Bartaman Logo
২৪ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

আন্তর্জাতিক স্তরের বিজ্ঞানী, প্রযুক্তিবিদদের বাংলায় আনতে বিশেষ তহবিল গড়ছে নবান্ন

নবান্ন বিশ্বমানের বিজ্ঞানী ও প্রযুক্তিবিদদের বাংলায় আনতে বিশেষ তহবিল গড়ছে। ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ, বিস্তারিত পড়ুন।

আন্তর্জাতিক স্তরের বিজ্ঞানী, প্রযুক্তিবিদদের বাংলায় আনতে বিশেষ তহবিল গড়ছে নবান্ন
  • ২৪ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যের প্রযুক্তি ও গবেষণা ক্ষেত্রকে আরও শক্তিশালী করতে বড় পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে গঠিত হতে চলেছে ‘চিফ মিনিস্টারস সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি ট্যালেন্ট অ্যাট্রাকশন ফান্ড’। এই বিশেষ তহবিলের লক্ষ্য, বিশ্বমানের বিজ্ঞানী ও প্রযুক্তিবিদদের বাংলায় এনে রাজ্যের প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবনের পরিবেশকে আরও শক্তিশালী করে তোলা। এই প্রকল্পে চলতি অর্থবর্ষে প্রাথমিকভাবে ৫০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। প্রশাসনিক মহলের মতে, এই তহবিলের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক স্তরের গবেষক, প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ ও উদ্ভাবকদের রাজ্যের বিভিন্ন খ্যাতনামা শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত করা হবে। এর ফলে বিশিষ্ট বাঙালি বিজ্ঞানী-গবেষকদের ঘরে ফেরার সুযোগ তৈরি হতে পারে বলেও মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। 

Advertisement

এই প্রকল্পে সুযোগ পেতে গেলে আবেদনকারীদের আন্তর্জাতিক স্বীকৃত গবেষণা বা প্রযুক্তিগত সাফল্যের প্রমাণ থাকতে হবে। পাশাপাশি তাঁদের বাংলার কোনো নামী প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণাগার বা প্রযুক্তি কেন্দ্রের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ থাকতে হবে। শুধু তাই নয়, আবেদনকারীদের ডিপ টেক স্টার্টআপ গড়ে তোলা বা তাতে সহযোগিতা করার মানসিকতা থাকাও আবশ্যিক। এই উদ্যোগের ফলে বাংলায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), সেমিকন্ডাক্টর, রোবোটিক্স, বায়োটেকনোলজি, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং-এর মতো উন্নত প্রযুক্তির গবেষণায় গতি আসবে। উন্নত হবে রাজ্যের গবেষণা পরিকাঠামোও। সেই সঙ্গে নতুন প্রজন্মের বিজ্ঞানীদের জন্য আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণের সুযোগ তৈরি হবে, স্টার্টআপ সংস্কৃতির বিকাশ এবং শিল্প ও শিক্ষাক্ষেত্রের মধ্যে সমন্বয় বাড়বে বলেই মত রাজ্যের আধিকারিকদের। প্রশাসনের শীর্ষমহলের দাবি, এই প্রকল্প রাজ্যের ‘ফ্রন্টিয়ার রিসার্চ’ বা অত্যাধুনিক গবেষণার ক্ষেত্রে বাংলার হৃতগৌরব ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করবে। একসময় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি চর্চার পথপ্রদর্শক বাংলা আবারও সেই অবস্থানে ফিরতে পারে বলেই আশা প্রশাসনের। প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে শুধু দেশ নয়, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও বাংলার গবেষণা ও উদ্ভাবনের মানচিত্রে নতুন করে উজ্জ্বল উপস্থিতি তৈরি হবে বাংলার। এটি রাজ্যের অর্থনীতি, কর্মসংস্থান এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিল্প ও উন্নয়নে বড়ো ভূমিকা নিতে পারে বলে আশাবাদী তারা।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ