সংবাদদাতা, রামপুরহাট: সোমবার সকাল এগারোটা নাগাদ নলহাটির লোহাপুর ও মোড়গ্রাম স্টেশনের মাঝে রেল লাইনের ধারের একটি ঝোপ থেকে ক্ষতবিক্ষত এক নাবালিকাকে উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল। প্রথমে স্থানীয় ও পরিবারের সদস্যরা ওই নাবালিকাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘি হাসপাতালে ভর্তি করেন।
Advertisement
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর ১৪-র ওই নাবালিকার নাম আরিফা খাতুন। বাড়ি মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘি থানার বাহালনগর গ্রামে। এদিন লোহাপুর ও মোড়গ্রাম স্টেশনের মাঝে কুমারসাণ্ডা গ্রামের কাছে রেল লাইনের ধারে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়েছিল ওই নাবালিকা। গ্রামের বাসিন্দা পলাশ শেখ বলেন, কিছুক্ষণ আগেই কবিগুরু এক্সপ্রেস পাস করেছে। তারপরও নাবালিকাকে পড়ে থাকার খবর পাওয়া যায়। তার মাথার পিছনে গভীর ক্ষত রয়েছে। অজ্ঞান অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে মোড়গ্রাম স্টেশনে নিয়ে গিয়ে পরিবারের হাতে তুলে দিই। তখনই জানতে পারি ওই নাবালিকা মানসিক ভারসাম্যহীন। পরে তাঁরাই সাগরদিঘি হাসপাতালে নিয়ে যান।
নাবালিকার বাবা প্রতিবন্ধী আসরাফ শেখ বলেন, মেয়ে জন্ম থেকেই মানসিক ভারসাম্যহীন। বাড়িতে তাকে চেন দিয়ে বেঁধে রাখা হতো। গত অক্টোবর মাসে একটি অশান্তির ঘটনায় বোমার আঘাতে মৃত্যু হয় স্ত্রীর। আমি ভিক্ষে করেই দিনযাপন করি। এদিন সকালে টয়লেট যাওয়ার সময় চেন খুলে দেওয়া হয়। তখনই সে বেড়া টপকে দৌড়ে পালিয়ে যায়। প্রায়ই সে এভাবে চলে যেত। কিছুক্ষণের মধ্যেই ফিরে আসত। এদিনও ভেবেছিলাম ফিরে আসবে। পরে শুনলাম মেয়ে নাকি কবিগুরু এক্সপ্রেসে চেপে গিয়েছি। সেই মতো নলহাটি ও রামপুরহাটে পরিচিতদের ফোন করে তার খোঁজ নেওয়ার জন্য বলতে থাকি। এরই মধ্যে মেয়েকে রক্তাক্ত অবস্থায় রেল লাইনের ধারে পড়ে থাকার খবর পাই। তাঁর দাবি, চলন্ত ট্রেন থেকে মেয়ে ঝাঁপ দিয়েছে।
নাবালিকার বাবা প্রতিবন্ধী আসরাফ শেখ বলেন, মেয়ে জন্ম থেকেই মানসিক ভারসাম্যহীন। বাড়িতে তাকে চেন দিয়ে বেঁধে রাখা হতো। গত অক্টোবর মাসে একটি অশান্তির ঘটনায় বোমার আঘাতে মৃত্যু হয় স্ত্রীর। আমি ভিক্ষে করেই দিনযাপন করি। এদিন সকালে টয়লেট যাওয়ার সময় চেন খুলে দেওয়া হয়। তখনই সে বেড়া টপকে দৌড়ে পালিয়ে যায়। প্রায়ই সে এভাবে চলে যেত। কিছুক্ষণের মধ্যেই ফিরে আসত। এদিনও ভেবেছিলাম ফিরে আসবে। পরে শুনলাম মেয়ে নাকি কবিগুরু এক্সপ্রেসে চেপে গিয়েছি। সেই মতো নলহাটি ও রামপুরহাটে পরিচিতদের ফোন করে তার খোঁজ নেওয়ার জন্য বলতে থাকি। এরই মধ্যে মেয়েকে রক্তাক্ত অবস্থায় রেল লাইনের ধারে পড়ে থাকার খবর পাই। তাঁর দাবি, চলন্ত ট্রেন থেকে মেয়ে ঝাঁপ দিয়েছে।



