Bartaman Logo
২৯ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

অনুপ্রবেশ রুখতে আজ না হোক কাল এনআরসি হবেই: খাদ্যমন্ত্রী

অনুপ্রবেশ রুখতে আজ না হোক কাল এনআরসি হবেই। তাই বিজেপি সরকার বাংলাদেশ থেকে আসা শরণার্থীদের সিএএর মাধ্যমে নাগরিকত্ব দেওয়ার সুযোগ এনে দিয়েছে। সেই সুযোগ হারাবেন না।

অনুপ্রবেশ রুখতে আজ না হোক কাল এনআরসি হবেই: খাদ্যমন্ত্রী
  • ২৯ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: অনুপ্রবেশ রুখতে আজ না হোক কাল এনআরসি হবেই। তাই বিজেপি সরকার বাংলাদেশ থেকে আসা শরণার্থীদের সিএএর মাধ্যমে নাগরিকত্ব দেওয়ার সুযোগ এনে দিয়েছে। সেই সুযোগ হারাবেন না। শুক্রবার বিষ্ণুপুরের রাধানগরে মতুয়া ভক্তগণ দ্বারা আয়োজিত সংবর্ধনা সভায় মতুয়া সম্প্রদায় ভুক্ত বাসিন্দাদের এমনই বার্তা দিলেন রাজ্যের খাদ্য ও সমবায় মন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়া। তিনি বলেন, যাঁরা ১৯৫২ সালের পরে ভারতবর্ষে এসেছেন, তাঁরা সিএএর মাধ্যমে নাগরিকত্ব নিন। আপনাদের নাতিপুতিদের সুরক্ষার কথা ভেবে সিএএতে আবেদন করুন। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের বন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী দিবাকর ঘরামি, বিষ্ণুপুরের বিধায়ক শুক্লা চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ। এছাড়াও মতুয়া সংগঠনের কর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 

Advertisement

অশোকবাবু বলেন, অনুপ্রবেশকারী আর শরণার্থীদের এক করে দেখবেন না। দেশ থেকে অনুপ্রবেশকারীদের হঠাতে এনআরসি ছাড়া উপায় নেই। তাই একদিন না একদিন এনআরসি হবেই। তখন বিপদে পড়তে হবে। তাই যাঁরা তৃণমূলকে ভোট দিয়েছেন, তাঁদেরও বলব আপনাদের উচিত বিজেপিকে সমর্থন করা। তার কারণ একমাত্র ভারতীয় জনতা পার্টিই হিন্দু উদ্বাস্তু সম্প্রদায়ের মানুষজনের দুঃখ দুর্দশার কথা বুঝতে পেরেছে। ১৯৪৭সালে ১৪আগস্ট কংগ্রেস আমাদের মধ্যে যে রক্তক্ষরণ শুরু করেদিয়েছিল। ২০২৪ এসে বিজেপি সেই রক্তক্ষরণ শেষ করেছে। তাই ভারতীয় জনতা পার্টির কাছে আমাদের প্রত্যেকের ঋণী থাকা দরকার।
তিনি আরও বলেন, আমাদের মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষজনের চাহিদা খুব অল্প। সামান্য একটা চাকরিতেই সন্তুষ্ট হন। কিন্তু, তার জন্য আমাদের ছেলেমেয়েদের উচ্চশিক্ষিত করতে হবে। আমাদের সমাজে এখনো অনেকে আর্থিকভাবে পিছিয়ে রয়েছে। অর্থের অভাবে সেই পরিবারের ছেলেমেয়েদের মেধা হারিয়ে যাচ্ছে। তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ