সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: হাওড়া জেলার গ্রামাঞ্চলে নিকাশি একটি বড়সড় সমস্যা। এই সমস্যা দূর করতে বিভিন্ন গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় পাকা নিকাশিনালা তৈরির উদ্যোগ নিল হাওড়া জেলা পরিষদ। জেলা পরিষদ সূত্রে খবর, এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করতে প্রতিটি বিধানসভা এলাকা পিছু ৬০ লক্ষ টাকা করে বরাদ্দ করা হবে। জেলা পরিষদের কর্তাদের দাবি, এর ফলে একদিকে যেমন নিকাশির সমস্যা মিটবে, অন্যদিকে ‘গ্রে ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট’-এর কাজও কিছুটা এগিয়ে থাকবে।
Advertisement
রাজ্যের যে সব জেলায় দ্রুত নগরায়ণ হচ্ছে, তার মধ্যে প্রথম সারিতে আছে হাওড়া জেলা। জেলার বাগনান, আমতা, ডোমজুড়, সাঁকরাইল, বালি-জগাছা ব্লকে জনঘনত্ব দ্রুত হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। প্রশাসনের বক্তব্য, জনঘনত্ব অনুসারে বিভিন্ন ব্লকে নাগরিক পরিষেবা আগের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে। ভবিষ্যতে তা আরও বাড়বে বলে মত প্রশাসনিক কর্তাদের। তবে গ্রামীণ অংশে পরিকল্পিত নিকাশি ব্যবস্থা সেভাবে গড়ে ওঠেনি। গৃহস্থের নিত্যকাজে ব্যবহৃত জল কখনও বাড়ির পাশে জমা হয়, আবার কখনও পুকুর বা ডোবায় গিয়ে জমা হয়। এতে ভূগর্ভস্থ জল সেভাবে রিচার্জ হয় না। এই অবস্থায় জেলা পরিষদ কাঁচা নর্দমার পরিবর্তে পাকা নিকাশি ব্যবস্থা গড়ে তোলার পক্ষপাতী।
হাওড়া জেলা পরিষদের সহ সভাধিপতি অজয় ভট্টাচার্য এবং জেলা পরিষদের পূর্তদপ্তরের কর্মাধ্যক্ষ তাপস মাইতি এ প্রসঙ্গে বলেন, রাজ্য সরকার তার সাধ্যমতো গ্রামোন্নয়নে নানা কাজ করেছে। গ্রামীণ এলাকায় পাকা নর্দমা নির্মাণের জন্য বিধানসভা পিছু ৬০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হবে। যাতে আগামী দিনে নগরায়ণ হলেও নিকাশির সমস্যা যাতে না হয়। প্রসঙ্গত, হাওড়া জেলায় কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি তরল বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কাজ জোরকদমে চলছে। সেইসঙ্গে গ্রে ওয়াটার ম্যানেজমেন্টেও জোর দেওয়া হয়েছে। এই অবস্থায় নিত্যকাজে ব্যবহৃত জল যদি পাকা নর্দমা দিয়ে নির্দিষ্ট গর্তে এসে পড়ে, তাহলে ভূগর্ভস্থ জল রিচার্জের সুযোগ থাকবে। এক্ষেত্রে পাকা নর্দমা থাকলে গ্রে ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট বা ভূগর্ভস্থ জল রিচার্জের কাজ অনেকটা এগিয়ে থাকবে।
হাওড়া জেলা পরিষদের সহ সভাধিপতি অজয় ভট্টাচার্য এবং জেলা পরিষদের পূর্তদপ্তরের কর্মাধ্যক্ষ তাপস মাইতি এ প্রসঙ্গে বলেন, রাজ্য সরকার তার সাধ্যমতো গ্রামোন্নয়নে নানা কাজ করেছে। গ্রামীণ এলাকায় পাকা নর্দমা নির্মাণের জন্য বিধানসভা পিছু ৬০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হবে। যাতে আগামী দিনে নগরায়ণ হলেও নিকাশির সমস্যা যাতে না হয়। প্রসঙ্গত, হাওড়া জেলায় কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি তরল বর্জ্য ব্যবস্থাপনার কাজ জোরকদমে চলছে। সেইসঙ্গে গ্রে ওয়াটার ম্যানেজমেন্টেও জোর দেওয়া হয়েছে। এই অবস্থায় নিত্যকাজে ব্যবহৃত জল যদি পাকা নর্দমা দিয়ে নির্দিষ্ট গর্তে এসে পড়ে, তাহলে ভূগর্ভস্থ জল রিচার্জের সুযোগ থাকবে। এক্ষেত্রে পাকা নর্দমা থাকলে গ্রে ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট বা ভূগর্ভস্থ জল রিচার্জের কাজ অনেকটা এগিয়ে থাকবে।



