নিজস্ব প্রতিনিধি, ঝাড়গ্ৰাম: ঝাড়গ্রামের নয়াগ্ৰাম জঙ্গলে হরিণ, ফিশিং ক্যাট, মঙ্গুজ, গ্ৰে উলফ ও অনান্য বন্য জন্তুর সংখ্যা গণনা ও সমীক্ষা করছে বনদপ্তর। সুবর্ণরেখা তীরবর্তী নয়াগ্রামের জঙ্গল আয়তনে বেশ বড়। এই এলাকায় লোকবসতিও তুলনামূলক কম। ফলে নয়াগ্রামের জঙ্গল বন্য জন্তুদের নিরাপদ আবাসস্থল। এখানে হরিণ ও অন্যান্য বন্য জন্তুর দেখা মেলে। বিরিবাড়িয়া, তপোবন, পাঁচকাহানিয়া, খাঁকড়ি, কুড়চিবনি, খানামুড়ি, খড়িকা, কালুয়াষাড়ের জঙ্গলে হরিণ সহ বন্য জন্তুর সংখ্যা বাড়ছে। জঙ্গলমহল জুলজিক্যাল পার্কে ২০০৭ ও ২০০৯ সালে প্রথমে ২৮টি পরবর্তীতে ৩৪টি চিতল হরিণ ছাড়া হয়েছিল। বংশবৃদ্ধির কারণে জঙ্গলে হরিণের সংখ্যা আগের থেকে বেড়েছে। নয়াগ্ৰাম স্টেডিয়াম লাগোয়া জঙ্গল থেকে একটি হরিণ উদ্ধার হয়েছিল। বড়নিগুই এলাকা থেকেও হরিণ উদ্ধার হয়েছে। সাঁকরাইল ও বিনপুরের জঙ্গলেও হরিণ ও অন্য জন্তুর দেখা মিলছে। তবে এর পাশাপাশি উদ্বেগ তৈরি হয়েছে জঙ্গলে চোরাগোপ্তা শিকারের ঘটনা সামনে আসায়। কুড়চিবনিতে হরিণ মেরে মাংস পাচার করার অভিযোগে একজন গ্ৰেপ্তার হয়েছে। বনকর্মীদের তাড়া খেয়ে পোচারের (চোরাশিকারি) পালানোর ঘটনাও ঘটেছে।
Advertisement
ঝাড়গ্রাম বনবিভাগের এক আধিকারিক বলেন, নয়াগ্ৰাম ব্লকে লোকবসতি কম। জঙ্গলের আয়তন অনো বেশি। এই জঙ্গলে হরিণ ও অন্যান্য বন্য জন্তর বসবাসের পক্ষে উপযুক্ত স্থান। হরিণ ও অন্য বন্য জন্তুর সংখ্যা জঙ্গলে বাড়ছে। তবে সেই সঙ্গে চোরাশিকারিদের গতিবিধিও লক্ষ্য করা যাচ্ছে। জঙ্গলে নজরদারি যেমন বাড়ানো হচ্ছে তেমন হরিণ ও অন্য বন্য জন্তু কত আছে তার সমীক্ষাও করা হয়েছে। খড়্গপুর বন বিভাগের ডিএফও মণীশ যাদব বলেন, হাতির সমীক্ষা যেমন হয়, তেমন হরিণ ও অন্য বন্য জন্তুর সমীক্ষাও করা হয়। নয়াগ্ৰামের জঙ্গলে হরিণ ও বন্য জন্তুর সংখ্যা কত আছে তার সমীক্ষা চলছে। প্রথম স্তরের সমীক্ষা হয়েছে। রিপোর্ট হাতে পেলে সার্বিক পরিসংখ্যান পাওয়া যাবে।



