নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: বাংলার ছ’টি বিধানসভা আসনে উপনির্বাচনে ভরাডুবি হয়েছে বিজেপির। আর মাত্র দেড় বছরের মাথায় বিধানসভা নির্বাচন। ফলে উপনির্বাচনে বিপর্যয়কে মোটেও হাল্কাভাবে নিচ্ছে না দল। তাই উপ নির্বাচনের ফল ঘোষণার দু’দিনের মাথায় এই ইস্যুতে প্রাথমিক মূল্যায়ন রিপোর্ট জমা পড়েছে বিজেপির কেন্দ্রীয় পার্টির কাছে। তাতে বলা হয়েছে যে, প্রতিটি ক্ষেত্রেই বঙ্গ বিজেপির একেবারে নিচুতলার নেতা, কর্মীদের একটি বড় অংশ সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছিলেন। দলের তৃণমূল স্তরের নেতা-কর্মী এবং সমর্থকদের এহেন ক্ষোভ-অসন্তোষকে বুঝতেই পারেনি বাংলার বিজেপি নেতৃত্ব। প্রত্যাশিত কারণেই এর প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়েছে রাজ্যের উপনির্বাচনগুলিতে।
Advertisement
শনিবার রাজ্যের উপনির্বাচনী ফল প্রকাশ পেতেই বঙ্গ বিজেপির কাছে রিপোর্ট তলব করেছিলেন ক্ষুব্ধ নাড্ডা। সাফ জানিয়েছিলেন, অজুহাত না দিয়ে সঠিক কারণ ব্যাখ্যা করতে হবে নেতৃত্বকে। এরপরেই দলীয় মূল্যায়নের যে প্রাথমিক রিপোর্ট জমা পড়েছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে। নেতৃত্বের চিন্তা বাড়াচ্ছে দলের অন্তর্দ্বন্দ্বও। এই উপনির্বাচনে বিশেষ করে মাদারিহাট বিধানসভা বিজেপির হাতছাড়া হওয়ায় আলিপুরদুয়ারের সাংসদ মনোজ টিগ্গাকে সম্প্রতি তুলোধোনা করেছেন ওই লোকসভা কেন্দ্রের প্রাক্তন এমপি জন বারলা।
বিজেপির অন্দরের খবর, বারলার দলত্যাগ সময়ের অপেক্ষা। সোমবার দিল্লিতে মনোজবাবু বলেছেন, জন বারলা বিজেপিতে এসেছেন, টিকিট পেয়েছেন, জিতেছেন। হয়তো তাঁর ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে টিকিট না পাওয়ার কোনও হতাশা, দুঃখ আছে। কিন্তু আমরা ছোটবেলা থেকেই বিজেপিতে আছি। ভবিষ্যতেও থাকব।
বিজেপির অন্দরের খবর, বারলার দলত্যাগ সময়ের অপেক্ষা। সোমবার দিল্লিতে মনোজবাবু বলেছেন, জন বারলা বিজেপিতে এসেছেন, টিকিট পেয়েছেন, জিতেছেন। হয়তো তাঁর ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে টিকিট না পাওয়ার কোনও হতাশা, দুঃখ আছে। কিন্তু আমরা ছোটবেলা থেকেই বিজেপিতে আছি। ভবিষ্যতেও থাকব।



