নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে যায়নি। কিন্তু, আক্রান্ত কম হলেও অক্টোবর মাসের শুরুতেই সল্টলেকে ডেঙ্গুতে এক ছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। ফলে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়েছে। অক্টোবর মাসে যাতে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা না বাড়ে, তার জন্য একগুচ্ছ পদক্ষেপ নিয়েছে পুরসভা। মশার লার্ভা নিধনে বৃহস্পতিবার থেকে বিধাননগর পুরসভার ৪১টি ওয়ার্ডে আড়াই লক্ষ গাপ্পি ছাড়া শুরু হল। মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তী এদিন কেষ্টপুর খালে গাপ্পি ছেড়ে কর্মসূচির সূচনা করেন। সেখানে মেয়র পারিষদ (স্বাস্থ্য) বাণীব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় সহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। বাকি ওয়ার্ডেও ছাড়ার জন্য গাপ্পি বিলি করা হয়। মেয়র জানিয়েছেন, গত বছরের মতো এবারও গাপ্পি ছাড়া হল। ডেঙ্গুকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুরসভার পক্ষ থেকে যাবতীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২২ এবং ২০২৩ সালে বিধাননগরে ডেঙ্গু সংক্রমণ ছিল ঊর্ধ্বমুখী। ওই দুই বছরে ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত যথাক্রমে ৪,২২২ জন এবং ৩,৯৫৬ জন এই রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন। গত বছর জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত মাত্র ৩৯০ জন আক্রান্ত হন। এবার এখনও পর্যন্ত সংক্রমণ আড়াইশোর নীচে। সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছেন ২৩০ জন। তবে, ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে সল্টলেকের এক ১৫ বছরের ছাত্রী গত ৫ অক্টোবর মারা যায়। ওই ছাত্রী ইএসআই হাউজিং কমপ্লেক্সে থাকত। সেখানে অনেকে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত। পুরসভার দাবি, সেখানে ডেঙ্গুর লার্ভা পাওয়া গিয়েছে। সমস্ত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী গত ৯ তারিখ পর্যন্ত নতুন করে ৮ জন আক্রান্ত হয়েছেন। -নিজস্ব চিত্র



