নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ট্রেনের টিকিটে সিনিয়র সিটিজেন কনসেশন বন্ধ হয়েছে প্রায় পাঁচ বছর আগে। একপ্রকার বাধ্য হয়েই বেশি ভাড়ায় টিকিট কেটে ট্রেনে যাতায়াত করতে হচ্ছে প্রবীণ রেলযাত্রীদের। তার উপর রয়েছে রাজধানী, দুরন্ত, শতাব্দী এক্সপ্রেসের মতো প্রিমিয়াম ট্রেনগুলির ‘ডায়নামিক ফেয়ার’! সঙ্গে কমেছে জেনারেল কোচের পরিসর। জেনারেল টিকিটের ভিড় চলে আসছে স্লিপার-এসি থ্রি টিয়ারের দিকে। এসবের দৌলতে নাভিঃশ্বাস উঠছে সাধারণ মধ্যবিত্ত রেলযাত্রীদের। আর এই আবহেই এবার ট্রেনের এসি ক্লাসের ভাড়া বৃদ্ধির সুপারিশ করল বিজেপি এমপি সি এম রমেশের নেতৃত্বাধীন রেল সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। অর্থাৎ, মোদি সরকারের নিশানা সেই মধ্যবিত্ত!
Advertisement
গত ১৩ ডিসেম্বর সংসদে রেলের ডিমান্ডস ফর গ্রান্টস সংক্রান্ত রিপোর্ট পেশ করেছে ওই সংসদীয় কমিটি। সেখানেই সুপারিশ করা হয়েছে, ট্রেনের জেনারেল ক্লাস আম আদমির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তাই জেনারেল ক্লাসকে সাশ্রয়ী রাখতে হবে। বরং রেলের আর্থিক ক্ষতি সামাল দেওয়ার জন্য এসি ক্লাসের ভাড়া পুনর্বিন্যাসের চিন্তাভাবনা করা যেতে পারে। চর্চা শুরু হয়েছে, ট্রেনের এসি ক্লাসে কি শুধুই আর্থিকভাবে উচ্চবিত্ত মানুষই সফর করেন? উত্তর না মিললেও রেল সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির এহেন সুপারিশকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। তবে কি সংসদীয় কমিটির সুপারিশ মেনে আগামী বছরই রেলের ভাড়া বৃদ্ধির পথে হাঁটবে কেন্দ্রের মোদি সরকার?
বিগত দু’টি আর্থিক বছরে রেলের সার্বিক রাজস্ব আদায় একেবারেই আশানুরূপ হয়নি। একথা উঠে এসেছে কমিটি রিপোর্টে। জানানো হয়েছে, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে রেলের পণ্য পরিবহণ থেকে ১ লক্ষ ৮০ হাজার কোটি টাকা আয় হতে পারে। সেখানে যাত্রী রাজস্ব থেকে সম্ভাব্য আদায়ের পরিমাণ ধরা হয়েছে মাত্র ৮০ হাজার কোটি। কমিটি মনে করছে, সার্বিক আয় বৃদ্ধি করতে হলে যাত্রীভাড়া থেকে রাজস্ব আদায় বাড়ানোই অন্যতম প্রধান পথ। এবং এই প্রেক্ষিতেই তাদের সুপারিশ—ক্ষতি কমানোর জন্য এসি ট্রেনের যাত্রীভাড়া নিয়ে চিন্তা করুক রেল।
এব্যাপারে রেলকে একটি যথাযথ পর্যালোচনারও সুপারিশ করা হয়েছে। সংসদীয় কমিটি উল্লেখ করেছে, সাধারণ মানুষের একটি বড় অংশ যাতে কম খরচে ট্রেনে ভ্রমণ করতে পারেন, সেই উদ্দেশ্যে অর্থনৈতিকভাবে অলাভজনক অনেক রুটে ট্রেন চালায় রেল। পালন করতে হয় সামাজিক দায়বদ্ধতাও। ফলে বহু পরিচালনগত ক্ষেত্রেই লাভের মুখ দেখা সম্ভব হয় না রেলমন্ত্রকের। এহেন আর্থিক ক্ষতি যাতে মাত্রাছাড়া না হয়ে যায়, সেই কারণেই গোটা ব্যবস্থার একটি পর্যালোচনা প্রয়োজন।
বিগত দু’টি আর্থিক বছরে রেলের সার্বিক রাজস্ব আদায় একেবারেই আশানুরূপ হয়নি। একথা উঠে এসেছে কমিটি রিপোর্টে। জানানো হয়েছে, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে রেলের পণ্য পরিবহণ থেকে ১ লক্ষ ৮০ হাজার কোটি টাকা আয় হতে পারে। সেখানে যাত্রী রাজস্ব থেকে সম্ভাব্য আদায়ের পরিমাণ ধরা হয়েছে মাত্র ৮০ হাজার কোটি। কমিটি মনে করছে, সার্বিক আয় বৃদ্ধি করতে হলে যাত্রীভাড়া থেকে রাজস্ব আদায় বাড়ানোই অন্যতম প্রধান পথ। এবং এই প্রেক্ষিতেই তাদের সুপারিশ—ক্ষতি কমানোর জন্য এসি ট্রেনের যাত্রীভাড়া নিয়ে চিন্তা করুক রেল।
এব্যাপারে রেলকে একটি যথাযথ পর্যালোচনারও সুপারিশ করা হয়েছে। সংসদীয় কমিটি উল্লেখ করেছে, সাধারণ মানুষের একটি বড় অংশ যাতে কম খরচে ট্রেনে ভ্রমণ করতে পারেন, সেই উদ্দেশ্যে অর্থনৈতিকভাবে অলাভজনক অনেক রুটে ট্রেন চালায় রেল। পালন করতে হয় সামাজিক দায়বদ্ধতাও। ফলে বহু পরিচালনগত ক্ষেত্রেই লাভের মুখ দেখা সম্ভব হয় না রেলমন্ত্রকের। এহেন আর্থিক ক্ষতি যাতে মাত্রাছাড়া না হয়ে যায়, সেই কারণেই গোটা ব্যবস্থার একটি পর্যালোচনা প্রয়োজন।



