শ্রীনগর: জম্মু-কাশ্মীরের ১০টি জায়গায় তল্লাশি চালাল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। লস্কর-ই-তোইবার জঙ্গি কার্যকলাপের তদন্তে নেমে শনিবার এই অভিযান চালানো হয়। জানা গিয়েছে, কুপওয়ারা, কুলগাঁও, বান্দিপোরা, বারামুলা ও সোপোরের বিভিন্ন ঠিকানায় হানা দেয় এনআইএ। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে একাধিক নথি। জানা গিয়েছে, পাক হ্যান্ডলারদের পাশাপাশি এই কাজে যুক্ত রয়েছে বেশ কয়েকজন স্থানীয় ওভার গ্রাউন্ড ওয়ার্কার। গত ৩১ মার্চ নাকা পয়েন্টে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতের কাছ থেকে হ্যান্ড গ্রেনেড সহ একাধিক জিনিস বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ। পরে জানা যায়, ধৃত লস্করের স্থানীয় কর্মী। ঘটনার তদন্তে নেমে বেশ কয়েকজন পাক নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়। এনআইএ জানিয়েছে, পাক হ্যান্ডলারদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখে স্থানীয় লস্কর কর্মীরা। অনুপ্রবেশকারী জঙ্গিদের থাকা-খাওয়ার দায়িত্বে রয়েছে তারা। এহেন পরিস্থিতিতে সম্পূর্ণ জঙ্গি নেটওয়ার্কের হদিশ পেতে ভূস্বর্গজুড়ে অভিযান চালাচ্ছে এনআইএ। এদিকে লস্কর প্রতিষ্ঠাতা হাফিজ সইদের বিরুদ্ধে ফের জামিন অযোগ্য গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হল। গত ৮ সেপ্টেম্বর এই নির্দেশ দিয়েছে জম্মুর বিশেষ এনআইএ আদালত। অভিযোগ, কাশ্মীরে জঙ্গিদের মদত দিয়ে চলেছে লস্করের পান্ডা। চলতি বছরের শুরুতে জঙ্গি সন্দেহে শ্রীনগরের এক বাসিন্দাকে গ্রেপ্তার করে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ। ধতের নাম মহম্মদ নাকিব ভাট। ঘটনার তদন্তের স্বার্থে হাফিজের বিরুদ্ধে ফের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এদিকে, ডোডা জেলার সিওজধর জঙ্গল থেকে এক পাকিস্তানি জয়েশ-ই-মহম্মদ জঙ্গির পচাগলা দেহ উদ্ধার হয়েছে।



