সংবাদদাতা, দেওয়ানহাট: কোচবিহার লোকসভা আসন বিজেপির হাতছাড়া হওয়ার পর থেকেই জেলাজুড়ে পদ্ম শিবিরে ভাঙন অব্যাহত এখনও। লোকসভা ভোটে এই আসনে তৃণমূল জয়ী হতেই একের পর এক গ্রাম পঞ্চায়েত তাদের দখলে আসে। জেলায় প্রায় দুই শতাধিক বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্য ঘাসফুল শিবিরে যোগ দিয়েছেন। শনিবার একদা খাসতালুক বলে পরিচিত বিজেপির প্রাক্তন মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের নিজের গ্রাম ভেটাগুড়িতে ফের ভাঙন ধরালো ঘাসফুল শিবির। ৩০টি পরিবার বিজেপি ছেড়ে ঘাসফুল শিবিরে যোগদান করে।
Advertisement
২৩ ফেব্রুয়ারি দিনহাটার সংহতি ময়দানে রেকর্ড জমায়েত করে প্রকাশ্য সভার ডাক দিয়েছে তৃণমূল। তারই প্রস্তুতি সভায় শনিবার ভেটাগুড়ি-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের রুয়েরকুঠি গ্রামে তৃণমূলের ব্লক সভাপতি অনন্ত বর্মন, অঞ্চল সভাপতি ধীরেন্দ্রনাথ বর্মনের হাত ধরে পরিবারগুলি বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান করে।
বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়ে ভোলানাথ বর্মন বলেন, গত পঞ্চায়েত ভোটে আমি তৃণমূলে প্রার্থী ছিলাম। কিন্তু ভোটের পর ভেটাগুড়িতে বিজেপির লাগামহিন সন্ত্রাস চালায়। আমাদের জোর করে ভয় দেখিয়ে লোকসভা ভোটের আগে বিজেপিতে যোগদান করতে বাধ্য করে। আমরা পুরনো দলে ফিরলাম। তৃণমূলের দিনহাটা (১বি) ব্লক সভাপতি অনন্ত বর্মন বলেন, ভেটাগুড়িতে এখন বিজেপির ঝান্ডা ধরার লোক নেই। যে দুই-একজন আছে তারাও তৃণমূলে যোগ দেওয়ার জন্য যোগাযোগ করছে। আগামী বিধানসভা ভোট বিজেপির পতাকা লাগানোর লোক খুঁজে পাবে না।
এই ব্যাপারে বিজেপির জেলার সাধারণ সম্পাদক বিরাজ বসু বলেন, ভয় দেখিয়ে দলে লোক নেওয়ার ফল ভোট বাক্সে পাবে তৃণমূল।
বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়ে ভোলানাথ বর্মন বলেন, গত পঞ্চায়েত ভোটে আমি তৃণমূলে প্রার্থী ছিলাম। কিন্তু ভোটের পর ভেটাগুড়িতে বিজেপির লাগামহিন সন্ত্রাস চালায়। আমাদের জোর করে ভয় দেখিয়ে লোকসভা ভোটের আগে বিজেপিতে যোগদান করতে বাধ্য করে। আমরা পুরনো দলে ফিরলাম। তৃণমূলের দিনহাটা (১বি) ব্লক সভাপতি অনন্ত বর্মন বলেন, ভেটাগুড়িতে এখন বিজেপির ঝান্ডা ধরার লোক নেই। যে দুই-একজন আছে তারাও তৃণমূলে যোগ দেওয়ার জন্য যোগাযোগ করছে। আগামী বিধানসভা ভোট বিজেপির পতাকা লাগানোর লোক খুঁজে পাবে না।
এই ব্যাপারে বিজেপির জেলার সাধারণ সম্পাদক বিরাজ বসু বলেন, ভয় দেখিয়ে দলে লোক নেওয়ার ফল ভোট বাক্সে পাবে তৃণমূল।



