নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: গোড়ায় কিছুদিন ফ্রি বলে পরে বিল পাঠানো, এক্ষুণি কিনে ফেলুন, নাহলে কয়েক মিনিটে দাম বেড়ে যাবে। ফুরিয়েও যাবে। অথবা এখনই সাবস্ক্রাইব করলে বাঁচাতে পারবেন এত টাকা। কিংবা প্রচারের সময় কোনও সামগ্রীর যে দাম বলা হয়, কেনার সময় দেখা যায় ওই দামের জিনিস নেই। বেশি দামের অন্য সামগ্রী রয়েছে। এমন কথা বলে কেনাকাটার এমন ঘটনার সাক্ষী কমবেশি প্রায় সব অনলাইন গ্রাহকই। যদিও এ ধরনের বিষয়কে মানসিক চাপ তৈরি করে ব্যবসার একপ্রকার ‘ফাঁদ’ বলেই তকমা দিল কেন্দ্রীয় সরকার। তাই বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপণ প্রচারের মাধ্যমে ভবিষ্যতে অনলাইনে কোনও পণ্য বিক্রির পথ বন্ধ করছে উপভোক্তা বিষয়ক মন্ত্রক। অনলাইন ই-প্ল্যাটফর্মগুলির শীর্ষকর্তাদের ডেকে এধরনের ফাঁদ পাতার ব্যবসায়িক চমক বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন মন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশি। একইসঙ্গে গ্রাহক সচেতনতাও বাড়ানো হচ্ছে। এ ধরনের বিষয়কে ‘ডার্ক প্যাটার্ন’ আখ্যা দিয়েছে কেন্দ্র। তাই জাগো গ্রাহক জাগো, জাগৃতি অ্যাপের পাশাপাশি জাগৃতি ড্যাশবোর্ড তৈরি করে সচেতনতা বাড়ানো হচ্ছে। গোড়ায় উল্লেখিত ১২ রকমের বিক্রির কোনও ফাঁদ দেখলেই অনলাইন গ্রাহকরা জাগৃতি অ্যাপে অভিযোগ জানাতে পারবেন। সেই মতো ব্যবস্থা নেবে কেন্দ্র। লাগাতার গ্রাহককে বিভ্রান্ত করার অপরাধে নির্দিষ্ট কোম্পানির বিরুদ্ধে ৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত আর্থিক জরিমানার পাশাপাশি জড়িত ব্যক্তির পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের সাজাও হতে পারে।



