Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

আমেদাবাদে পাঠরত যুবকের বাড়ির পাশের গ্রামে রহস্য মৃত্যু, মানবাজারে তদন্তের দাবিতে পথ অবরোধ

শনিবার মানবাজার থানার বাঘডেগা গ্রামে এক যুবকের রহস্যমৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। একটি কুয়ো থেকে সুমন্ত রুহিদাস(২৬) নামে ওই যুবকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে।

আমেদাবাদে পাঠরত যুবকের বাড়ির পাশের গ্রামে রহস্য মৃত্যু, মানবাজারে তদন্তের দাবিতে পথ অবরোধ
  • ১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, মানবাজার: শনিবার মানবাজার থানার বাঘডেগা গ্রামে এক যুবকের রহস্যমৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। একটি কুয়ো থেকে সুমন্ত রুহিদাস(২৬) নামে ওই যুবকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে। তাঁর বাড়ি সেখান থেকে কয়েক কিমি দূরে জামগড়িয়া গ্রামে। কিন্তু, ওই যুবক গুজরাতের আমেদাবাদে পড়াশোনা করছিলেন। তাঁর বাঘডেগা আসার বিষয়ে পরিবারের লোকজনও কিছু জানতেন না। পরিবারের অভিযোগ, তাঁকে ডেকে এনে খুন করা হয়েছে। এদিন তাঁর পরিবারের লোকজন ও স্থানীয়রা পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান। পরে মৃতের স্ত্রীর অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ খুনের মামলা রুজু করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, সুমন্ত আমেদাবাদে ডিপ্লোমা পড়াশোনা করছিলেন। আর তিনমাস পর তাঁর কোর্স সম্পূর্ণ হওয়ার কথা ছিল। এলাকায় শিক্ষিত যুবক হিসাবে পরিচিত ছিলেন। কয়েকবছর আগে তাঁর বিয়ে হয়েছে।

Advertisement

শনিবার সকালে বাঘডেগা গ্রামের লোকজন একটি কুয়োর মধ্যে গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় সুমন্তকে ঝুলতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ উদ্ধার করে মানবাজার গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পুরুলিয়া দেবেন মাহাত মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
মৃতের স্ত্রী পুলিশকে জানিয়েছেন, সুমন্ত টিউশন পড়াতে গিয়ে এক তরুণীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন। সেই সূত্রে তাঁকে ওই গ্রামে ডেকে নিয়ে গিয়ে হেনস্তা করা হয়েছিল। তবে পরে তিনি সেই সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসেন। ওই তরুণীর পরিবার এঘটনায় জড়িত থাকতে পারে।
এঘটনায় অভিযুক্তদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবিতে সুমন্তর পরিবার ও গ্রামবাসীরা গোপালনগর মোড় লাগোয়া মানবাজার-কেন্দা সড়ক অবরোধ করেন। ফলে বেশ কিছুক্ষণ যান চলাচল ব্যাহত হয়। পরে পুলিশ পৌঁছে যথাযথ তদন্তের আশ্বাস দিলে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
মৃতের এক আত্মীয় বলেন, সুমন্তকে ফোন করে ওই গ্রামে ডাকা হয়েছিল। তারপর খুন করে দেহ ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। পুলিশ এটা আত্মহত্যা বলে চালাতে চাইছিল। সেজন্য তারা অভিযোগ নিতেও অস্বীকার করে। সেকারণে আমরা পথ অবরোধ করি। পরে অভিযোগ নেওয়া হয়।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ