Bartaman Logo
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

শব্দদূষণ: সরকারের জবাব তলব

ডিজে মিউজিক হোক বা গাড়ির হর্ন। ব্যস্ত বিমানবন্দর এলাকা হোক বা স্কুল-হাসপাতালের আশপাশ। শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে ‘নো নয়েজ জোন’ বলে চিহ্নিতকরণের কাজে কেন ঢিলেমি?

শব্দদূষণ: সরকারের জবাব তলব
  • ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: ডিজে মিউজিক হোক বা গাড়ির হর্ন। ব্যস্ত বিমানবন্দর এলাকা হোক বা স্কুল-হাসপাতালের আশপাশ। শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে ‘নো নয়েজ জোন’ বলে চিহ্নিতকরণের কাজে কেন ঢিলেমি? সংসদীয় কমিটির বৈঠকে উঠল প্রশ্ন। সাধারণ বসবাসের (রেসিডেন্সিয়াল) এলাকাতেও কেন শব্দমাত্রা বেঁধে দেওয়ার ক্ষেত্রে সরকারের উদ্যোগ নেই? উঠল এই সওয়ালও। বায়ু দূষণের তুলনায় শব্দ দূষণ মাপার ক্ষেত্রে উদ্যোগ অনেক কম। হার ১৪:১। অথচ বহু ক্ষেত্রেই বেলাগাম শব্দর জেরে সাধারণ মানুষের হৃদপিণ্ডের সমস্যা বাড়ছে ৪.২১ শতাংশ। স্ট্রোক হচ্ছে ৪.৬ শতাংশ। হার্ট ফেলিয়রের হার ৪.৪ শতাংশ। হারাচ্ছে শ্রবণশক্তি, বলছে সরকারি রিপোর্ট। 

Advertisement

তাই স্রেফ খাতায়-কলমে নয়। বাস্তবে শব্দমাত্রা প্রকৃতপক্ষে পালন হচ্ছে কিনা, তা নিয়ে সরকারের কী পরিকল্পনা, তা সম্প্রতি সংসদীয় কমিটির বৈঠকে স্পষ্টভাবে জানতে চেয়ে সরব হয়েছেন তৃণমূল সাংসদ সাজদা আহমেদ। বৈঠকে উপস্থিত বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, পরিবেশ, জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত কমিটির চেয়ারপার্সন রাজ্যসভার সাংসদ মেধা কুলকার্নি সরকার তথা সেন্ট্রাল পলিউশন কন্ট্রোল বোর্ডের (সিপিসিবি) কাছে জবাব চেয়েছেন বলেই বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গিয়েছে। 
বৈঠকে সরকার তথা সিপিসিবি নথি দিয়ে জানিয়েছে, রেসিডেন্সিয়াল এলাকায় দিনের বেলা (সকাল ৬ টা থেকে রাত ১০ টা) শব্দমাত্রা ৫৫ ডেসিবল। রাত্রে (রাত ১০ টা থেকে সকাল ছ’টা) ৪৫ ডেসিবল। ইন্ডাস্ট্রিয়াল এরিয়ায় এটি যথাক্রমে ৭৭ এবং ৭০ ডেসিবল। কমার্শিয়াল এলাকায় ৬৫ এবং ৪৫ ডেসিবল। সাইলেন্স জোন হিসেবে চিহ্নিত এলাকায় দিনের বেলা ৫০ ডেসিবল। রাতে ৪০। রাজ্যগুলিকেই চিহ্নিত করতে হয় এলাকা। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ