ফিরদৌস হাসান, শ্রীনগর: একই জিপে চেপে যাচ্ছিলেন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের দিকে। মাঝ পথে বচসা। তারপরই একে-৪৭ রাইফেল থেকে সহকর্মীকে গুলি করে আত্মঘাতী হলেন জম্মু ও কাশ্মীর পুলিসের এক হেড কনস্টেবল। নাম মালিক। তাঁর গুলিতে মৃত্যু হয়েছে সহকর্মী তথা গাড়ির চালক কনস্টেবল মনজিত সিংয়েরও। তবে প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন জিপে থাকা হরমিত সিং নামে তৃতীয় এক পুলিসকর্মী। জম্মু ও কাশ্মীরের উধমপুরের এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কী কারণে মালিক এমন কাণ্ড ঘটালেন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। জোড়া মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে হরমিতকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পুলিস সূত্রে খবর, রবিবার সকালে সরকারি গাড়িতে বারামুল্লার সোপোর থেকে রিয়াসির তালওয়াড়ার প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে যাচ্ছিলেন তিন পুলিসকর্মী। গাড়ি চালাচ্ছিলেন মনজিত। উধমপুরের রেহেমবাল থানা এলাকার কালীমাতা মন্দিরের সামনে বচসায় জড়ান মনজিত ও মালিক। তারপরই গাড়ির চালককে লক্ষ্য করে একে-৪৭ রাইফেল থেকে গুলি চালান হেড কনস্টেবল। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় মনজিতের। পরে ওই বন্দুক থেকে গুলি চালিয়ে আত্মঘাতী হন মালিকও। কোনওমতে সেখান থেকে প্রাণ বাঁচিয়ে বেরতে সক্ষম হন হরমিত।
Advertisement
উধমপুরের সিনিয়র পুলিস সুপার (এসএসপি) আমোদ অশোক নাগপুরে জানিয়েছেন, অভিযুক্ত হেড কনস্টেবল নিজের সার্ভিস রাইফেল থেকেই গুলি চালিয়েছিলেন। মৃত দু’জনেই সাপোরে কর্মরত ছিলেন এবং কাশ্মীরের বাসিন্দা। স্থানীয় এক ব্যক্তি জানিয়েছেন, এদিন সকালে উধমপুরের কালীমাতা মন্দিরের সামনে একটি পুলিসের জিপ দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। ভিতরে উঁকি দিতেই দুই পুলিসকর্মীর গুলিবিদ্ধ দেহ নজরে আসে। সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় থানাকে জানানো হয়।



