সংবাদদাতা, নবদ্বীপ: দৃষ্টি নেই। কিন্তু তাই বলে থেমে থাকতে রাজি নয় ওরা। হাতের স্পর্শে ৬৪ খোপের যুদ্ধে হাতি ঘোড়া, নৌকা, বোড়ে নিয়ে বিপক্ষের রাজাকে মাত দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে নবদ্বীপ এপিসি ব্লাইন্ড স্কুলের একদল ছাত্রছাত্রী। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা ওই দৃষ্টিহীন পড়ুয়াদের নিয়ে দাবা প্রশিক্ষণ শিবির শুরু হয়েছে। এবার থেকে প্রতি সপ্তাহে দু’দিন করে এই শিবির চলবে। উদ্যোগী নদীয়া জেলা দাবা সংস্থা। বাংলার প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার দিব্যেন্দু বড়ুয়ার নির্দেশিত পথে প্রায় ৪০জন দৃষ্টিহীন ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে এই দাবা প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। ওই স্কুলে গিয়ে প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন ন্যাশনাল ইনস্ট্রাক্টর তুষার চট্টোপাধ্যায়।
Advertisement
বিশ্ব ব্রেইল দিবসে কলকাতায় সারা বাংলা দৃষ্টিহীনদের দাবা প্রতিযোগিতায় এই স্কুলের পড়ুয়ারা অংশ নিয়েছিল। সেই প্রতিযোগিতার দু’টি বিভাগে স্কুলের চারজন ছাত্র সাফল্য পায়। একজন প্রথম, দু’জন যুগ্মভাবে দ্বিতীয় ও একজন তৃতীয় স্থান অধিকার করে। এপিসি ব্লাইন্ড স্কুলের সপ্তম শ্রেণির ছাত্র সঞ্জু বিশ্বাস ও ষষ্ঠ শ্রেণির পড়ুয়া হিরণ বিশ্বাস বলল, আমাদের সাফল্য ধরে রাখতে এরকম শিবির দরকার ছিল। এবার থেকে প্রতি সপ্তাহে শিবির হবে জেনে আমরা খুশি।
নদীয়া জেলা দাবা সংস্থার সম্পাদক তুষার চট্টোপাধ্যায় বলেন, এপিসি ব্লাইন্ড স্কুলের পড়ুয়ারা বেশ কয়েকবছর ধরে রাজ্য তথা জাতীয় স্তরেও অনেক পুরস্কার নিয়ে এসেছে। আগামী দিনে এখান থেকে আরও নতুন প্রতিভাবান খেলোয়াড় তুলে আনাই আমাদের মূল লক্ষ্য।
ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক বাসুদেব চট্টোপাধ্যায় বলেন, এই প্রশিক্ষণ শিবির আমার পড়ুয়াদের আরও ভালো পারফর্ম করার সুযোগ এনে দিয়েছে। ওরা খুব খুশি হয়েছে।
সারা বাংলা দাবা সংস্থার সভাপতি গ্র্যান্ডমাস্টার দিব্যেন্দু বড়ুয়া বলেন, আমরা দাবা খেলাকে সব জায়গায় ছড়িয়ে দিতে চাইছি। দৃষ্টিহীন ও অন্য বিশেষভাবে সক্ষমরাও যাতে দাবা খেলতে পারে, তার জন্য চেষ্টা চলছে। তুষারবাবু এই খেলাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। আমরা তাঁর সঙ্গে রয়েছি। দৃষ্টিহীন পড়ুয়াদের জন্য কোচিংয়ের পাশাপাশি টুর্নামেন্ট করার পরিকল্পনা রয়েছে। যত বেশি টুর্নামেন্ট করা যাবে, তত বেশি ওরা দাবা খেলতে উৎসাহিত হবে।
নদীয়া জেলা দাবা সংস্থার সম্পাদক তুষার চট্টোপাধ্যায় বলেন, এপিসি ব্লাইন্ড স্কুলের পড়ুয়ারা বেশ কয়েকবছর ধরে রাজ্য তথা জাতীয় স্তরেও অনেক পুরস্কার নিয়ে এসেছে। আগামী দিনে এখান থেকে আরও নতুন প্রতিভাবান খেলোয়াড় তুলে আনাই আমাদের মূল লক্ষ্য।
ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক বাসুদেব চট্টোপাধ্যায় বলেন, এই প্রশিক্ষণ শিবির আমার পড়ুয়াদের আরও ভালো পারফর্ম করার সুযোগ এনে দিয়েছে। ওরা খুব খুশি হয়েছে।
সারা বাংলা দাবা সংস্থার সভাপতি গ্র্যান্ডমাস্টার দিব্যেন্দু বড়ুয়া বলেন, আমরা দাবা খেলাকে সব জায়গায় ছড়িয়ে দিতে চাইছি। দৃষ্টিহীন ও অন্য বিশেষভাবে সক্ষমরাও যাতে দাবা খেলতে পারে, তার জন্য চেষ্টা চলছে। তুষারবাবু এই খেলাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। আমরা তাঁর সঙ্গে রয়েছি। দৃষ্টিহীন পড়ুয়াদের জন্য কোচিংয়ের পাশাপাশি টুর্নামেন্ট করার পরিকল্পনা রয়েছে। যত বেশি টুর্নামেন্ট করা যাবে, তত বেশি ওরা দাবা খেলতে উৎসাহিত হবে।



