Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬

শবরীমালা মন্দিরে মহিলাদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার পক্ষে সওয়াল নয়াদিল্লির

কেরল বিধানসভা ভোটের আগে শবরীমালা মন্দিরে মহিলাদের প্রবেশাধিকার মামলায় সুপ্রিম কোর্টে লিখিত বক্তব্য জমা দিল কেন্দ্র

শবরীমালা মন্দিরে মহিলাদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার পক্ষে সওয়াল নয়াদিল্লির
  • ৮ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: কেরল বিধানসভা ভোটের আগে শবরীমালা মন্দিরে মহিলাদের প্রবেশাধিকার মামলায় সুপ্রিম কোর্টে লিখিত বক্তব্য জমা দিল কেন্দ্র। সেখানে বলা হয়েছে,  মন্দিরে ১০-৫০ বছরের মহিলাদের প্রবেশে বাধার কারণ ‘লিঙ্গবৈষম্য’ নয়। মন্দিরের প্রচলিত ধর্মীয় রীতিনীতি, প্রথাই এই বিধিনিষেধের মূল কারণ। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট ধর্মের আস্থা ও  নিজস্ব নিয়মের অন্তর্গত। এখানে আদালতের হস্তক্ষেপের জায়গা নেই। ২০১৮ সালে সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ সদস্যের বেঞ্চ মহিলাদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে রায় দেয়। সেই রায় পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে পঞ্চাশটিরও বেশি মামলা দায়ের হয়েছিল শীর্ষ আদালতে। প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তর নেতৃত্বাধীন ৯ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চে মঙ্গলবার থেকে শুরু হল সেগুলির চূড়ান্ত শুনানি।  মামলার শুনানিতে বেঞ্চের একমাত্র মহিলা সদস্য বিচারপতি নাগরত্না তাঁর পর্যবেক্ষণে বলেন, কোনো নারী  মাসে তিন দিন অস্পৃশ্য থাকবে, আবার চতুর্থ দিনে তা থাকবে না—এমনটা হতে পারে না’। কেন্দ্রের পক্ষে সলিসিটার জেনারেল তুষার মেহতা এদিন মন্দিরে মহিলাদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার পক্ষে সওয়াল করেন। কেন্দ্র জানিয়েছে, শবরীমালার আরাধ্য দেবতা আয়াপ্পা ‘নিষ্ঠাবান ব্রহ্মচারী’। সেখানে মহিলাদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞার কারণ অশুদ্ধতা বা নিকৃষ্টতা নয়। তিনি বলেন, ‘মহিলাদের প্রবেশে অধিকার দেওয়া হলে ধর্মীয়স্থানের রীতিনীতি বদলে দেবে। ফলে সংবিধান প্রদত্ত ধর্মীয় বহুত্ববাদের ধারণাই বিপন্ন হয়ে পড়বে। কয়েকশো বছর ধরে পুণ্যার্থীরা শবরীমালার দেবতা আয়াপ্পাকে ওই প্রচলিত রীতিনীতি মেনেই পুজো করেছেন।’  মামলায় নিজেদের অবস্থানের কথা জানিয়েছে কেরলের বাম সরকারও। আদালতের নির্দেশে জমা দেওয়া হলফনামায় তারা জানিয়েছে, ‘কোনো ধর্মীয় প্রথার বিচারবিভাগীয় পর্যালোচনার ক্ষেত্রে সেই ধর্মের ধর্মগুরুদের ও সমাজ সংস্কারকদের সঙ্গে আলোচনা হওয়া উচিত।’

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ