Bartaman Logo
১২ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

নির্মল গ্রামের তকমা ধরে রাখতে নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ হুগলির পঞ্চায়েতগুলিকে

নির্মল গ্রামের তকমা ধরে রাখতে নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ হুগলির পঞ্চায়েতগুলিকে
  • ২৮ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: গ্রাম কেবল ‘নির্মল’ হয়ে গেলেই হবে না! সেই অবস্থা ধরে রাখতে হবে। এখানেই বহু ক্ষেত্রে নজরদারির অভাব প্রকট হচ্ছে। শনিবার হুগলি জেলায় পঞ্চায়েতের কাজ পর্যালোচনা করতে এসে এভাবেই সতর্ক করলেন রাজ্য পঞ্চায়েত দপ্তরের কর্তারা। হুগলির রবীন্দ্রভবনে এদিন ত্রিস্তর পঞ্চায়েতের পদাধিকারী, সরকারি অফিসার, জেলা প্রশাসনের কর্তাদের নিয়ে পঞ্চায়েতসচিব পি উলগানাথন বৈঠক করেন। সেখানে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী বেচারাম মান্না, জেলা পরিষদের সভাধিপতি রঞ্জন ধাড়া, জেলশাসক মুক্তা আর্য প্রমুখ। এদিন মূলত ‘মিশন নির্মল বাংলা’ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। 
Advertisement
রাজ্যের পঞ্চায়েত সচিব বলেন, ‘হুগলি জেলাতে ভালো কাজ হয়েছে। কিন্তু সেই ভালোকে ধরে রাখাও গুরুত্বপূর্ণ। সার্বিকভাবে কাজের গতি বৃদ্ধি সহ একাধিক বিষয়ে আমরা আলোচনা করেছি। আশা করছি, আমাদের লক্ষ্যমাত্রা দ্রুত পূরণ হবে।’ মন্ত্রী বেচারাম মান্না বলেন, ‘আমরা গোটা রাজ্যে পঞ্চায়েতের কাজের পর্যালোচনা করব। এদিন হুগলি জেলা দিয়ে সেই পর্যালোচনা বৈঠক শুরু হয়েছে। হুগলিতে ৯০ শতাংশ কাজ হয়েছে। বাকি কাজ দ্রুত শেষ করা হবে।’ তিনি আরও জানান, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার মতো প্রকল্পের জন্য জমি পাওয়ার সমস্যা আছে। সেসব কীভাবে মেটানো যায়, তা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। বর্জ্য পুনর্ব্যবহার প্রকল্প দ্রুতগতিতে রূপায়ণের কাজ করা হবে।
সূত্রের খবর, এদিন পর্যালোচনা বৈঠকে সবচেয়ে বেশি চর্চা হয়েছে ‘নির্মল গ্রাম’ নিয়ে। জেলার অনেক জায়গাতেই নির্মল গ্রামে প্রকাশ্যে মলমূত্র ত্যাগের মতো ঘটনা বাড়ছে। এনিয়ে রাজ্য পঞ্চায়েত কর্তারা ছবি ও তথ্য পেশ করেন। দেখা যায়, অনেকক্ষেত্রে শৌচাগারকে ঘুঁটে, গুল, জ্বালানি কাঠ ইত্যাদি রাখার জায়গায় পরিণত করে ফেলা হয়েছে। এনিয়ে রাজ্য কর্তারা অসন্তোষও প্রকাশ করেন। পঞ্চায়েত কর্তাদের নজরদারি বাড়ানোর জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়। অনেক পঞ্চায়েতের অভিযোগ, এখনও বহু শৌচাগার তৈরির কাজ বাকি আছে। পাশাপাশি, তৈরি হওয়া শৌচাগার সংস্কার না হওয়ার কারণে অনেকে তা ব্যবহার করার আগ্রহ হারাচ্ছেন। পঞ্চায়েত দপ্তরের কর্তারা এসব কাজের তালিকা জমা করার নির্দেশ দেন। বৈঠকের পর এক পঞ্চায়েত কর্তা বলেন, ‘পুরনো শৌচাগার সংস্কার এবং নতুন শৌচাগার তৈরির তালিকা দিলেই প্রয়োজনীয় অনুমোদনের পর অর্থ বরাদ্দ করে দেওয়া হবে।’ 
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ