Bartaman Logo
৭ অক্টোবর, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

আনুষ্ঠানিক নাম ঘোষণার আগেই প্রস্তুতি! নন্দীগ্রামে বিজেপির প্রার্থী চন্দ্রনাথ রথের মা হাসিরানি, রেজিনগরে কে?

পুজোর আগেই ফের ভোটের ময়দানে নন্দীগ্রাম। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ছেড়ে যাওয়া এই গুরুত্বপূর্ণ বিধানসভা কেন্দ্রেই আগামী ৬ অক্টোবর হতে চলেছে উপনির্বাচন। দলীয়ভাবে এখনও প্রার্থীর নাম ঘোষণা হয়নি।

আনুষ্ঠানিক নাম ঘোষণার আগেই প্রস্তুতি! নন্দীগ্রামে বিজেপির প্রার্থী চন্দ্রনাথ রথের মা হাসিরানি, রেজিনগরে কে?
  • ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৯:৩২
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: দলীয়ভাবে তখনও নাম ঘোষণা করা হয়নি। কিন্তু চন্দ্রনাথ রথের মা হাসিরানিই যে নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী হচ্ছেন, তা চূড়ান্ত হয়ে যায় গতকালই। এও ঠিক হয়ে যায় মিছিল করে আজ, মঙ্গলবার মনোনয়নপত্র জমা দেবেন তিনি। যেখানে উপস্থিত থাকবেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আজ সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে দিল্লি কেন্দ্রীয় বিজেপি থেকে সেই খবরেই শিলমোহর পড়ল। অন্যদিকে, রেজিনগরে পদ্ম পার্টির প্রার্থী হচ্ছেন শাখারভ সরকার। 

Advertisement

আজ হলদিয়া মহকুমা শাসকের দপ্তরে মনোনয়ন পত্র জমা দেওয়ার কথা রয়েছে হাসিরানির। সোমবারই তাঁর নামে মহকুমা শাসকের দপ্তর থেকে ডিসিআর কাটা হয় বলে সূত্রের খবর। 

মনোনয়ন জমা দেওয়ার আগে মঙ্গলবার সকালে বাড়ি থেকে বেরিয়ে নন্দীগ্রামের রেয়াপাড়ার শিবমন্দিরে পুজো দেন হাসিরানি। এরপর নন্দীগ্রাম-১ ব্লকের জানকীনাথ মন্দিরেও পুজো দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। সেখান থেকে তিনি হলদিয়া মহকুমা শাসকের দপ্তরে পোঁছে মনোনয়ন জমা দেবেন। মনোনয়ন পর্বে দলীয় কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও হলদিয়ায় উপস্থিত থাকবেন । এই উপলক্ষে নন্দীগ্রাম থেকে বিপুল সংখ্যক বিজেপি কর্মী-সমর্থক হলদিয়ায় জমায়েত হবেন বলেও ধারনা।

চন্দ্রনাথ রথের মা হাসিরানি রথ চণ্ডীপুরের বাসিন্দা। নন্দীগ্রামে বিজেপির প্রার্থী বাছাই নিয়ে দলের অন্দরে বেশ কিছুদিন ধরেই টানাপোড়েন চলছিল। স্থানীয় তিন নেতা মেঘনাদ পাল, প্রলয় পাল এবং অঞ্জন ভারতীর নাম প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় ছিল। শেষ পর্যন্ত তাঁদের কাউকে বেছে না নিয়ে হাসিরানিকে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত বিজেপির। নন্দীগ্রামে ‘শহিদ জননী’ হিসেবে পরিচিত ফিরোজা বিবির পর আরও এক সন্তানহারা মায়ের নির্বাচনী ময়দানে নামা তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, আগেভাগে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করলে দলের অভ্যন্তরে ক্ষোভ-বিক্ষোভ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। সেই পরিস্থিতি এড়াতেই শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত প্রার্থীর নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা না করে সরাসরি মনোনয়ন জমা দেওয়ার কৌশল নিয়েছে বিজেপি।

৬ অক্টোবর ভোটগ্রহণের পর ফলাফল ঘোষণা হবে ৯ অক্টোবর। ফলে দুর্গাপুজোর আগেই নন্দীগ্রামের মানুষ পেয়ে যাবেন নতুন বিধায়ক। মুখ্যমন্ত্রীর ছেড়ে যাওয়া আসন হওয়ায় এই উপনির্বাচনের ফলাফল যে রাজ্য রাজনীতিতে বিশেষ তাৎপর্য বহন করবে, তা নিয়ে কোনও সংশয় নেই। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ