকায় প্রাক্তন বিধায়ক পূর্ণচন্দ্র বাউরির বাড়ি থেকে ঢিল ছোড়া দূরত্বেই হদিশ মিলল নকল মদ তৈরির কারখানার। যে বাড়িতে কারবার চলত সেটা এক তৃণমূল কংগ্রেস নেতার বলে জোর জল্পনা ছড়িয়েছে। বিজেপি বিধায়ক বিবেকানন্দ বাউরি এবং প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষের অভিযোগ, বাড়িটি প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়কেরই। এনিয়ে জানার জন্য পূর্ণচন্দ্রবাবুকে একাধিকবার ফোন ও মেসেজ করা হলেও তিনি জবাব দেননি। ফলে তাঁর কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
Advertisement
উল্লেখ্য, মঙ্গলবারই পুলিস ও আবগারি দপ্তরের যৌথ অভিযানে নকল মদ তৈরির পর্দাফাঁস হয়। মঙ্গলবার বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত কারখানায় অভিযান চালানো হয়। বিভিন্ন নামী বিদেশি কোম্পানির স্টিকার লাগানো প্রায় ৭৫ হাজার মদের বোতল উদ্ধার হয়। ঘটনায় মোট ১০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। ধৃতদের মধ্যে পাঁচজন মহিলা। পুলিস জানিয়েছে, ওই মহিলাদের মধ্যে একজন নাবালিকা রয়েছে। তাকে আপাতত পুরুলিয়ার হোমে পাঠানো হয়েছে। ধৃতদের প্রত্যেকের বাড়ি ঝাড়খণ্ড এলাকায়। তাদের সঙ্গে জামতাড়া গ্যাঙের একটি যোগসূত্র পাওয়া গিয়েছে। জেলার পুলিস সুপার অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ঘটনার জাল কতদূর বিস্তৃত, তা জানতে পাঁচজনকে হেফাজতে নিয়ে আমরা তদন্ত শুরু করেছি। পুলিস যাদের গ্রেপ্তার করেছে, তারা মূলত নকল মদ তৈরির কারখানায় শ্রমিকের কাজ করত। তবে, ঘটনার মূল মাথাদের এখনও পাকড়াও করতে পারেনি পুলিস। প্রশ্ন উঠছে, কতদিন ধরে চলছে এই অবৈধ কারবার? কারা এই অবৈধ করবারে মদত দিত? কেন আগে জানতে পারেনি পুলিস? শুধু তাই নয়, মদের কারখানার অদূরেই রয়েছে প্রাক্তন বিধায়কের বাড়ি, আবগারি দপ্তরের অফিস। এতকিছুর পরেও কীভাবে চলত ওই কারবার? যে জায়গায় কারখানাটি ছিল, সেই জায়গাটি কার? কার কাছ থেকে গোডাউন ভাড়া নেওয়া হয়েছিল? কে বাড়ি ভাড়া নিয়েছিল? একাধিক প্রশ্ন উঁকি মারতে শুরু করেছে এই ঘটনার পর থেকেই।
বিজেপির প্রাক্তন সাংসদ দিলীপবাবু সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছেন, পুরুলিয়ার নিতুড়িয়ায় অবৈধ মদের কারখানা তৃণমূল নেতার। তার স্ত্রী পুরুলিয়া জেলা পরিষদের সদস্য। সরকারকে ফাঁকি দিয়ে বিনা লাইসেন্সে রমরমিয়ে চলত ব্যবসা। পাশেই তৃণমূল নেতার পেট্রল পাম্প রয়েছে।
বিজেপি বিধায়ক বিবেকানন্দবাবু বলেন, ‘মদের কারবার প্রাক্তন বিধায়ক পূর্ণচন্দ্র বাউরির তত্ত্বাবধানে চলছিল। এই কারবারের ব্যাপারে কি পুলিস, আবগারি দপ্তর জানত না? কাছেই তো থানা রয়েছে। সঠিক সময়ে মাসোহারা পৌঁছয়নি বলেই কি এই তল্লাশি?’ তাঁর দাবি, প্রত্যেকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত। কিন্তু, তা আর হবে না বলেই মনে হয়। ধামাচাপা পড়ে যাবে।
এনিয়ে মঙ্গলবার প্রাক্তন বিধায়ককে ফোন করা হলে তিনি ফোন তোলেননি। বুধবার ফের তাঁকে কল করা হয়। ফোন বন্ধ ছিল। মেসেজেরও কোনও জবাব তিনি দেননি। জেলা তৃণমূল সভাপতি সৌমেন বেলথরিয়া বলেন, পুলিস নিজের মতো তদন্ত করুক।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিশ্বকর্মা পুজোর পর থেকেই ওই কারখানায় শ্রমিকদের আনাগোনা শুরু হয়েছিল। তবে মদের কারবারের ব্যাপারে স্থানীয়রা কিছুই জানত না। পুলিস সূত্রের খবর, কারখানা থেকে ‘সেল ফর পাঞ্জাব’, ‘সেল ফর বিহার’ স্টিকার উদ্ধার হয়েছে। পুলিসের অনুমান, এখানে নকল মদ তৈরি করে তা ওইসব রাজ্যে পাচার করা হতো।
বিজেপির প্রাক্তন সাংসদ দিলীপবাবু সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছেন, পুরুলিয়ার নিতুড়িয়ায় অবৈধ মদের কারখানা তৃণমূল নেতার। তার স্ত্রী পুরুলিয়া জেলা পরিষদের সদস্য। সরকারকে ফাঁকি দিয়ে বিনা লাইসেন্সে রমরমিয়ে চলত ব্যবসা। পাশেই তৃণমূল নেতার পেট্রল পাম্প রয়েছে।
বিজেপি বিধায়ক বিবেকানন্দবাবু বলেন, ‘মদের কারবার প্রাক্তন বিধায়ক পূর্ণচন্দ্র বাউরির তত্ত্বাবধানে চলছিল। এই কারবারের ব্যাপারে কি পুলিস, আবগারি দপ্তর জানত না? কাছেই তো থানা রয়েছে। সঠিক সময়ে মাসোহারা পৌঁছয়নি বলেই কি এই তল্লাশি?’ তাঁর দাবি, প্রত্যেকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত। কিন্তু, তা আর হবে না বলেই মনে হয়। ধামাচাপা পড়ে যাবে।
এনিয়ে মঙ্গলবার প্রাক্তন বিধায়ককে ফোন করা হলে তিনি ফোন তোলেননি। বুধবার ফের তাঁকে কল করা হয়। ফোন বন্ধ ছিল। মেসেজেরও কোনও জবাব তিনি দেননি। জেলা তৃণমূল সভাপতি সৌমেন বেলথরিয়া বলেন, পুলিস নিজের মতো তদন্ত করুক।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিশ্বকর্মা পুজোর পর থেকেই ওই কারখানায় শ্রমিকদের আনাগোনা শুরু হয়েছিল। তবে মদের কারবারের ব্যাপারে স্থানীয়রা কিছুই জানত না। পুলিস সূত্রের খবর, কারখানা থেকে ‘সেল ফর পাঞ্জাব’, ‘সেল ফর বিহার’ স্টিকার উদ্ধার হয়েছে। পুলিসের অনুমান, এখানে নকল মদ তৈরি করে তা ওইসব রাজ্যে পাচার করা হতো।



