নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: দলের বিধায়কদের টেক্কা দিলেন নদীয়া জেলার তৃণমূল কংগ্রেসের দুই বর্ষীয়ান বিধায়ক। তহবিলের টাকা খরচ এবং প্রস্তাবিত প্রকল্পের নিরিখে নাকাশিপাড়ার বিধায়ক কল্লোল খাঁ এবং কৃষ্ণনগর দক্ষিণের বিধায়ক উজ্জ্বল বিশ্বাস বাকিদের পিছনে ফেলে দিয়েছেন। তবে নদীয়া জেলার ১৭ বিধায়কের সামগ্রিক পারফরম্যান্সের বিচারে অনেকটাই এগিয়ে রয়েছেন পদ্ম শিবিরের জনপ্রতিনিধিরা। অন্যদিকে তৃণমূলের বিধায়কের সংখ্যা বেশি হলেও তহবিলের টাকা তাঁরা ঠিকমতো খরচ করে উঠতে পারেননি। বিধানসভা নির্বাচনের আগে যা কিছুটা হলেও অস্বস্তিতে ফেলছে শাসকদলকে।
Advertisement
উল্লেখ্য, বছর ঘুরলেই বিধানসভা নির্বাচন। তাই ২০২৫ সালটা সমস্ত জনপ্রতিনিধিদের কাছে অ্যাসিড টেস্টের মতো। বিধায়কদের সমস্ত কিছুই আতসকাচের তলায় রেখেছে শীর্ষ নেতৃত্ব। নদীয়া জেলায় এই মূহূর্তে তৃণমূলের বিধায়কের রয়েছেন ১০ জন এবং বিজেপির বিধায়ক রয়েছেন ৭ জন। দেখা যাচ্ছে, তৃণমূল বিধায়কদের ৩৫৮টি প্রকল্পের কাজ হয়েছে এবং তহবিলে অর্থ পড়ে রয়েছে ২ কোটি ৭৮ লক্ষ টাকা। অন্যদিকে বিজেপি বিধায়কদের ৪০৩টি প্রকল্পের কাজ হয়েছে এবং তহবিলে পড়ে রয়েছে মাত্র ৮১ লক্ষ টাকা।
নাকাশিপাড়ার এবং কৃষ্ণনগর দক্ষিণের বর্ষীয়ান তৃণমূল বিধায়ক কল্লোল খাঁ এবং উজ্জ্বল বিশ্বাস ২০২১ সাল থেকে এখনও পর্যন্ত ১ কোটি ৫৫ লক্ষ টাকা পেয়েছেন। নাকাশিপাড়ার বিধায়কের ৪৭টি প্রকল্পের জন্য তহবিল থেকে ১ কোটি ৫৪ লক্ষ ৪২ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। তিনি বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদর্শকে সামনে রেখে উন্নয়নমূলক কাজ করেছি। বিধানসভার বিভিন্ন জায়গায় আমার তহবিলের অর্থ থেকে কাজ হয়েছে। আগামী দিনে এই উন্নয়নের ধারা অব্যহত থাকবে।’ কৃষ্ণনগর দক্ষিণের বিধায়ক তাঁর ৫২টি প্রকল্পের জন্য ১ কোটি ৪৯ লক্ষ ৯৪ হাজার টাকা খরচ করেছেন। বর্তমানে তাঁর তহবিলে মাত্র ৫ লক্ষ টাকা পড়ে আছে।
তৃণমূলের বাকি বিধায়কদের ক্ষেত্রে সেই ছবিটা অনেকটাই আলাদা। তহবিলে বিপুল টাকা পড়ে থাকার পাশাপাশি সময়মতো টাকা খরচ করতে না পারায় অনেকে নতুন করে আর টাকা পাননি। জানা গিয়েছে, তেহট্টের বিধায়ক তাপসকুমার সাহার তহবিলে ৬৩ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা, কালীগঞ্জের বিধায়ক নাসিরউদ্দিন আহমেদের তহবিলে ৬৩ লক্ষ ৯৮ হাজার টাকা, চাপড়ার বিধায়ক রুকবানুর রহমানের তহবিলে প্রায় ৬০ লক্ষ টাকা পড়ে আছে। বিশেষ করে পলাশীপাড়া বিধানসভার বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্য এখনও পর্যন্ত মাত্র ৯০ লক্ষ টাকাই পেয়েছেন। মাত্র সাতটি প্রকল্পে তাঁর খরচ হয়েছে মাত্র ২৯ লক্ষ টাকা। অর্থাৎ তহবিলে পড়ে থাকা অর্থের পরিমাণ ৬১ লক্ষ ৭৩ হাজার। যদিও এর পিছনে অন্যতম কারণ, তিনি নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগে দীর্ঘ সময় জেলে ছিলেন। তিনি বলেন, ‘গতকাল আমি ওয়েবসাইট দেখেছি। সেখানে কত টাকার প্রকল্প দেওয়া যাবে তা জেনেছি। জরুরিভিত্তিতে আমার বিধানসভার করণীয় কাজ করব। সেইমতো সেই প্রকল্প প্রশাসনের কাছে জমা করব।’
অন্যদিকে, বিজেপি বিধায়কদের তহবিলে পড়ে থাকা অর্থের পরিমাণ অনেকটাই কম। যেমন, রানাঘাট উত্তর পশ্চিমের বিধায়ক তথা নদীয়া দক্ষিণের বিজেপির জেলা সভাপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়ের তহবিলে ৬ লক্ষ ৪১ হাজার, কৃষ্ণগঞ্জের বিধায়ক আশিষকুমার বিশ্বাসের তহবিলে ১ লক্ষ ৩৪ হাজার, রানাঘাট উত্তর পূর্বের বিধায়ক অসীম বিশ্বাসের তহবিলে ৩ লক্ষ ৭৪ হাজার, হরিণঘাটার বিধায়কের অসীমকুমার সরকারের তহবিলে ৪ লক্ষ টাকা পড়ে আছে। দক্ষিণ বিজেপির জেলা সভাপতি বলেন, ‘আমরা সব টাকাই সময়মতো খরচ করছি। কিন্তু রাজ্য সরকার তারপরেও টাকা পাঠাতে গড়িমসি করছে। যার জন্য আমাদের অনেক কাজ আটকে থাকছে।’
নাকাশিপাড়ার এবং কৃষ্ণনগর দক্ষিণের বর্ষীয়ান তৃণমূল বিধায়ক কল্লোল খাঁ এবং উজ্জ্বল বিশ্বাস ২০২১ সাল থেকে এখনও পর্যন্ত ১ কোটি ৫৫ লক্ষ টাকা পেয়েছেন। নাকাশিপাড়ার বিধায়কের ৪৭টি প্রকল্পের জন্য তহবিল থেকে ১ কোটি ৫৪ লক্ষ ৪২ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। তিনি বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদর্শকে সামনে রেখে উন্নয়নমূলক কাজ করেছি। বিধানসভার বিভিন্ন জায়গায় আমার তহবিলের অর্থ থেকে কাজ হয়েছে। আগামী দিনে এই উন্নয়নের ধারা অব্যহত থাকবে।’ কৃষ্ণনগর দক্ষিণের বিধায়ক তাঁর ৫২টি প্রকল্পের জন্য ১ কোটি ৪৯ লক্ষ ৯৪ হাজার টাকা খরচ করেছেন। বর্তমানে তাঁর তহবিলে মাত্র ৫ লক্ষ টাকা পড়ে আছে।
তৃণমূলের বাকি বিধায়কদের ক্ষেত্রে সেই ছবিটা অনেকটাই আলাদা। তহবিলে বিপুল টাকা পড়ে থাকার পাশাপাশি সময়মতো টাকা খরচ করতে না পারায় অনেকে নতুন করে আর টাকা পাননি। জানা গিয়েছে, তেহট্টের বিধায়ক তাপসকুমার সাহার তহবিলে ৬৩ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকা, কালীগঞ্জের বিধায়ক নাসিরউদ্দিন আহমেদের তহবিলে ৬৩ লক্ষ ৯৮ হাজার টাকা, চাপড়ার বিধায়ক রুকবানুর রহমানের তহবিলে প্রায় ৬০ লক্ষ টাকা পড়ে আছে। বিশেষ করে পলাশীপাড়া বিধানসভার বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্য এখনও পর্যন্ত মাত্র ৯০ লক্ষ টাকাই পেয়েছেন। মাত্র সাতটি প্রকল্পে তাঁর খরচ হয়েছে মাত্র ২৯ লক্ষ টাকা। অর্থাৎ তহবিলে পড়ে থাকা অর্থের পরিমাণ ৬১ লক্ষ ৭৩ হাজার। যদিও এর পিছনে অন্যতম কারণ, তিনি নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগে দীর্ঘ সময় জেলে ছিলেন। তিনি বলেন, ‘গতকাল আমি ওয়েবসাইট দেখেছি। সেখানে কত টাকার প্রকল্প দেওয়া যাবে তা জেনেছি। জরুরিভিত্তিতে আমার বিধানসভার করণীয় কাজ করব। সেইমতো সেই প্রকল্প প্রশাসনের কাছে জমা করব।’
অন্যদিকে, বিজেপি বিধায়কদের তহবিলে পড়ে থাকা অর্থের পরিমাণ অনেকটাই কম। যেমন, রানাঘাট উত্তর পশ্চিমের বিধায়ক তথা নদীয়া দক্ষিণের বিজেপির জেলা সভাপতি পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়ের তহবিলে ৬ লক্ষ ৪১ হাজার, কৃষ্ণগঞ্জের বিধায়ক আশিষকুমার বিশ্বাসের তহবিলে ১ লক্ষ ৩৪ হাজার, রানাঘাট উত্তর পূর্বের বিধায়ক অসীম বিশ্বাসের তহবিলে ৩ লক্ষ ৭৪ হাজার, হরিণঘাটার বিধায়কের অসীমকুমার সরকারের তহবিলে ৪ লক্ষ টাকা পড়ে আছে। দক্ষিণ বিজেপির জেলা সভাপতি বলেন, ‘আমরা সব টাকাই সময়মতো খরচ করছি। কিন্তু রাজ্য সরকার তারপরেও টাকা পাঠাতে গড়িমসি করছে। যার জন্য আমাদের অনেক কাজ আটকে থাকছে।’



