Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬

দেশজুড়ে অভিযান, ধৃত ১২ সন্দেহভাজন সন্ত্রাসী, আল কায়েদা-আইএস যোগ!

দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা জঙ্গিদের বড়সড় মডিউল ভেঙে দিল অন্ধ্রপ্রদেশ পুলিশ। এই মডিউলের সঙ্গে আইএস, আল কায়েদার মতো বিদেশি সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের যোগ রয়েছে বলে সন্দেহ।

দেশজুড়ে অভিযান, ধৃত ১২ সন্দেহভাজন সন্ত্রাসী, আল কায়েদা-আইএস যোগ!
  • ৭ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

অমরাবতী: দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা জঙ্গিদের বড়সড় মডিউল ভেঙে দিল অন্ধ্রপ্রদেশ পুলিশ। এই মডিউলের সঙ্গে আইএস, আল কায়েদার মতো বিদেশি সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের যোগ রয়েছে বলে সন্দেহ। গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, মডিউলটি মূলত ভারতের যুব সমাজকে জঙ্গি সংগঠনে যোগ দেওয়ার জন্য উৎসাহ দিত। শুধু তাই নয়, মহিলাদের জন্য ‘খাওয়াতিন’ নামে একটি পৃথক শাখা তৈরির পরিকল্পনা ছিল। ইতিমধ্যে অভিযান চালিয়ে দিল্লি, মহারাষ্ট্র, তেলেঙ্গানা, রাজস্থান, কর্ণাটক ও পশ্চিমবঙ্গে অভিযান চালিয়ে এই মডিউলের অন্তত ১২ জন সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করেছে অন্ধ্রপ্রদেশ পুলিশ। 

Advertisement

ধৃত মূল অভিযুক্ত রহমতুল্লা শরিফ ও তার সহযোগীরা অনলাইনে জেহাদি প্রচার চালিয়ে ভারতের যুব সমাজকে টার্গেট করেছিল। তরুণদের ওসামা বিন লাদেন, জাকির নায়েক, আনোয়ার আল আললাকি মতো চরমপন্থীদের বক্তৃতার ভিডিয়ো দেখিয়ে মগজধোলাই করা হত। তদন্তে উঠেছে এসেছে পাকিস্তান, আফগানিস্তান, সিরিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি ও বাংলাদেশে থাকা হ্যান্ডলারদের সঙ্গে যোগ রাখতে অন্তত ৪০টি সোশ্যাল মিডিয়ার অ্যকাউন্ট ব্যবহার করত মডিউলের সদস্যরা। তাদের উদ্দেশ্য ছিল ভারতে একটি ‘ইসলামিক স্টেট’ প্রতিষ্ঠা করা। আল হাকিম শুকুর, মহম্মদ হুজাইফা, নিনজা, আবু মহারিবের মতো বিদেশি হ্যান্ডলাররা সংগঠনের নতুন সদস্যদের অস্ত্র প্রশিক্ষণ, স্নাইপার রাইফেলের ব্যবহার ও অস্ত্র সরবরাহের আশ্বাস দিয়েছিল। পুলিশ আরও জানিয়েছে, জঙ্গিদের এই চক্রটির ভারতে সাইবার হানারও ছক ছিল। সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ওয়েবসাইটে হানা দিতে তৎপরতা চালাচ্ছিল তারা। মডিউলের অর্থের উৎস সম্বন্ধে খোঁজখবর চলছে। পাশাপাশি মিরাটেও পাকিস্তানি জঙ্গিযোগের আরও একটি চক্রের পর্দাফাঁস করল উত্তরপ্রদেশ পুলিশের সন্ত্রাসদমন শাখা (এটিএস)। এই চক্রের মূলচক্রী শাকিব। তার সঙ্গে পাক জঙ্গিদের সরাসরি যোগাযোগ পেয়েছেন গোয়েন্দারা। এছাড়া গোয়েন্দা ও পুলিশের চোখ ফাঁকি দিতে হিন্দু যুবকদের ব্যবহার করা হত। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, পাকিস্তান থেকে শাকিবকে হিন্দু যুবকদের সংগঠনে নিয়োগ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সেইমতো অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে বিকাশ ও লোকেশ নামে দুই যুবককে দলে টেনেছিল শাকিব। চক্রের কাজকর্ম নিয়ে গোপনীয়তা বজায় রাখতে বিকাশকে ‘সালিম’ ও লোকেশকে ‘জাহিদ’ নাম দেওয়া হয়। এদিকে মুম্বই থেকেও দুই জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করেছেন দিল্লি পুলিশ ও মহারাষ্ট্র এটিএস। ধৃতরা রিমোট চালিত খেলনা গাড়ি ব্যবহার করে বিস্ফোরণের ছক কষেছিল বলে গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন। 

সম্পর্কিত সংবাদ