নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাজ্যের বিভিন্ন পুরসভায় বহু অযোগ্য ব্যক্তিকে নিয়োগ দিয়ে কোটি কোটি টাকা তোলা হয়েছে। বিভিন্ন পুরসভায় ২৮৪ জন অযোগ্যকে চাকরি দেওয়া হয়েছে। চাকরিপিছু লেনদেন হত ৬ লক্ষ টাকা! হাইকোর্টে সুজিত বসুর জামিনের বিরোধিতা এমনটাই দাবি করল ইডি। বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের এজলাসে তাদের দাবি, সুজিত বসু একজন ‘প্রভাবশালী’ ব্যক্তি। জামিন পেলে তিনি তদন্তে প্রভাব খাটাতে পারেন। যদিও এদিন সুজিতের জামিন-মামলার শুনানিতে তাঁকে জেলে রাখার প্রয়োজনীয়তা প্রসঙ্গে বিচারপতি ঘোষের প্রশ্ন, প্রাক্তন মন্ত্রীকে ইডি হেপাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজনীয়তা কোথায়? তাঁকে জেলে রাখলে তদন্তে আর কী কী বেরিয়ে আসতে পারে? ইডির আইনজীবী তথা কেন্দ্রের অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল এস ভি রাজু সওয়ালে বলেন, সুজিত সাধারণ অভিযুক্ত নন। তাঁর বিরুদ্ধে সাধারণ ধারায় মামলা রুজুও হয়নি। আর্থিক তছরুপ প্রতিরোধ আইনে মামলা হয়েছে সুজিতের বিরুদ্ধে। সেই মামলায় তদন্ত চলছে। রাজু দাবি করেন, সুজিতের সুপারিশেই চাকরি হয়েছে। সুজিতের একার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ৮ কোটি ৮০ লক্ষ টাকা রয়েছে। আর পরিবারের অন্য সদস্যদের অ্যাকাউন্টেও মিলেছে কোটি কোটি টাকার হদিশ। শেয়ার বাজারে অনেক বিনিয়োগ রয়েছে সুজিতদের। প্রাক্তন মন্ত্রী দক্ষিণ দমদম পুরসভায় ১৫২ জনের চাকরিপ্রার্থীর নাম সুপারিশ করেছিলেন। এই টাকার উৎসের নেপথ্যে কি চাকরি বিক্রি? তদন্ত চলছে এই প্রশ্নে। ফলে এখনই সুজিত বসুকে জামিন দিলে তিনি প্রভাব বিস্তার করতে পারেন বলে দাবি করেছে ইডি।



