মুম্বই: মহারাষ্ট্রে বিধানসভা নির্বাচন পর্ব মেটার পর ২৪ ঘণ্টাও কাটেনি। তারমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী পদ প্রার্থী নিয়ে সংঘাতে জড়াল বিরোধী মহাবিকাশ আঘাড়ি (এমভিএ)-র দুই শরিক কংগ্রেস ও শিবসেনা (ইউবিটি)। বুধবার ভোটগ্রহণের পর বিভিন্ন এক্সিট পোলে বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোটকে এগিয়ে রাখা হয়েছে। সেই পূর্বাভাস উড়িয়ে বিরোধী জোটের দাবি, সরকার গড়বে তারাই। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, তা নিয়ে ফল প্রকাশের আগেই জোটের অন্দরের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে চলে এসেছে। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি নানা পাটোলে জানিয়েছেন, বিজেপি জোট নয়, মহারাষ্ট্রের সরকার গড়বে এমভিএ। সেই সরকারের নেতৃত্ব দেবে কংগ্রেস। অর্থাৎ, হাত শিবির থেকেই মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হবেন। এনিয়ে জবাব দিতে দেরি করেননি উদ্ধব থ্যাকারের দলের নেতা সঞ্জয় রাউত। কংগ্রেস নেতার বক্তব্য উড়িয়ে তাঁর দাবি, ‘মুখ্যমন্ত্রীর পদে কে বসবেন, তা নিয়ে জোটে কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। শরিক দলগুলির শীর্ষ নেতারা বৈঠকে বসে এব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন।’ সেইসঙ্গে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে রাউত বলেছেন, ‘কংগ্রেস যদি পাটোলেকে মুখ্যমন্ত্রী করবে বলে ঠিক করে, তাহলে রাহুল-প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়্গে প্রকাশ্যে তা ঘোষণা করুন।’ বুধবার ভোটের পর কয়েকটি বুথফেরত সমীক্ষায় মহারাষ্ট্রে মহাযুতিকে এগিয়ে রাখা হলেও সেই পূর্বাভাস স্বস্তি দিতে পারছে না বিজেপিকে। বিরোধী শিবিরও এধরনের ফলের ইঙ্গিতকে সরাসরি নস্যাৎ করে দিয়েছে। শিবসেনার রাজ্যসভা সাংসদ রাউত সরাসরি সমীক্ষার হিসেবকে ‘জালিয়াতি’ বলে তোপ দেগেছেন। এব্যাপারে লোকসভা নির্বাচন, হরিয়ানা বিধানসভা ভোটের এক্সিট পোলের প্রসঙ্গ টেনে এনেছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, ‘এক্সিট পোলের নামে আমাদের দেশে জালিয়াতি চলছে। লোকসভার পর ‘৪০০ পারের’ পূর্বাভাস দেখেছিলাম। এক্সিট পোলে হরিয়ানায় কংগ্রেসকে ৬০টি আসন দেওয়া হয়েছিল। প্রকৃত ফল কী হয়েছিল আমরা জানি। এখন মহারাষ্ট্রের জন্যও বিভিন্ন পরিসংখ্যান দেওয়া হচ্ছে। সেগুলি বিশ্বাস করার দরকার নেই। ১৬০টি আসনে জিতছি। মহাবিকাশ আঘাড়ি সরকার গড়বে। ’



