Bartaman Logo
৬ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বন্ধ ট্রেন চালু ও আরও এক্সপ্রেসের স্টপেজ দাবি মুরারই নাগরিক মঞ্চের

মুরারই স্টেশনের উপর দিয়ে যেসব ট্রেন যাতায়াত করত তার মধ্যে কিছু ট্রেন লকডাউনের সময় থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

বন্ধ ট্রেন চালু ও আরও এক্সপ্রেসের স্টপেজ দাবি মুরারই নাগরিক মঞ্চের
  • ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, রামপুরহাট: মুরারই স্টেশনের উপর দিয়ে যেসব ট্রেন যাতায়াত করত তার মধ্যে কিছু ট্রেন লকডাউনের সময় থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে এই স্টেশনের উপর দিয়ে বহু এক্সপ্রেস ট্রেন চলাচল করলেও এই স্টেশনে থামে না। হাতে গোনা দু’একটি এক্সপ্রেস ট্রেন স্টপেজ দেয়। তাই করোনাকালে বন্ধ থাকা ট্রেনগুলি ফের চালু করা ও আরও এক্সপ্রেস ট্রেনের স্টপেজের দাবিতে সোচ্চার হল মুরারই নাগরিক মঞ্চ। বৃহস্পতিবার তাঁরা সাময়িক বিক্ষোভের পাশাপাশি হাওড়া ডিভিশনের ডিআরএমের উদ্দেশ্যে স্টেশনের ম্যানেজারের হাতে স্মারকলিপি জমা দিলেন।

Advertisement

মুরারই গ্রামীণ এলাকা হলেও রামপুরহাট, নলহাটি শহরের থেকে কোনও অংশে কম নয়। পার্শ্ববর্তী মুর্শিদাবাদ ও ঝাড়খণ্ডের বহু মানুষ মুরারই স্টেশনের উপর নির্ভরশীল। বর্তমানে মুরারই স্টেশনে থামে সীমিত সংখ্যক এক্সপ্রেস এবং লোকাল ট্রেন। যার ফলে যাত্রীরা সমস্যায় পড়ছেন। নাগরিক মঞ্চের সদস্যরা জানান, মুরারই স্টেশন থেকে কলকাতার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের জন্য মালদহ টাউন-হাওড়া ইন্টারসিটি এক্সপ্রেসের উপর নির্ভর করতে হয়। এই ট্রেনে নিত্যদিন অতিরিক্ত ভিড় হয়। ফলে যাত্রীরা প্রচণ্ড অসুবিধা সত্ত্বেও এই ট্রেনে যাতায়াত করেন। তাই সাহেবগঞ্জ-হাওড়া ইন্টারসিটি এক্সপ্রেসের স্টপেজ দিলে যাত্রীদের সমস্যা কিছুটা মিটবে।

অন্যদিকে অনেক বাসিন্দা ও পর্যটক শিলিগুড়ি এবং উত্তরবঙ্গে যাতায়াত করেন। বর্তমানে, মুরারই থেকে শিলিগুড়ি পর্যন্ত কোনও রাত্রিকালীন ট্রেন নেই। ফলে বিকল্প পরিবহণের উপরই নির্ভর করতে হয়। মুরারইয়ে কাঞ্চনকন্যা এক্সপ্রেসের স্টপেজ চালু করলে স্থানীয় মানুষ এবং পর্যটকদের ব্যাপক সুবিধা হবে। বিশেষ করে শিলিগুড়ি দার্জিলিং, সিকিম এবং ডুয়ার্সের মতো জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে যাতায়াতের সুবিধা হবে। সেইসঙ্গে করোনা কাল থেকে বন্ধ থাকা বর্ধমান-মালদহ টাউন প্যাসেঞ্জার সহ অন্যান্য ট্রেনগুলি চালু এবং বর্ধমান-রামপুরহাট মেমু মুরারই পর্যন্ত সম্প্রসারিত ও জেলার সদর শহর সিউড়ির সঙ্গে যোগাযোগের জন্য অফিস টাইমে মালদহ থেকে অণ্ডাল পর্যন্ত মেমু চালানোর দাবি তুলেছেন তাঁরা।

মঞ্চের পক্ষে জগন্নাথ দত্ত, অরিণ দত্ত, নুর আলম, রাহুল কানুরা বলেন, সরকারি কর্মচারী, ছাত্র এবং ব্যবসায়ী সহ বিপুল সংখ্যক যাত্রী কাজ এবং পড়াশোনার জন্য কলকাতা যাতায়াত করেন। বর্তমানে, ট্রেনগুলি প্রায়ই দেরিতে চলে। সেজন্য যাত্রীদের প্রচুর সমস্যায় পড়তে হয়। রেল আমাদের দাবিগুলি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করলে রেলেরও আয় আরও বাড়বে।  মুরারই স্টেশন ম্যানেজার নুরেজ্জামান দাবিপত্রটি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়ে দেবেন বলে জানিয়েছেন।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ