সংবাদদাতা, বজবজ: মহেশতলা পুরসভার নুঙ্গি শ্মশানের বৈদ্যুতিক চুল্লির দ্রুত সংস্কার প্রয়োজন। অন্যথায় যে কোনও সময় এটি বিকল হয়ে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে সৎকারের কাজে সমস্যায় পড়তে হবে এই অঞ্চলের প্রচুর মানুষকে। তাই দ্রুত এদিকে নজর দেওয়া হোক। এই মর্মে নুঙ্গি শ্মশান কর্তৃপক্ষ লিখিতভাবে জানিয়েছে পুর কর্তৃপক্ষকে। পুরসভার এক আধিকারিক ওই চিঠির কথা স্বীকারও করেছেন।
Advertisement
ওই আধিকারিক বলেন, বিষয়টি নজরে আসতেই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। পুর আধিকারিকের কথায়, আকড়াতে পুরসভার আরও একটি বৈদ্যুতিক চুল্লি আছে। এটা যদিও বা কখনও সাময়িক বন্ধ হয়ে যায়, তা হলে আকড়া শ্মশান কাজ চালিয়ে দিতে পারবে। তিনি অবশ্য স্বীকার করেছেন, বৈদ্যুতিক চুল্লি একমাস টানা চালানোর পর এর সংস্কার প্রয়োজন হয়। তখন এটি বেশ কিছুদিন বন্ধ রাখতে হয়। না হলে চুল্লির ভিতরে তাপ ধরে রাখার জন্য বিশেষ ধরণের ফায়ার ব্রিক ক্ষয়ে যায়। এছাড়াও যে কয়েল থাকে, তা ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে। ফায়ার ব্রিকের তাপমাত্রা ধরে রাখার ক্ষমতা কমে যাওয়ার বিপদ হল দেহ আধপোড়া হয়ে যাবে। এজন্য একমাস অন্তর তা বন্ধ করে রক্ষণাবেক্ষণ জরুরি।
সমস্যা হল, মহেশতলার নুঙ্গি এবং আকড়া– দু’টি শ্মশানেই একটি করে বৈদ্যুতিক চুল্লি। উভয় জায়গাতে আরও একটি করে চুল্লি থাকলে একমাস অন্তর একটি বন্ধ করে অন্যটি চালানো যেতে পারত। বজবজ পুরসভার দু’টি চুল্লি থাকায় এই সুযোগ রয়েছে। তাই সেখানে একমাস অন্তর একটি বন্ধ করে অন্যটি চালানো হয়। মহেশতলাতে সেই সুযোগ নেই। সেই কারণে নুঙ্গি শ্মশানের চুল্লি সাত মাস ধরে টানা চলছে। ফলে তার স্বাস্থ্য খুব খারাপ হতে বাধ্য। মহেশতলা পুরসভার চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল (আলো) আতিবুর রহমান বলেন, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখতে হবে। স্বাস্থ্য বিভাগের চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল তাপস হালদার বলেন, কেএমডিএর বিশেষজ্ঞরাই চুল্লির রক্ষণাবেক্ষণ করেন। কিছুদিন আগে আকড়ার চুল্লির সংস্কার হয়েছে। এবার নিশ্চয়ই নুঙ্গিরটা হবে।
সমস্যা হল, মহেশতলার নুঙ্গি এবং আকড়া– দু’টি শ্মশানেই একটি করে বৈদ্যুতিক চুল্লি। উভয় জায়গাতে আরও একটি করে চুল্লি থাকলে একমাস অন্তর একটি বন্ধ করে অন্যটি চালানো যেতে পারত। বজবজ পুরসভার দু’টি চুল্লি থাকায় এই সুযোগ রয়েছে। তাই সেখানে একমাস অন্তর একটি বন্ধ করে অন্যটি চালানো হয়। মহেশতলাতে সেই সুযোগ নেই। সেই কারণে নুঙ্গি শ্মশানের চুল্লি সাত মাস ধরে টানা চলছে। ফলে তার স্বাস্থ্য খুব খারাপ হতে বাধ্য। মহেশতলা পুরসভার চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল (আলো) আতিবুর রহমান বলেন, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখতে হবে। স্বাস্থ্য বিভাগের চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল তাপস হালদার বলেন, কেএমডিএর বিশেষজ্ঞরাই চুল্লির রক্ষণাবেক্ষণ করেন। কিছুদিন আগে আকড়ার চুল্লির সংস্কার হয়েছে। এবার নিশ্চয়ই নুঙ্গিরটা হবে।



