সংবাদদাতা, শান্তিনিকেতন: নানুরের টিকুড়ি গ্রামে অজয় নদের বাঁধ সংস্কার শুরু করতে চলেছে সেচদপ্তরের ময়ূরাক্ষী ক্যানেল বিভাগ। ফলে আগামী বর্ষায় নানুরে বন্যার আশঙ্কা কমবে। এই প্রকল্পের জন্য ৩ কোটি ৮ লক্ষ ৪২ হাজার টাকা ব্যয় হবে। শনিবার টিকুড়ি গ্রামে সেই কাজের শিলান্যাস হল। এই উদ্যোগে এলাকার বাসিন্দারা খুশি।
Advertisement
নানুর ব্লকের থুপসরা পঞ্চায়েতের বেশিরভাগ এলাকা অজয় নদের পাড়ে রয়েছে। ফলে প্রতিবছর বর্ষার সময় বন্যার আশঙ্কায় দিন কাটান এই সমস্ত গ্রামের বাসিন্দারা। দু’বছর আগে নানুরের সুন্দরপুর গ্রামের কাছে অজয় নদের বাঁধ ভেঙে যায়। যার ফলে ছবির মতো সাজানো সুন্দরপুর গ্রাম জলের তোড়ে নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। বাসাপাড়া সহ আশপাশের একাধিক গ্রামে বন্যা পরিস্থিতি দেখা দেয়। তারপর থেকেই অজয়-তীরবর্তী গ্রামের বাসিন্দারা বর্ষার সময় আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটান।
কয়েক কিলোমিটার ধরে বিস্তৃত অজয় নদের বাঁধ একাধিক জায়গায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এবার সেই বাঁধ সংস্কারে সেচদপ্তর উদ্যোগী হল। নানুরের টিকুড়ি গ্রামে প্রায় দুই কিমি নদীবাঁধ সংস্কার করা হবে। বাঁধের ক্ষতিগ্রস্ত জায়গায় বড় বড় পাথরের টুকরো ফেলে লোহার তার দিয়ে বেঁধে দেওয়া হবে। শনিবার সেই প্রকল্পের শিলান্যাস হয়েছে। এপ্রিল মাসের মধ্যে সেই কাজ শেষ করা হবে।
সেচদপ্তর মনে করছে, বাঁধ সংস্কারের ফলে আগামীতে নানুরের বিস্তীর্ণ এলাকায় বর্ষার সময় বন্যার ঝুঁকি অনেকটাই কমবে। আগামীতে আরও বেশ কিছু এলাকায় বাঁধ সংস্কার হবে বলে তারা জানিয়েছে।
নানুরের বিধায়ক বিধান মাঝি বলেন, কয়েকবছর আগে এই এলাকায় বাঁধ ভেঙে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি দেখা দিয়েছিল। এছাড়া, প্রতিবছরই বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। তাই সেচদপ্তরের সহযোগিতায় এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
টিকুড়ি গ্রামের বাসিন্দা বুল্টি ঘোষ, হরিচরণ রায়, চুমকি ঘোষ বলেন, বর্ষাকালে আমাদের আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাতে হয়। বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত। তাই সেসময় রাতের পর রাত আমরা বাঁধ পাহারা দেওয়ার জন্য জেগে থাকি। এবার বাঁধ সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ফলে আগামীতে এই সমস্যা থাকবে না বলে মনে হচ্ছে।
কয়েক কিলোমিটার ধরে বিস্তৃত অজয় নদের বাঁধ একাধিক জায়গায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এবার সেই বাঁধ সংস্কারে সেচদপ্তর উদ্যোগী হল। নানুরের টিকুড়ি গ্রামে প্রায় দুই কিমি নদীবাঁধ সংস্কার করা হবে। বাঁধের ক্ষতিগ্রস্ত জায়গায় বড় বড় পাথরের টুকরো ফেলে লোহার তার দিয়ে বেঁধে দেওয়া হবে। শনিবার সেই প্রকল্পের শিলান্যাস হয়েছে। এপ্রিল মাসের মধ্যে সেই কাজ শেষ করা হবে।
সেচদপ্তর মনে করছে, বাঁধ সংস্কারের ফলে আগামীতে নানুরের বিস্তীর্ণ এলাকায় বর্ষার সময় বন্যার ঝুঁকি অনেকটাই কমবে। আগামীতে আরও বেশ কিছু এলাকায় বাঁধ সংস্কার হবে বলে তারা জানিয়েছে।
নানুরের বিধায়ক বিধান মাঝি বলেন, কয়েকবছর আগে এই এলাকায় বাঁধ ভেঙে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি দেখা দিয়েছিল। এছাড়া, প্রতিবছরই বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। তাই সেচদপ্তরের সহযোগিতায় এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
টিকুড়ি গ্রামের বাসিন্দা বুল্টি ঘোষ, হরিচরণ রায়, চুমকি ঘোষ বলেন, বর্ষাকালে আমাদের আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাতে হয়। বাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত। তাই সেসময় রাতের পর রাত আমরা বাঁধ পাহারা দেওয়ার জন্য জেগে থাকি। এবার বাঁধ সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ফলে আগামীতে এই সমস্যা থাকবে না বলে মনে হচ্ছে।



