নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সব জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকদের নিয়ে ভার্চুয়াল বৈঠক করলেন স্বাস্থ্যদপ্তরের শীর্ষকর্তারা। সোমবার দু’টি পৃথক বৈঠক হয়। সব জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক, হাসপাতালের সুপার ও এমএসভিপিদের নিয়ে প্রথম বৈঠক করে স্বাস্থদপ্তর। অপরটি রাজ্যজুড়ে সব ন্যায্য মূল্যের দোকানদারগুলিকে বিশেষ নির্দেশ দেয় দপ্তর। স্বাস্থ্যদপ্তরের কর্তারা জানিয়ে দিয়েছেন, জেলায় জেলায় যত ড্রাগ ইনসপেক্টর ও সহকারী ড্রাগ কন্ট্রোলার রয়েছেন, তাঁদের প্রতি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ সোর্স (ডিআরএস) বা সরকারি ওষুধের স্টোরে পরিদর্শন করতে হবে। তাঁরা ওষুধের মান খতিয়ে দেখবেন। সেখান থেকে নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষার জন্য নিয়ে যাবেন। পাশাপাশি, নিয়মিত পরিদর্শন মাস জুড়ে চলবে।
Advertisement
অন্যদিকে আরও একটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে দপ্তরের তরফে। প্রতিটি জেলার সুপার স্পেশালিটি ও মহকুমা হাসপাতালকে আড়াই লক্ষ টাকা করে দেওয়া হচ্ছে। স্থানীয়ভাবে ওষুধ কেনাকাটির জন্য এই টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। সমস্ত জেলার জন্য বাড়তি ফান্ড দেওয়া হয়েছে। তা গ্রামীণ হাসপাতালে ও ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের জন্য।
স্বাস্থ্যদপ্তরের নির্দেশ, যত ওষুধ কেনা হবে তার মধ্যে ৮০ শতাংশ হতে হবে সরকার অনুমোদিত সংস্থার মাধ্যমে। বাকি ২০ শতাংশ স্থানীয়ভাবে ওষুধ কেনার জন্য। ন্যায্যমূল্যের দোকানদারদের বলা হয়েছে, সরকারি তালিকাভুক্ত সব ওষুধ রাখতে হবে। শুধু তাই নয়, এই তালিকাভুক্ত ওষুধের গুণগত মান নিশ্চিত করা দায়িত্ব দোকানদারদের। বন্টনকারীদের থেকে ওষুধে ড্রাগ টেস্টের রিপোর্ট নিতে হবে ন্যায্যমূল্যের দোকানগুলিকে। মা ও শিশুদের যাবতীয় ওষুধের সংখ্যা ও মান নিশ্চিত করতে হবে। ২০০টি ওষুধের তালিকা নিয়ে আলোচনা হয় এদিনের বৈঠকে।
স্বাস্থ্যদপ্তরের নির্দেশ, যত ওষুধ কেনা হবে তার মধ্যে ৮০ শতাংশ হতে হবে সরকার অনুমোদিত সংস্থার মাধ্যমে। বাকি ২০ শতাংশ স্থানীয়ভাবে ওষুধ কেনার জন্য। ন্যায্যমূল্যের দোকানদারদের বলা হয়েছে, সরকারি তালিকাভুক্ত সব ওষুধ রাখতে হবে। শুধু তাই নয়, এই তালিকাভুক্ত ওষুধের গুণগত মান নিশ্চিত করা দায়িত্ব দোকানদারদের। বন্টনকারীদের থেকে ওষুধে ড্রাগ টেস্টের রিপোর্ট নিতে হবে ন্যায্যমূল্যের দোকানগুলিকে। মা ও শিশুদের যাবতীয় ওষুধের সংখ্যা ও মান নিশ্চিত করতে হবে। ২০০টি ওষুধের তালিকা নিয়ে আলোচনা হয় এদিনের বৈঠকে।



