Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

পদ্মশ্রীপ্রাপ্ত কৃষি বিজ্ঞানীর মৃত্যুতে ঘনাচ্ছে রহস্য

পদ্মশ্রীপ্রাপ্ত কৃষিবিজ্ঞানীর মৃত্যু ঘিরে ঘনাচ্ছে রহস্য। গত ৭ মে থেকে খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না ডঃ সুব্বান্না আয়াপ্পনের।

পদ্মশ্রীপ্রাপ্ত কৃষি বিজ্ঞানীর মৃত্যুতে ঘনাচ্ছে রহস্য
  • ১৪ মে, ২০২৫ ১৫:০৫
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: পদ্মশ্রীপ্রাপ্ত কৃষিবিজ্ঞানীর মৃত্যু ঘিরে ঘনাচ্ছে রহস্য। গত ৭ মে থেকে খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না ডঃ সুব্বান্না আয়াপ্পনের। তিনদিন পর, ১০ মে কর্ণাটকের মাণ্ড্য জেলার শ্রীরঙ্গপটনা এলাকায় কাবেরী নদী থেকে তাঁর নিথর দেহ উদ্ধার করে পুলিস। প্রাথমিকভাবে তদন্তকারীদের অনুমান, আত্মহত্যা করেছেন বিজ্ঞানী। যদিও পূর্ণাঙ্গ তদন্ত না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত করে কিছু বলা যাবে না বলেই জানিয়েছে পুলিস। 

Advertisement

৬৯ বছর বয়সি ডঃ সুবান্না আয়াপ্পন ছিলেন ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব এগ্রিকালচারাল রিসার্চের ডিরেক্টর জেনারেল। স্ত্রী ও দুই কন্যাকে নিয়ে থাকতেন মাইসুরুর বিশ্বেশ্বরায় নগরে। গত ৭ মে স্থানীয় থানায় তাঁর নামে নিখোঁজ ডায়েরি করেন পরিজনরা। জানা যায়, ওইদিন মোবাইল বাড়িতে রেখেই স্কুটার নিয়ে বেরিয়ে যান বিজ্ঞানী। পরে স্থানীয় সাঁই আশ্রমের কাছে তাঁর স্কুটারটি উদ্ধার হয়। তারপর শ্রীরঙ্গপটনা থেকে পুলিসের কাছে খবর আসে, কাবেরী নদীতে একটি মৃতদেহ ভাসছে। তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহটি উদ্ধার করেন তদন্তকারীরা। পরে দেহটি শনাক্ত করেন আয়াপ্পানের পরিজনরা। এক পুলিস আধিকারিক জানিয়েছেন, দেহটি একেবারে পচে-গলে গিয়েছিল। তবে শরীরে কোনও আঘাতের চিহ্ন ছিল না। তাঁর কথায়, ‘ঘটনার দিন তিনি মোবাইল ফোন নিয়ে বের হননি। তাই আত্মহত্যার তত্ত্ব একেবারে উড়িয়ে দেওয়াও যাচ্ছে না। তবে, সবদিক খোলা রেখেই তদন্ত চলছে। সেটা শেষ না হওয়া পর্যন্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে আসা ঠিক হবে না।’ আয়াপ্পনকে ভারতের ‘ব্লু রেভল্যুশন’ কারিগর হিসেবে উল্লেখ করা হয়। মাছ চাষের ক্ষেত্রে তাঁর গবেষণা নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছিল। সেই কাজকে সম্মান জানিয়েই ২০২২ সালে তাঁকে পদ্মশ্রী পুরস্কারে সম্মানিত করে কেন্দ্র।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ