২০০ পর্ব পেরিয়ে গেল জি বাংলার ধারাবাহিক ‘কমলা নিবাস’। মুখ্য ভূমিকায় রয়েছেন দেবশংকর হালদার এবং সোহিনী সেনগুপ্ত। টেলিভিশনে ধারাবাহিকের স্থায়িত্ব এখন অনিশ্চিত। সেখানে ‘কমলা নিবাস’ অবশ্যই ব্যতিক্রম। এর কারণ কী? সোহিনী মনে করেন, ‘কেউ বোকা নয়। বিশেষত বাঙালি দর্শককে হেয় করার কোনো কারণই নেই। এখনও তাদের মধ্যে সাংস্কৃতিক চর্চা দৃঢ়ভাবে রয়েছে। তাই ভালো কনটেন্ট দর্শক দেখবেনই।’ মধ্যবিত্ত বাঙালির গল্প। তাঁরা এই ধারাবাহিকের সঙ্গে কানেক্ট করতে পারছেন। সর্বোপরি প্রত্যেকেই কাজটা এনজয় করছেন। সোহিনীর কথায়, ‘যে কোনো কাজ আমি শুরু করলে শেষ করি। সে নাটক হোক, ছবি বা ধারাবাহিক। এখানে যেভাবে আমার সংলাপ লেখা হচ্ছে, গল্প যেভাবে এগচ্ছে, এক একটা দৃশ্য যেভাবে তৈরি হচ্ছে সবটাই খুব সুন্দর। পরিচালক রাজেনদার কৃতিত্ব অনেকখানি। এছাড়া আমার সহকর্মীদের কথাও বলব। প্রত্যেকে আনন্দ করে কাজটা করছেন। সেটা দর্শকের ভালো লাগছে বলে আমার বিশ্বাস। অনেকেরই টেলিভিশন নিয়ে নেতিবাচক ধারণা রয়েছে দেখেছি। কিন্তু আমার বরাবর টেলিভিশনে কাজ করে ভালো লেগেছে।’ বাঙালিয়ানায় মোড়া কাহিনি, অভিনয়ের মুন্সিয়ানা এই ধারাবাহিকের সাফল্যের মূল মন্ত্র বলে বিশ্বাস নির্মাতাদের।



