Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

অবৈধ নির্মাণ বৈধকরণে ‘মাইনর ডেভিয়েশন’-এর সংজ্ঞা কী, সুস্পষ্ট আইনি ব্যাখ্যা চাইছেন পুরকর্তারা

শহরজুড়ে অবৈধ নির্মাণ ভাঙার অভিযান শুরু হয়েছে। চলছে বুলডোজার। এই অবস্থায় অবৈধ নির্মাণকে জরিমানার বিনিময়ে বৈধকরণ সংক্রান্ত বিধির স্পষ্টতা দাবি করলেন পুরকর্তারা।

অবৈধ নির্মাণ বৈধকরণে ‘মাইনর ডেভিয়েশন’-এর সংজ্ঞা কী, সুস্পষ্ট আইনি ব্যাখ্যা চাইছেন পুরকর্তারা
  • ২১ মে, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: শহরজুড়ে অবৈধ নির্মাণ ভাঙার অভিযান শুরু হয়েছে। চলছে বুলডোজার। এই অবস্থায় অবৈধ নির্মাণকে জরিমানার বিনিময়ে বৈধকরণ সংক্রান্ত বিধির স্পষ্টতা দাবি করলেন পুরকর্তারা। তাঁদের মতে, অবৈধ নির্মাণ বৈধকরণ বা ‘রেগুলারাইজেশন’-এর যে নিয়ম আছে, তাতেই রয়েছে গলদ। আইনের সেই ফাঁক গলে ভুরি ভুরি বেআইনি নির্মাণ ‘বৈধ’ হয়েছে। কীসের ভিত্তিতে এই ‘রেগুলারাইজেশন’, তা নিয়ে সুস্পষ্ট এবং সুনির্দিষ্ট নির্দেশিকা চাইছেন পুরকর্তারা। তাঁদের মতে, বিষয়টি স্পষ্ট হলে তবেই লাগাম টানা যাবে বেআইনি নির্মাণে। 

Advertisement

কলকাতা পুরসভা ২০১৫ সালে অবৈধ নির্মাণ বৈধকরণের বর্তমান নিয়ম চালু করেছিল ‘কলকাতা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন (রেগুলারাইজেশন অব বিল্ডিং) রেগুলেশনস, ২০১৫’ শীর্ষক আইনের মাধ্যমে। সেই আইনি সংশোধনীতে উল্লেখ করা হয়, পুরসভার অনুমোদিত বিল্ডিং প্ল্যানের ‘মাইনর ডেভিয়েশন’ অর্থাৎ ছোটখাটো বিচ্যুতি ঘটলে নির্দিষ্ট পেনাল্টি বা জরিমানার বিনিময়ে তা ‘রেগুলারাইজ’ বা ‘বৈধ’ করা যাবে। কিন্তু ঠিক কতটা এবং কী ধরনের বিচ্যুতিকে ‘মাইনর ডেভিয়েশন’ বলে ধরা হবে,  বা এই আইনি লব্জের সংজ্ঞা কী হবে, তা সংশোধিত আইনে স্পষ্ট করা নেই। সবটাই নির্ভর করে সংশ্লিষ্ট আধিকারিক ও পুরকর্তাদের বিবেচনার উপর। স্বাভাবিকভাবেই এই নিয়মের ফাঁক গলে প্রচুর অবৈধ নির্মাণ ‘বৈধ’ হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে বা মোটা অর্থের বিনিময়ে চোখে পড়ার মতো অবৈধ নির্মাণও ‘রেগুলারাইজড’ হয়েছে বলে অভিযোগ।
তাই বর্তমান পরিস্থিতিতে পুরসভার কর্তারা চাইছেন, এই আইনে ফের একটি সংশোধনী এনে ‘মাইনর ডেভিয়েশন’-এর সংজ্ঞা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হোক। ‘মাইনর ডেভিয়েশন’ পরিমাপের সুনির্দিষ্ট পদ্ধতিও বলে দেওয়া হোক আইনে। তাহলেই ভুরি ভুরি অবৈধ নির্মাণ বৈধকরণের রাস্তা বন্ধ হবে। লাগাম টানা যাবে বেআইনি নির্মাণে। 
এদিকে, পুরসভা জাভেদ খান এবং তাঁর পুত্র ফইয়াজ আহমেদ খানের সম্পত্তি নিয়ে খোঁজখবর শুরু করেছে। বেলেঘাটা অঞ্চলের কুখ্যাত রাজু নস্করের ৭৭টি সম্পত্তির হদিশ মিলেছে বলে খবর। পুরসভার সূত্রে জানা গিয়েছে, বহু ক্ষেত্রে সঠিক বিল্ডিং প্ল্যান এবং অন্যান্য কাগজপত্র নেই। শীঘ্রই নোটিস পাঠানো হবে। তাছাড়া, সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি খুঁজতে গিয়ে চরম বিড়ম্বনায় পড়েছেন পুরসভার আধিকারিকরা। ‘কেন আমার বাড়ির ছবি তোলা হল’, এই মর্মে পুরসভার বিল্ডিং বিভাগে এসে বুধবার রীতিমতো চড়াও হন জনৈক আইনজীবী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়! যা নিয়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ায় পুরসভায়। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ