উল্লাসনগর: বিধানসভা নির্বাচনের আর কুড়ি দিনও বাকি নেই। কিন্তু মহারাষ্ট্রে শাসক জোটের অন্দরের দ্বন্দ্ব মাঝেমধ্যেই প্রকাশ্যে চলে আসছে। এবার নাম না করে মুখ্যমন্ত্রী একনাথ সিন্ধেকে বিশ্বাসঘাতক বলে তোপ দাগলেন বিজেপি নেতা প্রদীপ রামচন্দানি। বিজেপির উল্লাসনগর জেলা সভাপতি প্রদীপ একটি সভায় বক্তৃতা দিচ্ছিলেন। সেখানে তিনি বলেন, ‘এখন যাদের বিশ্বাসঘাতক বলা হয়, তাঁরাই মুখ্যমন্ত্রী হয়ে যান। রাজনীতির সংজ্ঞা এখন বদলে গিয়েছে।’ রামচন্দানির এই বক্তব্য ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় বিতর্ক। রামচন্দানিকে ক্ষমা চাইতে হবে বলে দাবি জানাতে শুরু করেন শিবসেনার (সিন্ধেপন্থী) নেতা-কর্মীরা। ক্ষমা না চাইলে বিজেপি প্রার্থীর হয়ে তাঁরা প্রচার করবেন না বলেও জানিয়ে দিয়েছেন। চাপে পড়ে সুর বদলেছেন রামচন্দানিও। ওই মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চেয়ে তাঁর দাবি, বক্তব্যের অপব্যাখ্যা করা হচ্ছে। তিনি আদতে উদ্ধব থ্যাকারেপন্থী শিবসেনাকে নিশানা করতে চেয়েছিলেন।
Advertisement
উল্লাসনগর বিধানসভা আসনে বিজেপির প্রার্থী বর্তমান বিধায়ক কুমার আইলানি। তাঁর সমর্থনে সভার আয়োজন করেছিল সেকুলার অ্যালায়েন্স অব ইন্ডিয়া বা সাই নামে আঞ্চলিক একটি দল। সেখানেই বক্তৃতা দিচ্ছিলেন রামচন্দানি। তিনি দাবি করেন, সাইয়ের নেত্রী আশা ইদনানিকেও বিশ্বাসঘাতকতার শিকার হতে হয়েছিল। তারপরেই নাম না করে সিন্ধেকে আক্রমণ করেন তিনি। একইসঙ্গে বিজেপি নেতার দাবি, অনেক বিশ্বাসঘাতক তাঁদের দলেও যোগ দিয়েছেন।
এরপরেই সিন্ধেপন্থী শিবসেনার জেলা সভাপতি রাজেন্দ্র চৌধুরি রামচন্দানিকে ক্ষমা চাইতে হবে বলে দাবি করেন। রাজেন্দ্রর আরও দাবি, রামচন্দানি নির্বাচনে টিকিট না পাওয়াতেই শাসক জোটের মধ্যে দ্বন্দ্ব তৈরি করতে চাইছেন। আর এক সিন্ধেপন্থী শিবসেনা ভিকি ভুল্লার স্পষ্ট জানিয়ে দেন, রামচন্দানি ক্ষমা না চাইলে, তাঁরা আর বিজেপি প্রার্থীর হয়ে প্রচার করবেন না। শেষ পর্যন্ত ক্ষমা চেয়ে নেন রামচন্দানি।
এরপরেই সিন্ধেপন্থী শিবসেনার জেলা সভাপতি রাজেন্দ্র চৌধুরি রামচন্দানিকে ক্ষমা চাইতে হবে বলে দাবি করেন। রাজেন্দ্রর আরও দাবি, রামচন্দানি নির্বাচনে টিকিট না পাওয়াতেই শাসক জোটের মধ্যে দ্বন্দ্ব তৈরি করতে চাইছেন। আর এক সিন্ধেপন্থী শিবসেনা ভিকি ভুল্লার স্পষ্ট জানিয়ে দেন, রামচন্দানি ক্ষমা না চাইলে, তাঁরা আর বিজেপি প্রার্থীর হয়ে প্রচার করবেন না। শেষ পর্যন্ত ক্ষমা চেয়ে নেন রামচন্দানি।



