নয়াদিল্লি: মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে অস্বাভাবিক দেরি হলে তা আসামির উপর অমানবিক প্রভাব ফেলে। সোমবার একটি মামলার শুনানি চলাকালীন এমনই পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের। মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে অস্বাভাবিক দেরির ফলে যদি কোনও আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়, তাতে কোনও ভুল নেই বলেও জানিয়েছে শীর্ষ আদালত। ২০০৭ সালে পুনেতে বিপিও কর্মীকে গণধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় ফাঁসির সাজা হয়েছিল দুই ব্যক্তির। সম্প্রতি তাদের সাজা বদলে ৩৫ বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয় বম্বে হাইকোর্ট। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় মহারাষ্ট্র সরকার। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের নির্দেশ বহাল রেখেছে। বিচারপতি অভয় এস ওকা, আহসানুদ্দিন আমানুল্লাহ ও অগাস্টিন জর্জ মাসিহর ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, প্রাণভিক্ষার আবেদন অনির্দিষ্ট সময় ধরে পড়ে থাকার জন্য মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে ধোঁয়াশার মধ্যে থাকতে হয়, যা মানসিক যন্ত্রণার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সংবিধানে আসামিদের জন্যও যে অধিকার রয়েছে তাও মনে করিয়ে দিয়েছে শীর্ষ আদালত। ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, এই মামলায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে দেরি হওয়ার কারণ ব্যাখ্যাহীন ও অযৌক্তিক।



