নয়াদিল্লি: শীত পড়তেই ‘গ্যাস চেম্বার’ হয়ে ওঠে দিল্লি। বছরের পর বছর এটাই চেনা চিত্র। দিল্লির বায়ুদূষণের জন্য দায়ী করা হয় প্রতিবেশী পাঞ্জাব, হরিয়ানা, রাজস্থান, উত্তরপ্রদেশের নাড়া পোড়ানোকেই। সেই দাবির যৌক্তিকতা নিয়ে ফের প্রশ্ন তুলে দিলেন গবেষকরা। সেন্টার ফর সায়েন্স অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট জানিয়েছে, দিল্লির বায়ুদূষণের মাত্র ৮ শতাংশের জন্য দায়ী নাড়া পোড়ানো। অধিকাংশ দূষণের জন্য দায়ী গাড়ির ধোঁয়া। অক্টোবরের মাঝামাঝি থেকে মাঝ নভেম্বর পর্যন্ত দিল্লির বাতাসের উপর পরীক্ষা চালান সিএসই-র গবেষকরা। তা থেকেই উঠে এসেছে এই তথ্য।
Advertisement
যানবাহনের জন্যই যে দিল্লিতে দূষণ বাড়ছে, তা প্রথমবার জানা যায় ২০১৭ সালে। সেবার গবেষকরা জানিয়েছিলেন, দিল্লির বায়দূষণের মাত্র ৩ শতাংশের জন্য দায়ী নাড়া পোড়ানো। সেই রিপোর্টকেই সিলমোহর দিল সেন্টার ফর সায়েন্স অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট। তাতে বলা হয়েছে, জনসংখ্যা বাড়ছে। তাই গাড়ির ব্যবহার বাড়ছে। ফলে বেড়ে চলেছে দূষণ। তবে স্বস্তির খবর, সরকারি কড়াকড়িতে দিল্লির দূষণ মাত্রা পরপর তিনদিন কমেছে। মঙ্গলবার বায়ুদূষণ সূচক ছিল ৪৯৪। সেখানে বুধবার সকালে দূষণমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪২৬। আর সেন্ট্রাল পলিউশন কন্ট্রোল বোর্ড জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় দিল্লির বায়ূদূষণ সূচক কমে দাঁড়িয়েছে ৩৭৯। তাই দূষণ সতর্কতা ‘সিভিয়ার’ থেকে ‘ভেরি পুওর’–এ উন্নীত করা হয়েছে।
তবে বৃহস্পতিবারও ঘন ধোঁয়াশায় ঢাকা ছিল রাজধানী। ফ্লাইটরেডার ২৪ জানিয়েছে, দৃশ্যমানতা কম থাকার জন্য বেশ কয়েকটি উড়ান দেরিতে চলছে। রেল সূত্রে জানানো হয়েছে, বেশ কয়েকটি ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। কয়েকটি ট্রেনের সময় পরিবর্তিত করা হয়েছে বলেও সূত্রের খবর।
তবে বৃহস্পতিবারও ঘন ধোঁয়াশায় ঢাকা ছিল রাজধানী। ফ্লাইটরেডার ২৪ জানিয়েছে, দৃশ্যমানতা কম থাকার জন্য বেশ কয়েকটি উড়ান দেরিতে চলছে। রেল সূত্রে জানানো হয়েছে, বেশ কয়েকটি ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। কয়েকটি ট্রেনের সময় পরিবর্তিত করা হয়েছে বলেও সূত্রের খবর।



