Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬

নিদা খানের হাতে কর্মী নিয়োগের কোনো ক্ষমতা ছিলই না, দাবি সংস্থার

টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেসের (টিসিএস) নাসিক শাখায় জোর করে ধর্মান্তকরণ মামলার তদন্তে নয়া মোড়। গোটা ঘটনার মাস্টারমাইন্ড নিদা খান কর্মী নিয়োগের দায়িত্বে ছিলেন বলে অভিযোগ।

নিদা খানের হাতে কর্মী নিয়োগের কোনো ক্ষমতা ছিলই না, দাবি সংস্থার
  • ১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি ও মুম্বই: টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেসের (টিসিএস) নাসিক শাখায় জোর করে ধর্মান্তকরণ মামলার তদন্তে নয়া মোড়। গোটা ঘটনার মাস্টারমাইন্ড নিদা খান কর্মী নিয়োগের দায়িত্বে ছিলেন বলে অভিযোগ। যদিও শুক্রবার টিসিএস জানিয়েছে, অভিযুক্ত মহিলা এইচআর ম্যানেজার পদে ছিলেন না। কর্মী নিয়োগের কোনো ক্ষমতা তাঁর হাতে ছিল না। তিনি কেবলই প্রোসেস অ্যাসোসিয়েট হিসেবে কাজ করতেন। 

Advertisement

তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা আরও জানিয়েছে, যৌন হেনস্তা, জোর করে ধর্মান্তরকরণ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায়। এই ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের সাসপেন্ড করা হয়েছে। পাশাপাশি, সংস্থার মধ্যে এধরনের অনিয়ম খতিয়ে দেখতে একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে। তবে টিসিএস জানিয়েছে, কোনোরকম সমস্যা হলে সংস্থার মধ্যেই সরাসরি অভিযোগ জানানোর ব্যবস্থা রয়েছে। নাসিক ইউনিটের সেসংক্রান্ত সিস্টেম ও রেকর্ড ঘেঁটে দেখা হয়েছে। কিন্তু, এতে কোনো কর্মী অভিযোগ জানাননি। তা সত্ত্বেও বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে দেখছে কর্তৃপক্ষ। এই ইস্যুতে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েই চলছে তারা। টাটা সন্সের চেয়ারম্যান এন চন্দ্রশেখরনও সেই বিষয়টি স্পষ্ট করে দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, যৌন হেনস্তার বিষয়টি অত্যন্ত উদ্বেগের ও যন্ত্রণাদায়ক। ইতিমধ্যেই অভ্যন্তরীণ তদন্তও শুরু হয়েছে। 
পুলিশ সূত্রে খবর, এই মামলার তদন্তে নেমে আপাতত টিসিএসের এক মহিলা এইচআর ও সাত পুরুষকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছেন তদন্তকারীরা। কিন্তু, মূল অভিযুক্ত নিদা খানের খোঁজ মিলছে না। তাঁর হদিশ পেতে জোর তল্লাশি চলছে। জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে তাঁর স্বামী মইন নাভিদ ইকবাল খানকেও। জেরায় তিনি জানান, ১৪ এপ্রিল বাড়ি ছেড়ে এক আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিলেন নিদা। কিন্তু, সেই ঠিকানায় গিয়েও মূল অভিযুক্তের হদিশ পাননি তদন্তকারীরা। ওই বাড়িতে তালা দেওয়া ছিল। নিদা ও তাঁর আত্মীয়—দু’জনের ফোন বন্ধ পাওয়া গিয়েছে। পরে মইন আবার জানান, এক আত্মীয়ার সঙ্গে চলতি সপ্তাহেই নাসিক গিয়েছেন স্ত্রী। কিন্তু, তারপর থেকে নিদার সঙ্গে তাঁর কোনো যোগাযোগ নেই। 

সম্পর্কিত সংবাদ