নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বেআইনি নির্মাণ ভাঙতে গিয়ে শুধু কয়েকটি গর্ত করে ফিরে এসেছে কলকাতা পুরসভা। কাজের কাজ কিছুই হয়নি। উল্টে এজলাসে দাঁড়িয়ে পরস্পরের উপর দোষ চাপাচ্ছে পুরসভা ও কলকাতা পুলিস। এই দ্বন্দ্বের জেরে এবার কলকাতা পুরসভার বিল্ডিং বিভাগের ডিজি এবং ৩ নম্বর বরোর এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ারকে হাজিরার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট।
Advertisement
কলকাতার ৪৪/১ ক্যানাল ইস্ট রোডে একটি বেআইনি দোতলা বাড়ি ভাঙতে নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। কিন্তু ৯ মাস কেটে গেলেও সেই নির্দেশ কার্যকর করেনি পুরসভার বিল্ডিং বিভাগ। এর আগে ওই বাড়ি ভাঙতে পুলিসি সাহায্যের প্রয়োজন বলে দাবি করেছিল পুরসভা। সেইমতো বিচারপতির নির্দেশ ছিল, ওই বাড়ি ভাঙতে পুলিস সব রকম সহায়তা করবে।
মঙ্গলবার মামলার শুনানিতে কলকাতা পুলিসের তরফে দাবি করা হয়, নারকেলডাঙা থানার পুলিস পুরকর্মীদের সর্বতোভাবে সহযোগিতা করেছে। পুলিস পুরকর্মীদের সঙ্গে ওই এলাকায় গেলেও পুরসভার কর্মীরা ওই বিল্ডিংয়ে কয়েকটি গর্ত করে ফিরে এসেছেন। কলকাতা পুলিসের এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতে পুরসভার তরফে পাল্টা দাবি করা হয়, পুলিসকে বলা হয়েছিল ওই বিল্ডিংয়ে যাতে নতুন করে আর কোনও কাজ না হয়, সেদিকে নজরদারি করতে। কিন্তু পুলিস তা করেনি। এই বক্তব্য শুনেই ক্ষুব্ধ বিচারপতি সিনহা পুরকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, ‘৯ মাস কেটে গেলেও আপনারা একটা দোতলা বাড়ি ভাঙতে পারলেন না। আর পুলিসকে বলছেন নজরদারি করতে! পুলিস তো সহযোগিতা করেছে। কিন্তু তার ফল কী হয়েছে?’ বিচারপতির এই বক্তব্যে পুরসভার আইনজীবীকে বলতে শোনা যায়, ওই এলাকাটি সঙ্কীর্ণ। সেখানে বুলডোজার ঢোকানো যাচ্ছে না। এই বক্তব্যে অবশ্য চিঁড়ে ভেজেনি। বিচারপতি স্পষ্ট বলেন, ‘আদালত এসব শুনছে না। নির্দেশের পর ফলাফল কী হল, আদালত শুধু তা নিয়ে উদ্বিগ্ন।’ এরপরই বিচারপতি নির্দেশে জানিয়ে দেন, অবিলম্বে বেআইনি নির্মাণটি ভেঙে ফেলতে হবে। ১৪ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি। ওইদিন বিল্ডিং বিভাগের ডিজি এবং ৩ নম্বর বরোর এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ারকে (সিভিল) হাজির থাকতে হবে।
মঙ্গলবার মামলার শুনানিতে কলকাতা পুলিসের তরফে দাবি করা হয়, নারকেলডাঙা থানার পুলিস পুরকর্মীদের সর্বতোভাবে সহযোগিতা করেছে। পুলিস পুরকর্মীদের সঙ্গে ওই এলাকায় গেলেও পুরসভার কর্মীরা ওই বিল্ডিংয়ে কয়েকটি গর্ত করে ফিরে এসেছেন। কলকাতা পুলিসের এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতে পুরসভার তরফে পাল্টা দাবি করা হয়, পুলিসকে বলা হয়েছিল ওই বিল্ডিংয়ে যাতে নতুন করে আর কোনও কাজ না হয়, সেদিকে নজরদারি করতে। কিন্তু পুলিস তা করেনি। এই বক্তব্য শুনেই ক্ষুব্ধ বিচারপতি সিনহা পুরকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, ‘৯ মাস কেটে গেলেও আপনারা একটা দোতলা বাড়ি ভাঙতে পারলেন না। আর পুলিসকে বলছেন নজরদারি করতে! পুলিস তো সহযোগিতা করেছে। কিন্তু তার ফল কী হয়েছে?’ বিচারপতির এই বক্তব্যে পুরসভার আইনজীবীকে বলতে শোনা যায়, ওই এলাকাটি সঙ্কীর্ণ। সেখানে বুলডোজার ঢোকানো যাচ্ছে না। এই বক্তব্যে অবশ্য চিঁড়ে ভেজেনি। বিচারপতি স্পষ্ট বলেন, ‘আদালত এসব শুনছে না। নির্দেশের পর ফলাফল কী হল, আদালত শুধু তা নিয়ে উদ্বিগ্ন।’ এরপরই বিচারপতি নির্দেশে জানিয়ে দেন, অবিলম্বে বেআইনি নির্মাণটি ভেঙে ফেলতে হবে। ১৪ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি। ওইদিন বিল্ডিং বিভাগের ডিজি এবং ৩ নম্বর বরোর এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ারকে (সিভিল) হাজির থাকতে হবে।



