Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

হোলি কাটিয়ে জমজমাট ঈদের বাজার, দোকানে নতুন কালেকশন ঘিরে কেনাকাটায় ধুম

হোলি কাটিয়ে জমজমাট ঈদের বাজার, দোকানে নতুন কালেকশন ঘিরে কেনাকাটায় ধুম
  • ১৭ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: দু’সপ্তাহ পরেই ঈদ। রমজান মাসের শেষের দিকে কেনাকাটায় বাড়তি উৎসাহ দেখা যায় নবাবি মুলুকে। শুক্রবার দোল ও শনিবার হোলিতে মুর্শিদাবাদ জেলার সদর শহর বহরমপুরের বেশিরভাগ বাজার বন্ধ ছিল। রবিবার বাজার খুলতেই শুরু হয়েছে কেনাকাটা। বহরমপুর, লালবাগ, ডোমকল, কান্দি, জঙ্গিপুর প্রত্যেকটি মহকুমাবাজারে ভিড় করতে শুরু করেছেন মানুষ। বিশেষ করে বিকেলের পর সন্ধ্যায় বাজারে ভিড় হচ্ছে। শপিং মল থেকে নামী বস্ত্র বিপনিতে এদিন ক্রেতাদের ভিড় দেখা গিয়েছে। চৈত্র মাস পড়ায় বহু দোকানে সেল শুরু হয়ে গিয়েছে। অনেকেই অফারে জামাকাপড় কিনতে আগ্রহ দেখাচ্ছে। বহরমপুরের চুয়াপুরের বাসিন্দা সাবানা খাতুন বলেন, ইফতারের পর কেনাকাটা করতে বেরিয়েছি। রবিবার ছাড়া বাজারে আসার সময় হয় না। এখন কয়েকদিন ভালো ভিড় হবে। তাই সপরিবারে আগাম চলে এলাম। মুর্শিদাবাদ জেলার ঈদের বাজার একটু শেষের দিকেই জমে ওঠে। কারণ এখানে কেনাকাটা অনেকটা পরিযায়ী শ্রমিকদের উপার্জন করা অর্থের উপরই নির্ভর করে। অনেকেই সহজেই অনলাইনে বাড়িতে টাকা পাঠিয়ে দিচ্ছেন। সেই টাকা তুলে ইদের বাজার সারছেন তাঁদের পরিবারের লোকজন। তবে, অনেকেই ভিনরাজ্য থেকে ঈদের আগে বাড়ি ফিরে পরিবারের সঙ্গে একসঙ্গে কেনাকাটা করে। সেজন্য শেষ সপ্তাহে কেনাকাটায় বাড়তি উন্মাদনা দেখা যায়। তবে, আগামী এক সপ্তাহে বহরমপুর থেকে শুরু করে মুর্শিদাবাদ, ডোমকল, লালগোলা, হরিহরপাড়া, জঙ্গিপুর ও কান্দি সর্বত্রই ঈদের বাজার জমে উঠবে বলেই আশাবাদী ব্যবসায়ীরা। 

Advertisement

বহরমপুর ক্লথ মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি তাপস মুখোপাধ্যায় বলেন, ঈদের বাজার শুরু হয়েছে। দু’দিন দল ও হোলির জন্য বাজারে প্রভাব পড়েছিল। তবে, রবিবার থেকে মানুষজন বাজারমুখী হয়েছে। আগামীতে আরও ভালো ব্যবসা হবে। তবে, অনলাইনে কেনাকাটার ফলে আগের থেকে ব্যবসার অবস্থা খুবই খারাপ। বিশেষ করে ছোট ব্যবসায়ীদের অবস্থা খুবই খারাপ। 
রঘুনাথগঞ্জের বস্ত্র ব্যবসায়ী ইমতিয়াজ মণ্ডল বলেন, সারা বছর টুকটাক বিক্রি হয়। তবে, এই ঈদের এবং পুজোর সময় আমরা বাজার ধরার চেষ্টা করি। এখনও অবধি বাজার খুব একটা জমেনি। তবে, রবিবার থেকে লোকজন বাজারে কিনতে আসছে। আশা করছি আগামী দুই সপ্তাহ খুব ভালোবাজার হবে। তবে, অনেকেই চৈত্র সেলের অফারের দিকে তাকিয়ে থাকে। অনেক ব্যবসায়ী সেলের জন্য নতুন নতুন কালেকশন এনেছেন। অফারে জিনিস কিনতে অপেক্ষা করেছেন সকলেই। খড়গ্রামের বাসিন্দা লিয়াকত আলি বলেন, রবিবার করে বহরমপুরের বাজারে আসি। চাষের সরঞ্জাম কেনার পাশাপাশি এদিন ছেলেমেয়েদের জন্য জামা প্যান্ট কিনলাম। একটু আগে থেকে ওদের জন্য জিনিস কিনলে ওরা খুব খুশি হয়।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ