নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: দু’সপ্তাহ পরেই ঈদ। রমজান মাসের শেষের দিকে কেনাকাটায় বাড়তি উৎসাহ দেখা যায় নবাবি মুলুকে। শুক্রবার দোল ও শনিবার হোলিতে মুর্শিদাবাদ জেলার সদর শহর বহরমপুরের বেশিরভাগ বাজার বন্ধ ছিল। রবিবার বাজার খুলতেই শুরু হয়েছে কেনাকাটা। বহরমপুর, লালবাগ, ডোমকল, কান্দি, জঙ্গিপুর প্রত্যেকটি মহকুমাবাজারে ভিড় করতে শুরু করেছেন মানুষ। বিশেষ করে বিকেলের পর সন্ধ্যায় বাজারে ভিড় হচ্ছে। শপিং মল থেকে নামী বস্ত্র বিপনিতে এদিন ক্রেতাদের ভিড় দেখা গিয়েছে। চৈত্র মাস পড়ায় বহু দোকানে সেল শুরু হয়ে গিয়েছে। অনেকেই অফারে জামাকাপড় কিনতে আগ্রহ দেখাচ্ছে। বহরমপুরের চুয়াপুরের বাসিন্দা সাবানা খাতুন বলেন, ইফতারের পর কেনাকাটা করতে বেরিয়েছি। রবিবার ছাড়া বাজারে আসার সময় হয় না। এখন কয়েকদিন ভালো ভিড় হবে। তাই সপরিবারে আগাম চলে এলাম। মুর্শিদাবাদ জেলার ঈদের বাজার একটু শেষের দিকেই জমে ওঠে। কারণ এখানে কেনাকাটা অনেকটা পরিযায়ী শ্রমিকদের উপার্জন করা অর্থের উপরই নির্ভর করে। অনেকেই সহজেই অনলাইনে বাড়িতে টাকা পাঠিয়ে দিচ্ছেন। সেই টাকা তুলে ইদের বাজার সারছেন তাঁদের পরিবারের লোকজন। তবে, অনেকেই ভিনরাজ্য থেকে ঈদের আগে বাড়ি ফিরে পরিবারের সঙ্গে একসঙ্গে কেনাকাটা করে। সেজন্য শেষ সপ্তাহে কেনাকাটায় বাড়তি উন্মাদনা দেখা যায়। তবে, আগামী এক সপ্তাহে বহরমপুর থেকে শুরু করে মুর্শিদাবাদ, ডোমকল, লালগোলা, হরিহরপাড়া, জঙ্গিপুর ও কান্দি সর্বত্রই ঈদের বাজার জমে উঠবে বলেই আশাবাদী ব্যবসায়ীরা।



