নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: নিজস্ব আয় বৃদ্ধি করার ক্ষেত্রে এখনও পিছিয়ে রয়েছে রাজ্যের গ্রাম পঞ্চায়েতগুলি। এক্ষেত্রে তাদের কাজ যে একদম সন্তোষজনক নয়, সম্প্রতি পঞ্চায়েতের মূল্যায়ন রিপোর্টে তা উঠে এসেছে। গত আর্থিক বছরে ০.৫ শতাংশ আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়েছিল প্রতিটি পঞ্চায়েতকে। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, সেই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে সিংহভাগ পঞ্চায়েতই ব্যর্থ। জেলার সার্বিক মূল্যায়ন রিপোর্টে এর প্রতিফলন রয়েছে। বিষয়টি আরও গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে বলে জেলাগুলিকে জানিয়ে দিয়েছে দপ্তর।
Advertisement
এদিকে, ২০২২-২৩ এর তুলনায় গত বছরের মূল্যায়নে পাশের হার বাড়লেও অনেক দিকে নজর দেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছে পঞ্চায়েত দপ্তর। গ্রামোন্নয়নের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার টাকা ছাড়তে নানা টালবাহানা করছে। তাই পঞ্চায়েতগুলি নিজেদের আয় বাড়িয়ে এলাকা উন্নয়নের উপর জোর দেবে—এটাই আশা করেছিলেন দপ্তরের আধিকারিকরা। কিন্তু কেন সেই কাজ বহু পঞ্চায়েত ঠিকঠাক করে উঠতে পারল না, সেটাই ভাবাচ্ছে তাঁদের। সংশ্লিষ্ট পঞ্চায়েত নাকি জেলা প্রশাসন কার গাফিলতি ও নজরদারির অভাব, প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা। সদ্য প্রকাশিত হয়েছে ২০২৩-২৪ সালের গ্রাম পঞ্চায়েত মূল্যায়ন রিপোর্ট। মোট সাতটি বিভাগের উপর পঞ্চায়েতগুলিকে মূল্যায়ন করা হয়েছে । তার মধ্যে একটি ছিল নিজস্ব আয় বৃদ্ধি। এই বিভাগের সব জেলার নম্বরের ভিত্তিতে গড় দাঁড়িয়েছে ৮৯ শতাংশ। অথচ, বাকি ছ’টি বিভাগের গড় নম্বর ৯৮ থেকে ৯৯ শতাংশ।
আয় বৃদ্ধি বিভাগে জলপাইগুড়ি (৫৭ শতাংশ), হুগলি ( ৭০ শতাংশ), মুর্শিদাবাদ (৭৫ শতাংশ) এবং কোচবিহার (৭৯) কম নম্বর পেয়েছে। একাধিক জেলা ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ নম্বর পেয়েছে।
২০২২-২৩ সালে রাজ্যের মূল্যায়নে ৭১ শতাংশ গ্রাম পঞ্চায়েত উত্তীর্ণ হয়েছিল। ২০২৩-২৪ সালে তা বেড়ে হয়েছে ৭৯ শতাংশ। তবুও পঞ্চায়েত দপ্তর এই ফলকে সন্তোষজনক বলতে নারাজ। কারণ, এর মধ্যে ছটি জেলার (জলপাইগুড়ি, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, হুগলি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং দক্ষিণ দিনাজপুর) নম্বর কমেছে। এই পরিস্থিতিতে নড়েচড়ে বসেছে জেলাগুলি। যেমন, পঞ্চায়েতগুলির কোথায় কী খামতি আছে, চিহ্নিত করার নির্দেশ দিয়েছে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসন।
আয় বৃদ্ধি বিভাগে জলপাইগুড়ি (৫৭ শতাংশ), হুগলি ( ৭০ শতাংশ), মুর্শিদাবাদ (৭৫ শতাংশ) এবং কোচবিহার (৭৯) কম নম্বর পেয়েছে। একাধিক জেলা ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ নম্বর পেয়েছে।
২০২২-২৩ সালে রাজ্যের মূল্যায়নে ৭১ শতাংশ গ্রাম পঞ্চায়েত উত্তীর্ণ হয়েছিল। ২০২৩-২৪ সালে তা বেড়ে হয়েছে ৭৯ শতাংশ। তবুও পঞ্চায়েত দপ্তর এই ফলকে সন্তোষজনক বলতে নারাজ। কারণ, এর মধ্যে ছটি জেলার (জলপাইগুড়ি, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, হুগলি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং দক্ষিণ দিনাজপুর) নম্বর কমেছে। এই পরিস্থিতিতে নড়েচড়ে বসেছে জেলাগুলি। যেমন, পঞ্চায়েতগুলির কোথায় কী খামতি আছে, চিহ্নিত করার নির্দেশ দিয়েছে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসন।



