Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / বিনোদন

‘দর্শকের কী ভালো লাগবে, কেউ জানে না’

‘দর্শকের কী ভালো লাগবে, কেউ জানে না’
  • ২৪ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

অনেকদিন পর টেলিভিশনে ফিরে কেমন অনুভূতি?

Advertisement

ভাবতে পারিনি প্রথম সপ্তাহেই এত পজিটিভ রেসপন্স পাব। একটা বা দুটো ধারাবাহিক ভালো করলে টেলিভিশন ইন্ডাস্ট্রির জন্যই লাভজনক।
টেলিভিশনে চরিত্রের গঠন তো দ্রুত বদল হয়, কীভাবে নিজেকে তৈরি করেন?
প্রতিটা চরিত্রেই অভিনেতারা একইরকম পরিশ্রম করেন। সিনেমার ক্ষেত্রে হয়তো তিনমাসের একটা প্রস্তুতি চলে। যেটা ১৫-২০দিনের শ্যুটিংয়ে শেষ হয়ে যায়। কিন্তু টেলিভিশনে ওই প্রস্তুতিটা প্রতিদিন নিতে হয়। কারণ প্রতি সপ্তাহে যে টিআরপি আসে, তার উপর গল্প কোনদিকে এগবে, কোন চরিত্র দর্শক পছন্দ করছেন, সেটা বোঝা যায়। ফলে এটা অন্য ধরনের চ্যালেঞ্জ। এই ধারাবাহিকের চরিত্রটা শুরু থেকেই দেখিয়ে দিয়েছে অন্য শেড রয়েছে। তা ধীরে ধীরে দর্শক বুঝতে পারবেন। মেয়েটি শুধুই সংসার সামলাচ্ছে, সংসার নিয়ে খুশি— সেটা কিন্তু নয়। আরও একটা অ্যাঙ্গেলও রয়েছে। সেটা পজিটিভ, নেগেটিভ নাকি ধূসর সেটা ধীরে ধীরে বোঝা যাবে। 
দর্শকের ফিডব্যাক এখন তো সোশ্যাল মিডিয়াতেও পাওয়া যায়?
অবশ্যই। সোশ্যাল মিডিয়ার ফিডব্যাক খুব জরুরি। এটা সামগ্রিক গ্রোথ হিসেবেই দেখব। ২০১৬ থেকে আমি কাজ করছি। সবথেকে বেশি টিআরপি পেয়েছি ১৪, ১৫। এখন তো টিআরপি ৯ পর্যন্তও যাচ্ছে না। পরিস্থিতি এতটাই বদলেছে ৬,৭ টিআরপি হলেই লোকে ভাবছে অনেক কিছু। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এত অপশন চলে এসেছে বলে হয়তো টিআরপি কমছে।
ধারাবাহিক দ্রুত বন্ধ হয়ে যাওয়ার ট্রেন্ড কি ভাবায়?
দেখুন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আমরা শিখে যাই। অভিনেতা হতে চেয়েছি যখন এটা জেনেই এই পেশায় এসেছি যে, প্রচুর সমালোচনা হবে। দিনের পর দিন কাজ নাও থাকতে পারে। সেই পরিস্থিতি সামলাতে হবে। যে প্রজেক্টের পিছনে ৫০০ শতাংশ পরিশ্রম করা হল, সেটা হয়তো তিন মাসে বন্ধ হয়ে গেল। আর যে প্রজেক্টের পিছনে হয়তো অনেক কম খাটল কেউ, সেটা চলতেই থাকল। ফলে দর্শকের কী ভালো লাগবে, কেউ জানে না। সময়ের উপরও অনেক কিছু নির্ভর করে। 
যেমন?
‘খড়কুটো’ এমন একটা সময়ে হয়েছিল তখন কোভিড সবে শেষ হয়েছে। পারিবারিক গল্প লোকে তখন দেখতে চাইছে। এখন ‘খড়কুটো’ লঞ্চ করলে তার ভাগ্যে কী হতো, সেটা জানি না। 
আপনার নিজস্ব ফ্যাশন ব্র্যান্ড তৈরি করলেন কেন?
আমি আজ পর্যন্ত কারও জন্য কিছু পাইনি। সবটাই নিজের খাটনি। ফলে নিজের খরচা চালানোর জন্য যে অর্থ প্রয়োজন, তা আমি কারও থেকে নিই না। নিজে উপার্জন করি। একটা বয়সের পর নিয়মিত রোজগার প্রত্যেকে চায়। ফলে সমান্তরাল একটা উপার্জনের প্রয়োজন রয়েছে। সেখান থেকেই আমার ফ্যাশন ব্র্যান্ড ‘ক্লথ’ তৈরি করি। এছাড়া আর একটা কারণও রয়েছে। কোথাও একটা নিঃশ্বাস নেওয়ারও প্রয়োজন। প্রতিদিন ১৪ ঘণ্টা একই কাজ করার পর মনটা অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়া দরকার। ফ্রেশ লাগে। 
স্বরলিপি ভট্টাচার্য

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ